সার বিতরণব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। নতুন ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’-এর মাধ্যমে একদিকে সার ডিলার নিয়োগ ও বিতরণপ্রক্রিয়াকে আরও সুনির্দিষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে আগের নীতিমালায় বাতিল করা খুচরা সার বিক্রেতা বা সাব-ডিলার ব্যবস্থাও নতুন কাঠামোয় ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
তবে এবার খুচরা বিক্রেতাদের আগের মতো অনানুষ্ঠানিকভাবে সার বিক্রির সুযোগ থাকছে না। তাদের নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় এনে আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক, নির্ধারিত যোগ্যতা, আবেদন, যাচাই-বাছাই, নিয়োগ, নবায়ন ও কার্যক্রম মূল্যায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনিয়ম বা নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইডি বাতিলের সুযোগও রাখা হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সার ডিলার নিয়োগ, বরাদ্দ ও বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
কেন আবার ফিরল খুচরা বিক্রেতা ব্যবস্থা
২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৫’ প্রণয়ন করে। ওই নীতিমালায় সাব-ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।
তখন ইউনিয়ন পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিলারকে তার অধিক্ষেত্রে নির্ধারিত তিনটি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে একটি করে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন এলাকাতেও প্রয়োজন অনুযায়ী ডিলারের নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের বিধান রাখা হয়েছিল।
নীতিমালায় আলাদা কোনো সাব-ডিলার বা খুচরা সার বিক্রেতা না রাখার কথা বলা হয়েছিল। ডিলারকে কৃষক ছাড়া অন্য কোনো বিক্রেতার কাছে সার বিক্রি না করার এবং নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্র ছাড়া অন্য কারও মাধ্যমে সার সরবরাহ না করার বিধানও ছিল।
পরে ৯ আগস্ট ২০২৬ সালে নীতিমালা সংশোধন করা হলেও খুচরা বিক্রেতা ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল ছিল। সংশোধিত নীতিমালায় একজন ডিলারের অধিক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিনটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র রাখার সুযোগ তৈরি করা হয়। এর মধ্যে একটি ডিলার নিজে এবং অন্য দুটি ডিলারের মনোনীত সার বিক্রয় প্রতিনিধির মাধ্যমে পরিচালনার ব্যবস্থা রাখা হয়।
এরপর ২৭ আগস্ট ২০২৬ ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়। নতুন নীতিমালায় খুচরা বিক্রেতাদের আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে।
একজন ডিলারের অধীনে ৩ খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ইউনিয়ন, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন পর্যায়ে প্রত্যেক সার ডিলারের অধিক্ষেত্রে তিনটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র থাকবে।
এর মধ্যে একটি বিক্রয়কেন্দ্র ডিলার নিজে পরিচালনা করবেন। অন্য দুটি কেন্দ্র উপজেলা বা জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে খুচরা বিক্রেতা নিয়োগ দেবে উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি। আর সিটি করপোরেশন এলাকায় এ দায়িত্ব পালন করবে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি।
খুচরা বিক্রেতারা তাদের নির্ধারিত এলাকার কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি করবেন। সার বিক্রয়সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা উভয়কেই সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
খুচরা বিক্রেতা হতে কী যোগ্যতা লাগবে
নতুন নীতিমালায় খুচরা সার বিক্রেতা হওয়ার জন্য বেশ কিছু যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া নাগরিকত্ব সনদ জমা দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীর ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএন থাকতে হবে।
খুচরা বিক্রেতার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং চলাচলে সক্ষম হতে হবে। একই সঙ্গে আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়াও যোগ্যতার অংশ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর একটি হলো গুদাম। খুচরা বিক্রেতার বিক্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি নিজস্ব অথবা ভাড়ায় নেওয়া কমপক্ষে ৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদাম থাকতে হবে।
