ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬

menu

রোববার নতুন পে-স্কেলে বেতন, বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ১০:৩০ এএম

রোববার নতুন পে-স্কেলে বেতন, বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা

ছবিঃ সংগৃহীত

নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী তিন মাসের বকেয়াসহ বর্ধিত বেতন পাওয়ার কথা সরকারি চাকরিজীবীদের। সে লক্ষ্যে আগামীকাল রোববার (১ নভেম্বর) বেতন পরিশোধের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। তবে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ না হওয়ায় অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্ধারিত সময়ে বর্ধিত বেতন ও বকেয়া পাচ্ছেন না। তাঁদের আপাতত আগের বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করে বর্ধিত অর্থ ও বকেয়া সমন্বয় করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বেতন-ভাতা ও পেনশন নতুন কাঠামোর আওতায় আসার কথা। তবে তাঁদের একটি বড় অংশের বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি। গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড, বাড়িভাড়া ভাতা, পদোন্নতির পর আর্থিক সুবিধা এবং সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইবাস++-এর জটিলতায় প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের শুরুতেই এমন জটিলতা দেখা দেওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, বেতন নির্ধারণের নিয়মে কিছু অসংগতি থাকায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারী উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীর চেয়ে বেশি মূল বেতন পাচ্ছেন। আবার পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পরও কারও কারও মোট আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

১ নভেম্বর বর্ধিত বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কাজ চলছে। কিন্তু অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নির্ধারণ এখনো সম্পন্ন হয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবার বর্ধিত বেতন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

যাঁদের বেতন নির্ধারণের কাজ শেষ হয়নি, তাঁদের আপাতত পুরোনো কাঠামো অনুযায়ী বেতন দেওয়া হবে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ শেষ হলে বর্ধিত অর্থ এবং প্রাপ্য বকেয়া পরবর্তী সময়ে সমন্বয় করে দেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে নতুন বেতন নির্ধারণে দেখা দেওয়া বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে আবেদন করেছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে এসব আবেদনের অনেকটির এখনো নিষ্পত্তি হয়নি বলে জানা গেছে। একাধিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সমস্যার সমাধান ১ নভেম্বরের আগে করা সম্ভব হচ্ছে না।

অর্থ বিভাগের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন তৈরি ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা ও জানাশোনার ঘাটতির কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের কাজ চলছে। এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শও নেওয়া হচ্ছে।

১১তম গ্রেডের চেয়ে ১২তম গ্রেডে মূল বেতন বেশি হওয়ার অভিযোগ

নতুন বেতনকাঠামোয় সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি হয়েছে গ্রেডভিত্তিক মূল বেতনের ক্রম নিয়ে। জাতীয় বেতনকাঠামো ২০২৬ অনুযায়ী, ১১তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৫ হাজার টাকা এবং ১২তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। অর্থাৎ শুরুতে ১১তম গ্রেডের কর্মচারীরা ১২তম গ্রেডের কর্মচারীদের চেয়ে ৭০০ টাকা বেশি মূল বেতন পাওয়ার কথা।

কিন্তু কর্মচারীদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণের পর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে।

তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, ১১তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর ২০১৫ সালের বেতনকাঠামোয় প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ২০২৬ সালের ৩০ জুন তাঁর মূল বেতন দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৬৬০ টাকা। অর্থাৎ আগের কাঠামোয় মূল বেতন বেড়েছিল ১১ হাজার ১৬০ টাকা। নতুন কাঠামোর প্রারম্ভিক বেতন ২৫ হাজার টাকার সঙ্গে এই বৃদ্ধি যোগ করলে দাঁড়ায় ৩৬ হাজার ১৬০ টাকা। পরবর্তী বেতনধাপ অনুযায়ী তাঁর নতুন মূল বেতন নির্ধারণ হচ্ছে ৩৭ হাজার টাকা।

