ঢাকা বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

menu

ঢাকার মেট্রোরেলে আড়াই লাখ কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা, বড় চুক্তি পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি

ঢাকা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২৬, ০৯:২২ এএম

ঢাকার মেট্রোরেলে আড়াই লাখ কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা, বড় চুক্তি পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি

ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় গণপরিবহনব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও যানজট কমানোর লক্ষ্যে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এসব প্রকল্পে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানের অর্থায়নে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্যাকেজের কাজ পেয়েছে ভারতের অবকাঠামো নির্মাণ প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)।

চুক্তির আওতায় রেললাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থা, ট্র্যাকশন সাবস্টেশন, সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। প্রকল্পের এসব কারিগরি ব্যবস্থা চালু হলে মেট্রোরেল পরিচালনা, ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এলঅ্যান্ডটি ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি পেয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, কাজগুলো রেললাইন ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো এবং সংকেত ও টেলিযোগাযোগব্যবস্থা নির্মাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল প্রকল্পে এই চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাঁচ হাজার কোটি রুপির বেশি মূল্যের চুক্তি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলঅ্যান্ডটির পরিবহন অবকাঠামো বিভাগ ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (মেট্রোরেল লাইন-১) দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের নকশা ও নির্মাণকাজের দায়িত্ব পেয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় চুক্তি দুটির সম্মিলিত মূল্য পাঁচ হাজার কোটি রুপির বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তির প্যাকেজ দুটি হলো—কন্ট্রাক্ট প্যাকেজ সিপি০৯ এবং সিপি১০। এর মধ্যে সিপি০৯-এর আওতায় রেললাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক অবকাঠামোর কাজ করা হবে। অন্যদিকে সিপি১০-এর আওতায় থাকবে সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন।

মেট্রোরেল পরিচালনায় এসব ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেললাইন ট্রেন চলাচলের অবকাঠামো তৈরি করবে, বিদ্যুৎব্যবস্থা ট্রেন ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির পরিচালনায় শক্তি সরবরাহ করবে। সংকেতব্যবস্থা ট্রেন চলাচল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে এবং টেলিযোগাযোগব্যবস্থা পরিচালনাকেন্দ্র, ট্রেন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করবে।

প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মধ্যবর্তী অংশে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করবে। ফলে এসব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর মেট্রোরেল লাইন-১-এর সমন্বিত পরিচালনব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ আরও এগিয়ে যাবে।

সিপি০৯ প্যাকেজে রেললাইন ও বিদ্যুৎব্যবস্থা

এলঅ্যান্ডটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিপি০৯ প্যাকেজের আওতায় প্রতিষ্ঠানটি জাপানি অংশীদার সুমিতোমো করপোরেশনের সঙ্গে কাজ করবে। এ প্যাকেজে পুরো রুটে রেললাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থা, ট্র্যাকশন সাবস্টেশন এবং ওভারহেড ক্যাটেনারি ব্যবস্থাসহ সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক অবকাঠামোর নকশা ও নির্মাণের কাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, স্থাপন, পরীক্ষা এবং চালুর কাজও প্যাকেজটির আওতায় থাকবে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

মেট্রোরেলের মতো বৃহৎ গণপরিবহন প্রকল্পে বিভিন্ন কারিগরি ব্যবস্থার সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রেললাইন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ট্রেন পরিচালনার অন্যান্য ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকলে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করা কঠিন। এ কারণে সিপি০৯ প্যাকেজের কাজ প্রকল্পটির পরিচালন সক্ষমতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সিপি১০ প্যাকেজে সংকেত, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্ম ডোর

সিপি১০ প্যাকেজের আওতায় মেট্রোরেল লাইন-১-এর পুরো নেটওয়ার্কে সংকেতব্যবস্থা, টেলিযোগাযোগ এবং প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করবে এলঅ্যান্ডটি।

সংকেতব্যবস্থা ট্রেনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত ব্যবধানে ট্রেন পরিচালনা এবং নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে টেলিযোগাযোগব্যবস্থা পরিচালনাকেন্দ্রের সঙ্গে বিভিন্ন স্থাপনার যোগাযোগ বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করা হলে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ও রেলপথের মধ্যবর্তী অংশে যাত্রীদের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশের ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে। আধুনিক মেট্রোরেল ব্যবস্থায় এসব প্রযুক্তি যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।

