কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জামায়াত নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলে শাহরিয়ার জামান রানা (৫০) ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার গচিহাটা এলাকায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, পূর্বধুলদিয়া গ্রামের তাজুল ইসলাম (৩৫) শাহরিয়ার জামান রানার বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
কথা-কাটাকাটির জেরে ছুরিকাঘাত
গোয়েন্দা সূত্রের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ছুরিকাঘাতের ঘটনার আগে গচিহাটা কলেজের ভেতরে চার থেকে পাঁচজন মাদকসেবীর সঙ্গে শাহরিয়ার জামান রানার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি তাঁদের একজনকে চড়-থাপ্পড় মারেন বলে জানা গেছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই ঘটনার জের ধরেই পরবর্তী সময়ে তাঁর ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কী কারণে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল এবং হামলার পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাসপাতালে চিকিৎসা, ঢাকায় স্থানান্তর
ছুরিকাঘাতে শাহরিয়ার জামান রানার বুকের ডান পাশে আঘাত লাগে। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
ঘটনার পেছনে কী কারণ?
স্থানীয় পর্যায়ে এ ঘটনা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, গচিহাটা কলেজে কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, হামলাকারীর সঙ্গে আহত ব্যক্তির পূর্বপরিচয় এবং ছুরিকাঘাতের পেছনে অন্য কোনো বিরোধ ছিল কি না, তা বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে।
এ ঘটনায় হামলাকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