অন্যদিকে ১২তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর ২০১৫ সালের প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ১১ হাজার ৩০০ টাকা। ২০২৬ সালের ৩০ জুন তাঁর মূল বেতন দাঁড়ায় ২৩ হাজার ৫৮০ টাকা। অর্থাৎ আগের কাঠামোয় বেতন বেড়েছিল ১২ হাজার ২৮০ টাকা। নতুন কাঠামোর প্রারম্ভিক বেতন ২৪ হাজার ৩০০ টাকার সঙ্গে এই বৃদ্ধি যোগ করলে দাঁড়ায় ৩৬ হাজার ৫৮০ টাকা। পরবর্তী বেতনধাপ অনুযায়ী তাঁর নতুন মূল বেতন নির্ধারণ হচ্ছে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা।

ফলে প্রারম্ভিক বেতনে এগিয়ে থাকা ১১তম গ্রেডের কর্মচারী নতুন কাঠামোয় মূল বেতন পাচ্ছেন ৩৭ হাজার টাকা। আর ১২তম গ্রেডের কর্মচারী পাচ্ছেন ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা। অর্থাৎ নিম্ন গ্রেডের কর্মচারী ৭০০ টাকা বেশি মূল বেতন পাচ্ছেন।

কর্মচারীদের অভিযোগ, বেতন নির্ধারণের এই পদ্ধতিতে গ্রেডের স্বাভাবিক ক্রম ও পার্থক্য বজায় থাকছে না। এতে একই ধরনের দায়িত্ব ও চাকরির অভিজ্ঞতা থাকা কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হতে পারে।

ধাপে ধাপে বেতন বাড়লেও ব্যবধান থাকার আশঙ্কা

নতুন প্রজ্ঞাপনের অনুচ্ছেদ ৫ ও ৯ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন নির্ধারণ করে বর্তমান বেতনের সঙ্গে নতুন নির্ধারিত বেতনের পার্থক্যের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে সুবিধা কার্যকর করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

কর্মচারীদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ৫০ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হলে ১১তম গ্রেডের মূল বেতন দাঁড়াবে ৩১ হাজার ২৩০ টাকা এবং ১২তম গ্রেডের ৩১ হাজার ৫৯০ টাকা। এ ক্ষেত্রে ১২তম গ্রেডের কর্মচারী ৩৬০ টাকা বেশি পাবেন।

একইভাবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭৫ শতাংশ সুবিধা কার্যকর হলে ১১তম গ্রেডের মূল বেতন হবে ৩৫ হাজার ১৫ টাকা এবং ১২তম গ্রেডের ৩৫ হাজার ৫৯৫ টাকা। তখন দুই গ্রেডের ব্যবধান দাঁড়াবে ৫৮০ টাকা।

আর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে শতভাগ সুবিধা কার্যকর হলে ১১তম গ্রেডের বেতন হবে ৪০ হাজার ৮০০ টাকা এবং ১২তম গ্রেডের ৪১ হাজার ৬০০ টাকা। তখন ব্যবধান বেড়ে দাঁড়াবে ৮০০ টাকা।

কর্মচারীদের দাবি, বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা না করলে নতুন কাঠামোর বিভিন্ন পর্যায়েও গ্রেডভিত্তিক বেতনের অসংগতি থেকে যেতে পারে।

পদোন্নতির পরও কমতে পারে মোট আয়

নতুন বেতনকাঠামোয় বাড়িভাড়া ভাতার হার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাঁদের দেওয়া একটি হিসাব অনুযায়ী, দশম গ্রেডের একজন কর্মকর্তা ১০ বছর চাকরি পূর্ণ করার পর নবম গ্রেডে পদোন্নতি বা প্রথম উচ্চতর গ্রেড পেলে মূল বেতন বাড়লেও মোট আয় কমে যেতে পারে।

হিসাব অনুযায়ী, দশম গ্রেডে ওই কর্মকর্তার মূল বেতন ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। এ বেতনের ওপর ৫০ শতাংশ হারে বাড়িভাড়া ভাতা হবে ২৪ হাজার ৮৫০ টাকা। ফলে মূল বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতা মিলিয়ে মোট দাঁড়ায় ৭৪ হাজার ৫৫০ টাকা।

