ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬

menu

আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২১, ২০২৬, ১১:৪০ এএম

আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের উদ্যোগ

ছবিঃ সংগৃহীত

পাবনায় পূর্ণাঙ্গ সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। জেলার আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলের কৃষিশিক্ষা, গবেষণা, আধুনিক কৃষিপ্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং দক্ষ কৃষিবিদ তৈরির ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে সুনির্দিষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হওয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলে এখনো এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত অনুমোদন নয়; বরং বাস্তবায়নের সম্ভাবনা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ।

সংসদ সদস্যের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রগতি

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস নির্বাচনের আগে জেলায় একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নির্বাচিত হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম চালিয়ে যান।

এরই ধারাবাহিকতায় আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার ফলে দীর্ঘদিনের এ দাবিকে সামনে রেখে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘পাবনার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি আধুনিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখে আসছে। নির্বাচনের সময় আমি সাধারণ মানুষকে কথা দিয়েছিলাম। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছি। মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনা পাবনাবাসীর স্বপ্নের প্রথম বড় জয়। এটি দ্রুত বাস্তবায়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে বাস্তবে রূপ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখা হবে।

কেন পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রয়োজন

পাবনা দেশের অন্যতম কৃষিপ্রধান জেলা। এ অঞ্চলে পেঁয়াজ, ধান, গম, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদিত হয়। কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষিপণ্যের উৎপাদন, সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিপণনকে কেন্দ্র করে জীবিকা নির্বাহ করেন বিপুলসংখ্যক মানুষ।

এ অবস্থায় পাবনায় একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। স্থানীয় কৃষির সমস্যা চিহ্নিত করা, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ, উন্নত জাতের ফসল উদ্ভাবন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে কৃষি উৎপাদনব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষ করে পেঁয়াজ উৎপাদন, দুগ্ধ খাতের উন্নয়ন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণব্যবস্থা এবং আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি নিয়ে গবেষণার সুযোগ তৈরি হলে স্থানীয় কৃষকেরা উপকৃত হতে পারেন। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের অপচয় কমানো, উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারব্যবস্থার উন্নয়নে গবেষণালব্ধ জ্ঞান কাজে লাগানোর সুযোগ থাকবে।

তবে এসব সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণাগার, পরীক্ষামূলক খামার, আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, দক্ষ শিক্ষক এবং পর্যাপ্ত গবেষণা তহবিল নিশ্চিত করতে হবে।

আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাবনা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান অবকাঠামো, জমির পরিমাণ, শিক্ষার্থী ধারণক্ষমতা, শিক্ষক ও জনবল, আর্থিক সক্ষমতা এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

একটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার জন্য শুধু শ্রেণিকক্ষ ও প্রশাসনিক ভবন থাকলেই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন কৃষি গবেষণাগার, পরীক্ষামূলক কৃষিজমি, ফসল ও মাটিবিষয়ক গবেষণার ব্যবস্থা, আধুনিক গ্রন্থাগার, আবাসন, শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর জন্য পর্যাপ্ত জনবল।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য বিভাগ ও অনুষদ, শিক্ষাক্রম, ভর্তি কার্যক্রম, গবেষণার ক্ষেত্র এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। বিদ্যমান কৃষি মহাবিদ্যালয়কে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা কতটা বাস্তবসম্মত এবং কী ধরনের অতিরিক্ত অবকাঠামো ও বিনিয়োগ প্রয়োজন, তা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের প্রতিবেদনে উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ।

আইনগত দিকটিও এ ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন বা বিদ্যমান আইনি কাঠামোয় পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে কি না, তা যাচাই করে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে হবে।

১৯৮০ সাল থেকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি

পাবনায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নতুন নয়। কৃষিবিদ জাফর সাদেকের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৮০ সাল থেকেই জেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। তবে পরবর্তী সময়ে এ উদ্যোগে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশনাকে তিনি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন।

কৃষিবিদ জাফর সাদেক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, সামগ্রিক কৃষি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ অঞ্চলে জমি ও অবকাঠামোগত সুযোগ তৈরি করা সহজ হবে। ইউজিসির সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন দ্রুত সম্পন্ন করে জমি অধিগ্রহণ ও আইন প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

তাঁর মতে, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে পরবর্তী প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে দীর্ঘদিনের দাবিটি বাস্তবায়নের পথে আরও এগিয়ে যেতে পারে।

কৃষি গবেষণা ও দক্ষ জনবল তৈরিতে নতুন সম্ভাবনা

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হলো আধুনিক কৃষিবিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন। পাবনায় এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠলে স্থানীয় কৃষির চাহিদা অনুযায়ী গবেষণার ক্ষেত্র নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

পেঁয়াজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, ফসলের রোগবালাই প্রতিরোধ, মাটির উর্বরতা সংরক্ষণ, উন্নত বীজ উদ্ভাবন, সেচের দক্ষ ব্যবহার এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণপ্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা এ অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি দুগ্ধ উৎপাদন, পশুপালন, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রেও শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়তে পারে।

এ ধরনের গবেষণা কার্যক্রম স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালনা করা গেলে গবেষণাগারের জ্ঞান সরাসরি মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে। এর ফলে উৎপাদন ব্যয় কমানো, ফসলের গুণগত মান উন্নত করা এবং কৃষিপণ্যের বাজারমূল্য বাড়ানোর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

একই সঙ্গে কৃষিবিদ, গবেষক ও কৃষিপ্রযুক্তিবিদ তৈরির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতে দক্ষ জনবলের চাহিদা পূরণেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে সম্ভাব্য প্রভাব

একটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন, পরিবহন, খাবার, বইপত্র, প্রযুক্তিসেবা এবং অন্যান্য প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে আবাসন, ক্ষুদ্র ব্যবসা, পরিবহন ও সেবামূলক খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা গড়ে ওঠার সম্ভাবনাও বাড়বে।

তবে এসব সুফল নিশ্চিত করতে পরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ও অবকাঠামো পরিকল্পনার ক্ষেত্রে কৃষিজমি সংরক্ষণ এবং স্থানীয় পরিবেশের ওপর সম্ভাব্য প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

এখন ইউজিসির প্রতিবেদনের অপেক্ষা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর এখন আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিষয়ে ইউজিসির সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, আইনগত প্রক্রিয়া, আর্থিক ব্যয় এবং বাস্তবায়নের উপযোগিতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

প্রতিবেদনে ইতিবাচক সুপারিশ এলে পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন, প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন, অর্থ বরাদ্দ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক প্রস্তুতির মতো বিষয়গুলো সামনে আসবে। তবে এসব পদক্ষেপের সময়সীমা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো নিশ্চিত নয়।

পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে তাই শুধু সম্ভাব্যতা যাচাই নয়, পরবর্তী প্রতিটি ধাপও সময়মতো সম্পন্ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে সেখানে মানসম্মত শিক্ষা, আধুনিক গবেষণা এবং কৃষকদের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।

সব মিলিয়ে, আটঘরিয়া কৃষি মহাবিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাবনার উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এখন ইউজিসির প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী আইনগত ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে দীর্ঘদিনের এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরবর্তী পথ।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!