ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, পানিতে ভাসছে আমদানিকৃত পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম

টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরে জলাবদ্ধতা, পানিতে ভাসছে আমদানিকৃত পণ্য

ছবিঃ সংগৃহীত

টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরের কয়েকটি শেডে পানি ঢুকে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্য ভিজে যাওয়ায় কোটি কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন আমদানিকারকরা।

শুক্রবার (১০ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন কয়েকটি শেডে হাঁটুপানি জমে যায়। এতে সেখানে সংরক্ষিত বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল পানিতে তলিয়ে যায়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কাজ করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আমদানিকারকদের অভিযোগ, বন্দরে আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ হলেও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে প্রতিবছরই বিপুল পরিমাণ পণ্য নষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

বেনাপোল কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মহসিন মিলন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের সমস্যার কথা জানানো হলেও স্থায়ী কোনো সমাধান করা হয়নি। বীমা সুবিধা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারকরা কোনো ক্ষতিপূরণও পান না।

বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বন্দরের ভাড়া বাড়লেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেই। অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণেই প্রতি বর্ষায় একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়কারী এই বন্দরে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া দুঃখজনক।

এ বিষয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক কাজী রতন বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে কয়েকটি শেডে পানি ঢুকে মালামাল ভিজেছে। পাওয়ার পাম্প দিয়ে পানি অপসারণের কাজ চলছে। বৃষ্টি কমে গেলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!