বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে এ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ডা. এনসি বাড়ই কমিটিটির অনুমোদন দেন।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর জেলা শাখার পক্ষ থেকে নতুন এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গাবতলী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের অস্থায়ী কার্যালয় মায়া ফার্মেসিতে উপজেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন অলক চৌধুরী।
সভায় সংগঠনের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরে উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ৭১ সদস্যবিশিষ্ট উপজেলা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
নতুন কমিটিতে যারা দায়িত্ব পেলেন
অনুমোদিত ৭১ সদস্যের কমিটিতে অলক চৌধুরী, ননী গোপাল পাল ও রঞ্জন রায়কে সভাপতি করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট রীতাশ সরকার, বিকাশ চন্দ্র রায় ও মিঠু অধিকারী পেয়েছেন সহ-সভাপতির দায়িত্ব।
অশোক কুমার সাহা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। সুমন কর্মকার, পলাশ সাহা ও স্বপন রায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং লিটন চন্দ্র দাস সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
এ ছাড়া প্রদীপ চন্দ্র মজুমদার, পতিত পাবন মন্ডল ও তন্ময় অধিকারী (তনু) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাধন চক্রবর্তী কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটির অন্য সদস্যদের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটি অনুমোদনের মধ্য দিয়ে গাবতলী উপজেলায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রীতি ও ঐক্য ধরে রাখার প্রত্যয়
নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তারা বলেন, উপজেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে আরও বিস্তৃত করা হবে। একই সঙ্গে সংগঠনের ঘোষিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নতুন কমিটি দায়িত্ব নেওয়ার পর সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ, সদস্যদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার বিষয়ে কাজ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

