ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

ডিএসসিসির রাজস্ব কর্মকর্তা আতাহার আলীর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬, ০১:২৮ পিএম

ডিএসসিসির রাজস্ব কর্মকর্তা আতাহার আলীর বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

ছবিঃ সংগৃহীত

দোকান হস্তান্তরে লাখ লাখ টাকা ঘুষ আদায়ের অভিযোগ; জাল সনদ, চাকরিচ্যুতি, দুদকের মামলা ও বিলাসবহুল সম্পদ নিয়ে নতুন বিতর্ক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আতাহার আলী খানের বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন মার্কেটের দোকান মালিকদের অভিযোগ, দোকানের মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে সরকারি ফি ছাড়াও প্রতি দোকানে ২ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হয়। ঘুষ না দিলে বিভিন্ন অজুহাতে ফাইল আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কাপ্তানবাজার, আহসান মঞ্জিল, ফুলবাড়িয়া, সুন্দরবন সুপার মার্কেটসহ বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। একই সঙ্গে জাতীয় বীরদের নামে বরাদ্দ বিশেষ সরকারি প্রকল্প থেকেও অনিয়মের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

চাকরিজীবনে একাধিকবার বরখাস্ত, জাল শিক্ষাগত সনদের অভিযোগ, আদালতের আদেশে পুনর্বহাল, দুদকের মানিলন্ডারিং মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও কারাদণ্ডসহ নানা বিতর্কও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, মামলা চলমান থাকা অবস্থায়ও তিনি করপোরেশনের তহবিল থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বকেয়া বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন।

এছাড়া নরসিংদীতে বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স বাড়ি, রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে কোটি টাকার ফ্ল্যাট এবং দামি এসইউভি গাড়ির মালিকানা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. আতাহার আলী খান। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আদালতের আদেশে বৈধভাবে চাকরিতে বহাল হয়েছেন এবং তার সব সম্পদ বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত।

এ বিষয়ে ডিএসসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ বলেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!