ঢাকা কাস্টমস হাউসের এক ক্লাব কর্মচারী জাবেদের বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একাধিক ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি সাবেক কাস্টমস কমিশনার ও বর্তমান জাতীয়
রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের ঘনিষ্ঠ পরিচয় ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা মোয়াজ্জেম হোসেনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সাবেক কমিশনারের দায়িত্বকালীন সময়ে ব্যক্তিগত কাজের জন্য জাবেদকে কাস্টমস হাউসে আনা হয় এবং পরবর্তীতে ক্লাব কর্মচারী হিসেবে রাখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেই পরিচয় ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে তিনি ব্যবসায়ী এবং কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর ওপর প্রভাব বিস্তার করছেন এবং বিভিন্নভাবে অনৈতিক সুবিধা আদায় করছেন।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নানা প্রতিশ্রুতি, প্রভাবের কথা বলা এবং কখনও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাদের দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে কাস্টমস হাউসের স্বাভাবিক প্রশাসনিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সেবা গ্রহণকারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হলে প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে। একই সঙ্গে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ঢাকা কাস্টমস হাউসের বর্তমান কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ব্যবসায়ীরা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হলে প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রাজস্ব আহরণের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে।
এ প্রতিবেদনের বিষয়ে অভিযুক্ত জাবেদ এবং এনবিআরের সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।
“চলমান”