গুদামের ভিটি স্বাভাবিক বন্যাসীমার চেয়ে উঁচু এবং পাকা হতে হবে। খাবারের দোকান, রেস্টুরেন্ট, গোখাদ্য, মাছের খাবার বা সবজি দোকানের সঙ্গে একই স্থানে সার গুদাম করা যাবে না। একইভাবে সারের গুদামে বীজ সংরক্ষণও করা যাবে না।
আইডি কার্ড ছাড়া খুচরা সার বিক্রি নয়
নতুন নীতিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো খুচরা বিক্রেতাদের জন্য আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক করা।
নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন, যাচাই-বাছাই ও নিয়োগের পর যোগ্য ব্যক্তিকে খুচরা বিক্রেতার আইডি কার্ড দেওয়া হবে। আইডি পাওয়ার জন্য আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা।
আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে অফেরতযোগ্য ১ হাজার টাকার পোস্টাল অর্ডার, পে-অর্ডার অথবা ডিমান্ড ড্রাফট জমা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তি ছাড়া নিয়োগ নয়
নতুন নীতিমালায় খুচরা বিক্রেতা নিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
কোনো এলাকায় খুচরা বিক্রেতার পদ শূন্য থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট জেলা বা উপজেলার ওয়েবসাইটে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে কোন ইউনিয়নের কোন ওয়ার্ড, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের কোন এলাকায় খুচরা বিক্রেতা নিয়োগ দেওয়া হবে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। বিজ্ঞপ্তি ছাড়া খুচরা বিক্রেতা নিয়োগের জন্য কোনো আবেদন গ্রহণ করা যাবে না।
বিজ্ঞপ্তির ব্যাপক প্রচারের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা ভূমি অফিস, বিআরডিবি অফিস, সমবায় অফিস, থানা, স্থানীয় বিএডিসি ও বিসিআইসি কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রচারের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিটি ইউনিয়নে ৬ খুচরা বিক্রেতা
নীতিমালায় বিভিন্ন এলাকায় খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ছয়জন এবং পৌরসভায় ছয়জন খুচরা বিক্রেতা নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী খুচরা বিক্রেতার সংখ্যা নির্ধারণ করা হবে।
বিদ্যমান খুচরা বিক্রেতাদের বহাল রেখে যেসব ইউনিটে শূন্যতা থাকবে, সেসব শূন্য পদের বিপরীতে নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে।
আবেদন পাওয়ার পর জেলা বা উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটি তা রেকর্ডভুক্ত করে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে পাঠাবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সরেজমিনে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করে মতামতসহ আবেদন কমিটির কাছে পাঠাবেন। এরপর কমিটি যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা শেষে যোগ্য আবেদনকারী নির্বাচন করবে।
দুই বছর পরপর আইডি নবায়ন
খুচরা বিক্রেতাদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি রাখতেও নতুন নিয়ম করা হয়েছে। নিয়োগের পর নির্দিষ্ট সময় পরপর আইডি কার্ড নবায়ন করতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, ডিলারশিপ ও খুচরা বিক্রেতার আইডি কার্ড প্রতি দুই বছর অন্তর নবায়ন করতে হবে। নবায়নের সময় সংশ্লিষ্ট বিক্রেতার কার্যক্রম, নিয়ম মেনে সার বিক্রি, গুদাম ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য শর্ত পর্যালোচনা করা হতে পারে।
সার বিক্রিতে অনিয়ম, অতিরিক্ত দাম নেওয়া, নীতিমালা লঙ্ঘন কিংবা নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করলে আইডি বাতিলের সুযোগ থাকবে।
অনিয়মে দণ্ডিতরা খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন না
নতুন নীতিমালায় অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের খুচরা সার বিক্রির সুযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে।
সার বিক্রয়সহ অন্যান্য ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অনিয়মের দায়ে আগে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি খুচরা বিক্রেতা হিসেবে আবেদন, নিয়োগ বা পুনঃনিয়োগ পেতে পারবেন না।
এ ছাড়া কোনো ফৌজদারি বা অন্য কোনো আইনে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিও সাধারণভাবে আবেদন করার ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন। তবে ফৌজদারি অপরাধে সাজা ভোগের দুই বছর পর আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
