ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

‘বড় ম্যাচ জেতায় বিশেষ মুহূর্তই পার্থক্য গড়ে দেয়’—আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী সাকা

ক্রিয়া প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১২:৫১ পিএম

‘বড় ম্যাচ জেতায় বিশেষ মুহূর্তই পার্থক্য গড়ে দেয়’—আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী সাকা

ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শক্তিশালী আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ইংল্যান্ড শিবির। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য উইঙ্গার বুকায়ো সাকা মনে করেন, এমন উচ্চপর্যায়ের ম্যাচে জয়-পরাজয়ের ব্যবধান গড়ে দেয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। আর সেই মুহূর্তগুলো নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসার মতো প্রতিভাবান ফুটবলার ইংল্যান্ড দলে রয়েছে বলেই বিশ্বাস তার।

সেমিফাইনালকে সামনে রেখে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সাকা বলেন, বড় ম্যাচে দীর্ঘ সময় ধরে আধিপত্য বিস্তার করাই সব নয়; বরং নির্দিষ্ট কিছু মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত, নিখুঁত ফিনিশিং এবং দৃঢ় মানসিকতাই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে।

তিনি বলেন, "অনেক সময় একটি ম্যাচের ফল নির্ধারণ হয় মাত্র কয়েকটি বিশেষ মুহূর্তে। আমাদের দলে এমন অনেক খেলোয়াড় রয়েছে, যারা সেই মুহূর্তগুলো তৈরি করতে পারে। তাই পুরো ম্যাচজুড়ে আমাদের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে এবং নিজেদের জালে বল ঢুকতে দেওয়া যাবে না। এরপর আমরা জানি, আক্রমণভাগে আমাদের কেউ না কেউ জাদুকরী কিছু করে ম্যাচটি জিতিয়ে দিতে পারে।"

রক্ষণে শৃঙ্খলা, আক্রমণে সৃজনশীলতা—ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা

সাকার বক্তব্যে স্পষ্ট, ইংল্যান্ডের মূল কৌশল হবে রক্ষণে শৃঙ্খলা বজায় রেখে সুযোগ পেলেই দ্রুত পাল্টা আক্রমণে আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলা। কারণ প্রতিপক্ষের দলে বিশ্বমানের আক্রমণভাগ থাকলেও ইংল্যান্ডও নিজেদের ফরোয়ার্ড লাইনের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছে।

দলের কোচিং স্টাফও খেলোয়াড়দের বারবার স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন, এমন ম্যাচে ছোট একটি ভুলই বড় মূল্য চোকাতে বাধ্য করতে পারে। তাই ৯০ মিনিট কিংবা অতিরিক্ত সময়জুড়ে মনোযোগ ধরে রাখাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব

বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় এই সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের দুই শক্তিশালী দল। একদিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে শিরোপার স্বপ্নে বিভোর ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগে সাকার পাশাপাশি আরও কয়েকজন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও বড় ম্যাচে অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তায় এগিয়ে। ফলে কৌশল, ধৈর্য এবং ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সমন্বয়ই নির্ধারণ করতে পারে কে উঠবে বিশ্বকাপের ফাইনালে।

বিশ্লেষণ

বুকায়ো সাকার মন্তব্য আধুনিক ফুটবলের বাস্তবতাকেই তুলে ধরে। নকআউট পর্বের ম্যাচগুলোতে সাধারণত দুই দলের মধ্যকার ব্যবধান খুবই কম থাকে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সফল কাউন্টার অ্যাটাক, একটি নিখুঁত সেট-পিস, কিংবা একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত দক্ষতাই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে। তাই আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালেও রক্ষণে শৃঙ্খলা ও আক্রমণে কার্যকরতা—এই দুই দিকই হবে জয়ের প্রধান চাবিকাঠি।

 

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!