ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

menu

সরকারের ৮ মাসেও সাভার-আশুলিয়ায় দৃশ্যমান পরিবর্তন নেই, নাগরিক দুর্ভোগে ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার

প্রকাশিত: অক্টোবর ২০, ২০২৬, ১২:০০ পিএম

সরকারের ৮ মাসেও সাভার-আশুলিয়ায় দৃশ্যমান পরিবর্তন নেই, নাগরিক দুর্ভোগে ক্ষোভ

ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি সরকার গঠনের আট মাস পেরিয়ে গেলেও ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় প্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এলাকার উন্নয়ন, যানজট নিরসন ও নাগরিক সেবার মান বাড়ানোর ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। অবৈধ অটোরিকশার দাপট, ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা, ভাঙাচোরা সড়ক, তীব্র যানজট এবং অপরিকল্পিত যোগাযোগব্যবস্থার কারণে প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার পরিবর্তনের পর সাভার ও আশুলিয়ার যোগাযোগব্যবস্থা, সড়কের শৃঙ্খলা এবং নাগরিক সুবিধায় ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে ‘গ্রিন সাভার, ক্লিন সাভার’ কর্মসূচির মতো প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু আট মাস পরও দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলোর উল্লেখযোগ্য সমাধান হয়নি বলে দাবি তাঁদের।

সাভার বাসস্ট্যান্ড, বাজার বাসস্ট্যান্ড, হেমায়েতপুর, উলাইল, গেন্ডা, পাকিজা মোড় এবং আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় যানজট এখন নিত্যদিনের সমস্যা। মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অটোরিকশার চলাচল, যেখানে-সেখানে যাত্রী ওঠানামা, ফুটপাত দখল এবং সড়কের বিভিন্ন অংশে যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, পোশাকশ্রমিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা।

‘গ্রিন সাভার, ক্লিন সাভার’ প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?

সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, নির্বাচনের আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য ‘গ্রিন সাভার, ক্লিন সাভার’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু গত আট মাসে তাঁরা প্রত্যাশিত পরিবর্তন দেখতে পাননি।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমরা পরিবর্তনের আশা করেছিলাম। কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু দেখতে পাচ্ছি না। বরং দিন দিন সাভারের পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলতে শুধু প্রচার বা সাময়িক পরিচ্ছন্নতা অভিযান যথেষ্ট নয়। নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা প্রয়োজন। এসব কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পরিচালিত না হলে সাময়িক উদ্যোগের সুফলও দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

অবৈধ অটোরিকশায় যানজট, দুর্ভোগে কর্মজীবী মানুষ

সাভার ও আশুলিয়ার যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে অবৈধ বা অননুমোদিত অটোরিকশার চলাচল এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কথা বলছেন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিকশা থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো হয়। অনেক সময় সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়ার কারণে পেছনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

গেন্ডা এলাকার বাসিন্দা লুৎফর রহমান বাদল বলেন, প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে তাঁকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অটোরিকশা যেখানে-সেখানে দাঁড়ায় এবং যাত্রী নেওয়ার জন্য রাস্তার মাঝখানে থেমে থাকে। ফলে অল্প দূরত্ব অতিক্রম করতেও অনেক সময় লেগে যায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, শুধু অভিযান নয়, স্থায়ীভাবে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হোক।’

স্থানীয়দের দাবি, মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অননুমোদিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণে মাঝেমধ্যে অভিযান চালানো হলেও পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নতি হচ্ছে না। অভিযান চলাকালে যানবাহনের চাপ কিছুটা কমে এলেও কয়েক দিন পর আবার আগের অবস্থা ফিরে আসে।

এ কারণে শুধু অভিযান পরিচালনা নয়, নিয়মিত নজরদারি, নির্দিষ্ট স্থানে যাত্রী ওঠানামার ব্যবস্থা, যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

সরকার পরিবর্তনেও হতাশা কাটেনি আশুলিয়ায়

আশুলিয়ার মুদি দোকানদার আব্দুল হান্নান বলেন, তাঁরা অনেক আশা নিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছিলেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি দেখে তিনি হতাশ।

তাঁর ভাষ্য, নির্বাচনের আগে এলাকার উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ কমানোর যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখতে পাচ্ছেন না তাঁরা।

ব্যাংক কলোনির বাসিন্দা নুরুল ইসলাম বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাভার ও আশুলিয়ায় পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ফুটপাত দখল, অনিয়ন্ত্রিত যোগাযোগব্যবস্থা এবং বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে বিরোধের মতো সমস্যাগুলো আগের মতোই রয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিভিন্ন এলাকায় ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও উদ্বেগ তৈরি করছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যুক্ত করে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা প্রয়োজন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুফল তখনই সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান হবে, যখন তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ফুটপাত দখলে পথচারীদের ভোগান্তি

সাভার বাজার ও আশপাশের ব্যস্ত এলাকায় ফুটপাত দখল করে হকারদের ব্যবসা পরিচালনার কারণে পথচারীদের চলাচলের জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ফুটপাতের ওপর দোকান বসানো, পণ্য সাজিয়ে রাখা এবং বিভিন্ন স্থানে মালামাল রাখার কারণে অনেককে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটতে হচ্ছে।