কোনো বিধিবদ্ধ সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিরাও সার খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন না।
একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ওপর বিধিনিষেধ
সার ব্যবসায় প্রভাবশালী ব্যক্তি বা একই পরিবারের একাধিক সদস্যের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ তৈরির সুযোগ কমাতেও বিধিনিষেধ রাখা হয়েছে।
একই পরিবারের একজনের ডিলারশিপ বা খুচরা বিক্রেতার আইডি থাকলে পরিবারের অন্য সদস্যের ডিলার বা খুচরা বিক্রেতা হওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে।
পরিবারের সদস্য হিসেবে বাবা, মা, স্বামী, স্ত্রী, ছেলে, ছেলের স্ত্রী, অবিবাহিত মেয়ে এবং একই খানায় বসবাসকারী ভাই-বোনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সার বিতরণে জবাবদিহি বাড়ানোর লক্ষ্য
নতুন নীতিমালার মাধ্যমে সার সরবরাহ ব্যবস্থায় ডিলারের পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতার কার্যক্রমও নজরদারির আওতায় আসছে। ফলে কোনো এলাকায় সার সরবরাহ, মজুত, বিক্রি কিংবা মূল্য নিয়ে অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট ডিলার ও খুচরা বিক্রেতার দায় নির্ধারণের সুযোগ থাকবে।
কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দেওয়া, কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় বন্ধ করা এবং সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনাই নতুন কাঠামোর অন্যতম উদ্দেশ্য বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি অর্থনীতিবিদ (সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং) শাহনাজ আক্তার বলেন, ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’ প্রণয়ন করার পর তা কার্যকর করা হয়েছে। কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে আগের নীতিমালা বাতিল হয়ে গেছে।
নতুন নীতিমালার ফলে সার ডিলার নিয়োগের পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতাদের কার্যক্রমও একটি নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আসবে। আইডি কার্ড, নির্ধারিত গুদাম, স্থানীয় বাসিন্দার প্রমাণ, ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএনসহ বিভিন্ন শর্ত আরোপের ফলে সার বিক্রয় ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি বাড়বে বলে আশা করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
কৃষকদের জন্য এর অর্থ কী?
নতুন ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে কৃষকরা স্থানীয় পর্যায়ে নির্ধারিত বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সরকার নির্ধারিত দামে সার কেনার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে অনুমোদনহীন ব্যক্তি বা অনিবন্ধিত বিক্রেতার মাধ্যমে সার বিক্রির সুযোগ কমবে।
তবে নতুন ব্যবস্থার সফলতা অনেকটাই নির্ভর করবে নিয়োগপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিয়মিত বাজার মনিটরিং, মজুত যাচাই এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর। নীতিমালায় এসব বিষয়ে কাঠামো নির্ধারণ করা হলেও মাঠপর্যায়ে এর যথাযথ বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সংক্ষেপে নতুন নীতিমালার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো—
খুচরা সার বিক্রেতা ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিরেছে।
একজন ডিলারের অধীনে থাকবে তিনটি খুচরা বিক্রয়কেন্দ্র।
খুচরা বিক্রেতার জন্য আইডি কার্ড বাধ্যতামূলক।
আইডির আবেদন ফি ১ হাজার টাকা।
ন্যূনতম ৫ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার গুদাম থাকতে হবে।
জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিকত্ব সনদ, ট্রেড লাইসেন্স ও টিআইএন প্রয়োজন।
ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ছয়জন করে খুচরা বিক্রেতার ব্যবস্থা।
প্রতি দুই বছর অন্তর আইডি নবায়ন করতে হবে।
অনিয়মে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তি খুচরা বিক্রেতা হতে পারবেন না।
সরকারি/আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিরা এ ব্যবসায় যুক্ত হতে পারবেন না।
নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় পত্রিকা ও সরকারি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিধান রাখা হয়েছে।

