ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

আর্থিক সীমাবদ্ধতায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে জটিলতা, কাটছাঁট ও ধাপভিত্তিক কার্যকরের চিন্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৭, ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে জটিলতা, কাটছাঁট ও ধাপভিত্তিক কার্যকরের চিন্তা

ছবিঃ সংগৃহীত

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ঘোষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি সরকার। বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট এবং ভাতা কাঠামো সমন্বয় করতে গিয়ে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জটিলতা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সুপারিশ চূড়ান্ত করতে আরও অন্তত দুটি বৈঠক হতে পারে। এরপর অর্থমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ পাঠানো হবে এবং সরকারের অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশ করা হবে।

জানা গেছে, শুরুতে নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এখন দুই ধাপে বাস্তবায়নের বিকল্পও আলোচনায় রয়েছে। কারণ, গত কয়েক বছরের বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ফলে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন বেড়ে যাওয়ায় কমিশনের সুপারিশের আংশিক বাস্তবায়নে প্রত্যাশিত বেতন বৃদ্ধি নাও হতে পারে।

সর্বশেষ আলোচনায় ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন কার্যকর এবং ২০২৭-২৮ অর্থবছর থেকে নতুন ভাতা চালুর প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। তবে প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক বাস্তবতার কারণে তিন ধাপেও বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে সরকার ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হিসেবে গণ্য করার কথা জানালেও এখনো গেজেট প্রকাশ হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গেজেট, প্রশাসনিক আদেশ এবং সফটওয়্যার হালনাগাদের কাজ শেষ হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে জুলাই থেকে প্রাপ্য বর্ধিত বেতন-ভাতা অক্টোবর মাসে বকেয়াসহ পরিশোধ করা হতে পারে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ২৫ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া নতুন পে-স্কেলের আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!