অন্যদিকে নবম গ্রেডে পদোন্নতির পর মূল বেতন বেড়ে ৫১ হাজার টাকা হলেও বাড়িভাড়া ভাতার হার কমে ৪৫ শতাংশ হওয়ায় তা দাঁড়াবে ২২ হাজার ৯৫০ টাকা। ফলে মূল বেতন ও বাড়িভাড়া ভাতা মিলিয়ে মোট হবে ৭৩ হাজার ৯৫০ টাকা।

অর্থাৎ পদোন্নতির পর মূল বেতন ১ হাজার ৩০০ টাকা বাড়লেও বাড়িভাড়া ভাতা কমবে ১ হাজার ৯০০ টাকা। এতে দুই খাত মিলিয়ে মাসিক আয় ৬০০ টাকা কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কর্মচারীদের মতে, পদোন্নতির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আর্থিক ও পেশাগত সুবিধা বৃদ্ধি। কিন্তু বাড়িভাড়া ভাতার হার পরিবর্তনের কারণে পদোন্নতির পরই কারও মোট আয় কমে গেলে তা নতুন বেতনকাঠামোর উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

উচ্চতর গ্রেডে জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতা নিয়ে অসংগতি

উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্যতা এবং চাকরির মেয়াদ নির্ধারণ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাঁদের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ৩০ জুন যাঁদের চাকরির বয়স আট বছর পূর্ণ হয়েছে এবং যাঁদের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁদের উভয়কেই ১ জুলাই থেকে প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে।

এতে একই গ্রেডের জ্যেষ্ঠ ও অপেক্ষাকৃত জুনিয়র কর্মকর্তার মূল বেতন সমান হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বেতন নির্ধারণের ধাপের কারণে জুনিয়র কর্মকর্তার মূল বেতন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার চেয়েও বেশি হতে পারে।

কর্মচারীদের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, দুবার উচ্চতর গ্রেড পেতে কোনো জুনিয়র কর্মকর্তার ১৪ বছর লাগলেও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার ক্ষেত্রে সময় লাগতে পারে ১৬ বছর। তাঁদের মতে, উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্যতা, চাকরির মেয়াদ এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে বেতন নির্ধারণের নিয়ম স্পষ্ট করা জরুরি।

আইবাস++ পদ্ধতির জটিলতায় আটকে বেতন নির্ধারণ

নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে আরেকটি বড় বাধা হিসেবে সামনে এসেছে সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইবাস++। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ, নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করতে গিয়ে এ ব্যবস্থায় বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিয়েছে।

আইবাস++ সরকারের বাজেট ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ, বেতন বিল তৈরি, অর্থ পরিশোধ, সরকারি আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণসহ বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম এ ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

নতুন বেতনকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতন নির্ধারণের নিয়ম ও তথ্য হালনাগাদ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে জানা গেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের অভিযোগ, এ কাজে অভিজ্ঞ জনবল যথাযথভাবে কাজে লাগানো হয়নি। ফলে নতুন কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি এবং কারিগরি জটিলতা মিলিয়ে বেতন নির্ধারণের কাজ ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

দ্রুত অসংগতি দূর করার দাবি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের

নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর হওয়ার আগেই গ্রেডের ক্রম, বাড়িভাড়া ভাতা, পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেড নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলোর দ্রুত সমাধান চান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

তাঁদের মতে, বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে এমন কোনো পদ্ধতি থাকা উচিত নয়, যাতে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারী উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীর চেয়ে বেশি মূল বেতন পান কিংবা পদোন্নতির পর কারও মোট আয় কমে যায়। একই সঙ্গে জ্যেষ্ঠতা ও চাকরির অভিজ্ঞতার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতা দ্রুত দূর করা না গেলে শুধু বেতন পরিশোধে বিলম্ব নয়, ভবিষ্যতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের শুরুতেই একাধিক অসংগতি ও প্রশাসনিক জটিলতা সামনে এসেছে। এখন অর্থ বিভাগের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো—নির্ধারিত সময়ে বেতন পরিশোধের পাশাপাশি গ্রেডভিত্তিক বৈষম্য, ভাতা নির্ধারণ ও উচ্চতর গ্রেডের অস্পষ্টতা দূর করে একটি স্বচ্ছ ও সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতনব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!