ইঞ্জিন সংকটে চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। একসময় চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড (সিজিপিওয়াই) থেকে ঢাকার কমলাপুর ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে (আইসিডি) প্রতিদিন একাধিক কনটেইনারবাহী ট্রেন চলাচল করলেও বর্তমানে কোনো দিন একটি, কোনো দিন দুটি ট্রেন চলছে। আবার কোনো কোনো দিন একটিও কনটেইনারবাহী ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
শুধু কনটেইনারবাহী ট্রেন নয়, চট্টগ্রাম থেকে সিলেট, শ্রীমঙ্গল ও রংপুরগামী তেলবাহী ট্রেন এবং বিভিন্ন অঞ্চলে খাদ্য, গম ও সার পরিবহনকারী ট্রেনের চলাচলও কমে গেছে। এতে একদিকে ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে পণ্য পরিবহন থেকে রেলের আয়ও কমছে।
রেলওয়ের তথ্য বলছে, গত কয়েক বছরে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ ও কনটেইনার পরিবহন থেকে আয় ধারাবাহিকভাবে কমেছে। এর পেছনে ইঞ্জিন সংকটসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত ও পরিচালনাগত সীমাবদ্ধতাকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চার কনটেইনার ট্রেন নেমেছে এক-দুইটিতে
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৬০১, ৬০৩, ৬০৫ ও ৬০৭ নম্বর কনটেইনারবাহী ট্রেনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় দিনে সর্বোচ্চ চারটি ট্রেন চলাচল করত। বর্তমানে এসব ট্রেনের সংখ্যা কমে দিনে এক থেকে দুইটিতে নেমে এসেছে। অনেক দিন কোনো কনটেইনারবাহী ট্রেনই চলাচল করে না।
এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার দ্রুত ঢাকার আইসিডিতে স্থানান্তর করা কঠিন হয়ে পড়ছে। নির্ধারিত সময়ে কনটেইনার পরিবহন করতে না পারায় আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
তেলবাহী ট্রেনের শিডিউলও বিপর্যস্ত
ইঞ্জিন সংকটের প্রভাব পড়েছে দেশের জ্বালানি পরিবহনেও।
চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ৯৫১ নম্বর তেলবাহী ট্রেন আগে সপ্তাহে দুটি করে চলাচল করলেও বর্তমানে মাসে একটি ট্রেনও নিয়মিত যাচ্ছে না। ৯৬১ নম্বর তেলবাহী ট্রেন চট্টগ্রাম-শ্রীমঙ্গল রুটে সপ্তাহে এক থেকে দুটি চলাচল করত। বর্তমানে মাঝে মধ্যে মাসে একটি ট্রেন চলাচল করছে।
অন্যদিকে ৯৮১ নম্বর তেলবাহী ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে রংপুরে সপ্তাহে একটি করে চলাচল করলেও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে এ রুটে মাত্র একটি ট্রেন চলেছে।
এ ছাড়া রংপুর বিসি, দিনাজপুর বিসি ও তারাকান্দি বিসি নামে খাদ্য, গম ও সারবাহী ট্রেন এবং আশুগঞ্জ সাইলোগামী গমবাহী ট্রেনও নিয়মিত চলাচল করত। ইঞ্জিন সংকটে এসব ট্রেনের চলাচলও প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।
এক বছরে পণ্যবাহী ট্রেন কমেছে প্রায় অর্ধেক
রেলওয়ের সাম্প্রতিক তথ্যের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পণ্যবাহী ট্রেনের চলাচল ২ হাজার ৭৭০টি থেকে কমে ১ হাজার ৪৬৭টিতে নেমেছে।
অর্থাৎ এক অর্থবছরের ব্যবধানে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলে বড় ধরনের পতন হয়েছে। এর প্রভাব পড়ছে দেশের শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ, জ্বালানি পরিবহন, খাদ্যশস্য স্থানান্তর এবং আমদানি করা পণ্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছানোর ওপর।
এক দশকের মধ্যে কনটেইনার পরিবহনে সর্বনিম্ন আয়
পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি কনটেইনার পরিবহন থেকে রেলের আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
রেলওয়ের পরিবহন ও বাণিজ্যিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কনটেইনার পরিবহন থেকে আয় হয়েছে ৭৭ কোটি টাকা। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় হয়েছিল ৭৩ কোটি টাকার কিছু বেশি। অর্থাৎ প্রায় এক দশকের মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের আয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