এতে একদিকে যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারীদের দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শারীরিকভাবে অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

সাভার বাজার এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ফুটপাত মানুষের হাঁটার জন্য হলেও অনেক জায়গায় দোকানপাট ও পণ্যের দখলে থাকায় সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। সরকার পরিবর্তনের পর এসব সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু এখনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চোখে পড়ছে না।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার ক্ষেত্রে হকারদের জীবিকা এবং পথচারীদের চলাচলের অধিকার—দুই বিষয়ই বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা। তাঁদের মতে, নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার সুযোগ, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে ফুটপাতের ওপর চাপ কমানো সম্ভব।

ভাঙাচোরা সড়কে বাড়ছে ঝুঁকি

সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন সড়কের বেহাল অবস্থাও স্থানীয়দের ক্ষোভের অন্যতম কারণ। বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ, পিচ উঠে যাওয়া এবং বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও অন্যান্য ছোট যানবাহন চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে যানবাহনের গতি কমে যাওয়ায় যানজটের চাপও বাড়তে পারে। আবার খানাখন্দ এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহন হঠাৎ দিক পরিবর্তন করলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। নিয়মিত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবকে এ সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগীরা।

আশুলিয়ার এক পোশাকশ্রমিক লুৎফর নাহার বলেন, সকালে কাজে যাওয়ার সময় যানজটে পড়তে হয়, আবার কর্মস্থল থেকে ফেরার পথেও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। রাস্তা খারাপ থাকলে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও কমে যায়। আমরা চাই, সরকার মানুষের দৈনন্দিন সমস্যাগুলোর দিকে নজর দিক।’

শিল্পাঞ্চল হিসেবে সাভার ও আশুলিয়ায় বিপুলসংখ্যক পোশাকশ্রমিক ও অন্যান্য পেশার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। তাঁদের কর্মস্থলে পৌঁছানো ও নিরাপদে বাড়ি ফেরার জন্য সড়ক সংস্কার, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শিল্পাঞ্চলের তুলনায় নাগরিক সুবিধা অপর্যাপ্ত

সাভার ও আশুলিয়া দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে পোশাক কারখানা, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাকেন্দ্র ও আবাসিক এলাকার বিস্তার ঘটেছে। ফলে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে এসব এলাকায় চলাচল করতে হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জনসংখ্যা ও যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেই তুলনায় সড়ক ব্যবস্থাপনা, ফুটপাত, বর্জ্য অপসারণ এবং অন্যান্য নাগরিক সুবিধার পর্যাপ্ত উন্নয়ন হয়নি।

তাঁদের মতে, শুধু সড়ক সংস্কার বা যানজট নিয়ন্ত্রণের বিচ্ছিন্ন উদ্যোগে সমস্যার সমাধান হবে না। শিল্পাঞ্চলের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। কোথায় যানবাহন থামবে, কোথায় যাত্রী ওঠানামা করবে, কীভাবে ফুটপাত দখলমুক্ত থাকবে এবং কীভাবে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ করা হবে—এসব বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।

এ ছাড়া সড়ক, ফুটপাত, বাজার ও আবাসিক এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনায় সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা, স্থানীয় প্রশাসন, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় জরুরি।

রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ চান বাসিন্দারা

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সরকার গঠনের আট মাস পর অগ্রগতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কী পরিবর্তন এসেছে, তা বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। যানজট কমেছে কি না, ফুটপাত কতটা চলাচলযোগ্য হয়েছে, সড়কের অবস্থা উন্নত হয়েছে কি না এবং নাগরিক সেবা কতটা কার্যকর হয়েছে—এসব সূচকের ভিত্তিতে অগ্রগতি মূল্যায়ন করা যেতে পারে।

তাঁদের মতে, অবৈধ ও অননুমোদিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ধারাবাহিক পদক্ষেপ, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কার এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করার উদ্যোগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঝুট ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতকে কেন্দ্র করে বিরোধ ও সংঘর্ষের অভিযোগ থাকলে সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এসব সমস্যার সমাধানে কোন সংস্থা কতটা দায়িত্ব পালন করছে, কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কোথায় অগ্রগতি আটকে আছে—তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্য প্রয়োজন।

দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপের প্রত্যাশা

সব মিলিয়ে, সাভার ও আশুলিয়ার বাসিন্দাদের প্রধান দাবি—রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি যেন বাস্তব উন্নয়নে রূপ নেয়। অবৈধ অটোরিকশার দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা, ভাঙাচোরা সড়ক সংস্কার এবং নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে দ্রুত ও ধারাবাহিক উদ্যোগ দেখতে চান তাঁরা।

স্থানীয়দের মতে, সাময়িক অভিযান বা বিচ্ছিন্ন সংস্কারকাজের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, সড়কে শৃঙ্খলা, নিরাপদ চলাচল এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়; এগুলো নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক প্রয়োজন।

সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নিলে সাভার ও আশুলিয়ার মানুষের দুর্ভোগ কমতে পারে বলে আশা করছেন বাসিন্দারা। এখন তাঁদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন যেন দৃশ্যমান হয় এবং এলাকার উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় প্রতিফলিত হয়।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!