এ নিয়ে টানা চতুর্থ বছর কনটেইনার পরিবহন থেকে রেলের আয় কমেছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এ খাত থেকে সর্বোচ্চ ১৩৫ কোটি টাকা আয় হয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে আয় কমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৭৭ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
অর্ধেকে নেমেছে পণ্য পরিবহন
কনটেইনার পরিবহনের পাশাপাশি সামগ্রিক পণ্য পরিবহনেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে।
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার টন পণ্য পরিবহন করেছিল। গত অর্থবছরে সেই পরিমাণ কমে প্রায় ৭ লাখ ৩০ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ কয়েক বছরের ব্যবধানে রেলের মাধ্যমে পণ্য পরিবহন প্রায় অর্ধেকে নেমেছে।
রেলের আয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে পণ্য পরিবহন গুরুত্বপূর্ণ হলেও ইঞ্জিন সংকটের কারণে সেই সম্ভাবনাই এখন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিদিন প্রয়োজন ১০-১১টি ইঞ্জিন
রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম-কামালাপুর রুটে নিয়মিত পণ্যবাহী ট্রেন চালাতে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১১টি ইঞ্জিন প্রয়োজন। কিন্তু ইঞ্জিন সংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ইঞ্জিন পাওয়া যাচ্ছে না।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মোহাম্মদ সাইফুল রহমান বলেন, পণ্যবাহী ট্রেন পরিচালনার জন্য ১০-১১টি ইঞ্জিন প্রয়োজন হলেও সংকটের কারণে তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। তবে গত মাসের তুলনায় চলতি মাসে ইঞ্জিনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে এবং বর্তমানে চার-পাঁচটি করে ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ডের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর এনামুল হক সিকদার বলেন, ইঞ্জিনের সমস্যা রয়েছে। তবে কয়েক মাস আগের তুলনায় পরিস্থিতি এখন কিছুটা ভালো। বর্তমানে সিজিপিওয়াই থেকে দুই-তিনটি কনটেইনারবাহী ট্রেন চলাচল করছে। দীর্ঘদিন ট্রেন চলাচল কম থাকায় যে কনটেইনারের স্তূপ তৈরি হয়েছিল, বর্তমানে তা আর নেই বলেও জানান তিনি।
যাত্রীবাহী ট্রেনেও চলে যাচ্ছে ইঞ্জিন
রেলওয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, পণ্যবাহী ট্রেনের জন্য সীমিতসংখ্যক ইঞ্জিন বরাদ্দ থাকার পরও যাত্রীবাহী ট্রেনে ইঞ্জিন বিকল হলে অনেক সময় পণ্যবাহী ট্রেনের জন্য নির্ধারিত ইঞ্জিন সেদিকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এর ফলে পণ্যবাহী ট্রেনের শিডিউল আরও ব্যাহত হয়। একটি ট্রেনের সময়সূচি পিছিয়ে গেলে পরবর্তী ট্রেনগুলোর ওপরও এর প্রভাব পড়ে। এতে পুরো পরিবহন ব্যবস্থায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা।
এক ট্রেনেই রেলের আয় ১৬-১৮ লাখ টাকা
রেলওয়ের অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-কামালাপুর রুটে কনটেইনার পরিবহন রেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়কারী খাত।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি কনটেইনারবাহী ট্রেন চট্টগ্রাম গুডস পোর্ট ইয়ার্ড থেকে ঢাকার আইসিডিতে গেলে রেলের প্রায় ১৬ থেকে ১৮ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় হতে পারে। কিন্তু পর্যাপ্ত ইঞ্জিনের অভাবে নিয়মিত ট্রেন চালানো না গেলে এই সম্ভাব্য আয়ও হারাচ্ছে রেলওয়ে।
ফলে ইঞ্জিন সংকট শুধু পরিবহন সমস্যাই তৈরি করছে না; এটি রেলের রাজস্ব আয়েও সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
সড়কপথে ঝুঁকছেন ব্যবসায়ীরা
রেলপথে পণ্য পরিবহন সড়কপথের তুলনায় তুলনামূলক সাশ্রয়ী হলেও সময়মতো ট্রেন না পাওয়ায় ব্যবসায়ীদের একটি অংশ সড়কপথে পণ্য পরিবহনে ঝুঁকছেন।
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ২০ ফুটের একটি কনটেইনার রেলে পরিবহনে খরচ প্রায় ৯ হাজার ৭০০ থেকে ১৬ হাজার ১০০ টাকা। সড়কপথে একই পণ্য পরিবহনের খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছানোর নিশ্চয়তার কারণে অনেক ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে সড়কপথ বেছে নিচ্ছেন।
এতে একদিকে ব্যবসায়ীদের পরিবহন ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে রেলওয়ে হারাচ্ছে সম্ভাব্য রাজস্ব।
চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার পরিবহনেও প্রভাব
ইঞ্জিন সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনায়। রেল যোগাযোগ নিয়মিত না থাকলে বন্দরের ইয়ার্ড থেকে কনটেইনার সরিয়ে নেওয়ার গতি কমে যায়। ফলে ইয়ার্ডে জায়গার সংকট ও কনটেইনার জট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।
২০২৫ সালের একটি প্রতিবেদনে রেলওয়ের অভ্যন্তরীণ তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়েছিল, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে প্রয়োজনীয় ১৩টি ইঞ্জিনের বিপরীতে মাত্র দুটি ইঞ্জিন পাওয়া যাচ্ছিল। একপর্যায়ে বন্দরের ইয়ার্ডে ১ হাজার ২০০-এর বেশি টিইইউ কনটেইনার আটকে থাকার তথ্যও উঠে আসে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত মাসে কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষ কাস্টমস ও রেলওয়েকে চিঠি দিয়েছে। রেল যোগাযোগ নিয়মিত থাকলে কনটেইনার জট কম থাকবে এবং এ যোগাযোগ নিয়মিত চালু রাখা প্রয়োজন।
ডিটেনশন-ডেমারেজের বাড়তি চাপ
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কমলাপুর আইসিডিতে কনটেইনার পরিবহন কমে যাওয়ায় আমদানিকারকদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপও তৈরি হচ্ছে।
আইসিডি কমলাপুরের কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কনটেইনার পরিবহনে অনিয়ম এবং আমদানিকারকদের ওপর ডিটেনশন ও ডেমারেজ চার্জ আরোপ বন্ধের দাবিতে গত ২৫ আগস্ট রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেয় ঢাকা কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন।
সংগঠনটির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক আহমেদের স্বাক্ষরিত চিঠিতে পর্যাপ্ত রেল ইঞ্জিনের অভাব, অনিয়মিত ট্রেন পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কথা উল্লেখ করা হয়।
চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আইসিডি কমলাপুরমুখী কনটেইনার পরিবহন কমে যাওয়ায় আইসিডির কার্যক্রম অচলাবস্থার দিকে যাচ্ছে। এতে কনটেইনার দীর্ঘদিন বন্দরে পড়ে থাকছে এবং আমদানিকারকদের ডিটেনশন ও ডেমারেজ চার্জ দিতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ এবং সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহে ঝুঁকি
চট্টগ্রাম চেম্বারের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ইঞ্জিন সংকটে পণ্যবাহী ট্রেন কমে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা সময়মতো পণ্য পরিবহন করতে পারছেন না। এতে আমদানিকারকদের খরচ বাড়ার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায়ও চাপ তৈরি হচ্ছে।
তার মতে, অনেক সময় ঢাকার আইসিডিতে কনটেইনার পাঠানো যায় না। আবার শিল্পকারখানায় প্রয়োজনীয় কাঁচামালও সময়মতো পৌঁছানো সম্ভব হয় না। এর ফলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিকদের বেতন পরিশোধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে।
তিনি দ্রুত পর্যাপ্ত ইঞ্জিনের ব্যবস্থা করে পণ্যবাহী ট্রেনের নিয়মিত শিডিউল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।
সমাধানের অপেক্ষায় রেলওয়ে
রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ইঞ্জিনের সংখ্যা কিছুটা বাড়ায় বর্তমানে আগের তুলনায় পণ্যবাহী ট্রেন চলাচলও বেড়েছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ইঞ্জিন এখনো অপ্রতুল।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যাপ্ত ইঞ্জিন নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম-কামালাপুরসহ গুরুত্বপূর্ণ রুটে পণ্যবাহী ট্রেনের নিয়মিত শিডিউল ফিরিয়ে আনা গেলে রেলের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি বন্দরের কনটেইনার ব্যবস্থাপনাও স্বাভাবিক হবে।
অন্যদিকে ইঞ্জিন সংকট দীর্ঘায়িত হলে রেলের রাজস্ব আয় কমার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরকেন্দ্রিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম, শিল্পকারখানায় কাঁচামাল সরবরাহ এবং দেশের সামগ্রিক সরবরাহ ব্যবস্থায় এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টরা।