এলঅ্যান্ডটির ভাষ্য অনুযায়ী, দুটি প্যাকেজ সম্মিলিতভাবে মেট্রোরেল লাইন-১-এর মূল পরিচালনব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এর মাধ্যমে ঢাকায় নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক নগর পরিবহনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য এগিয়ে যাবে।

জাপানের অর্থায়নে দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন। প্রকল্পটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এর মাধ্যমে রাজধানীতে ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় দুটি রুট রয়েছে। প্রথমটি বিমানবন্দর রুট, যা কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ার কথা। দ্বিতীয়টি পূর্বাচল রুট, যা নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল টার্মিনাল পর্যন্ত যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এতে মোট ১৯টি স্টেশন এবং পিতলগঞ্জে একটি ডিপো থাকবে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াত করিডরে গণপরিবহনের সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে বিমানবন্দর, কেন্দ্রীয় বাণিজ্যিক এলাকা এবং পূর্বাচলমুখী যাতায়াতে বিকল্প পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে।

তবে প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ হওয়া, বিভিন্ন কারিগরি ব্যবস্থা পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পরই বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করা সম্ভব হবে।

লাইন-৬-এর কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এলঅ্যান্ডটির

এর আগে বাংলাদেশের প্রথম চালু হওয়া মেট্রোরেল করিডর ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থাসংক্রান্ত কাজেও যুক্ত ছিল এলঅ্যান্ডটি। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, লাইন-৬ প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজে লাগবে।

এলঅ্যান্ডটির পরিবহন অবকাঠামো বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান রামকুমার এস বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কাছ থেকে আবারও কাজের চুক্তি পাওয়া বিশ্বজুড়ে বৃহৎ ও সমন্বিত নগর পরিবহন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতার প্রতিফলন।

তিনি বলেন, ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-৬-এর বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁদের। নিরাপত্তা ও গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে কাজ সম্পন্ন করার অভিজ্ঞতাও নতুন প্রকল্পে কাজে লাগানো হবে।

রামকুমার এস আরও জানান, জাকার্তা মেট্রোরেল প্রকল্পেও প্রতিষ্ঠানটির কাজ চলছে। বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে একাধিক কারিগরি ব্যবস্থা একীভূত করার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে তাঁরা প্রস্তুত।

এলঅ্যান্ডটি প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণ (ইপিসি) খাতে আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠান। রেল অবকাঠামোসহ বিভিন্ন বড় নির্মাণ প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

ঢাকায় তিন মেট্রোরেল প্রকল্পে আড়াই লাখ কোটি টাকার পরিকল্পনা

রাজধানীর গণপরিবহনব্যবস্থা সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে সরকার তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এসব প্রকল্পে মোট ব্যয় প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে রাজধানীতে পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে আনুমানিক ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ের ১২টি প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদনের জন্য তোলার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই ১২টি প্রকল্পের মোট ব্যয় এবং তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের আড়াই লাখ কোটি টাকার পরিকল্পনা এক বিষয় নয়; প্রকল্পগুলোর সর্বশেষ অনুমোদন, ব্যয় ও বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন।

মেট্রোরেল প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর গণপরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধি, যাতায়াতের সময় কমানো এবং সড়কের ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এসব সুফল নির্ভর করবে প্রকল্পের সময়মতো বাস্তবায়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, কারিগরি মান এবং কার্যকর পরিচালনব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর।

জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রেক্ষাপট

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১ প্রকল্পে জাপানের অর্থায়ন এবং ভারতের এলঅ্যান্ডটির কাজ পাওয়া দক্ষিণ এশিয়ার অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। প্রকল্পটিতে অর্থায়ন, নির্মাণ ও কারিগরি কাজ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকের পর টোকিওতে যৌথ বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার বিষয়টি নিজে থেকেই কোনো দেশের জন্য বিশেষ রাজনৈতিক সুবিধা দেওয়ার প্রমাণ নয়। এ ক্ষেত্রে চুক্তি প্রদানের প্রক্রিয়া, দরপত্রের শর্ত, আর্থিক প্রস্তাব, কারিগরি যোগ্যতা এবং প্রকল্পের স্বচ্ছতা মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকল্পের অগ্রগতি ও ব্যয়ের দিকে নজর

ঢাকা মেট্রোরেল লাইন-১-এর মতো বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পে নির্মাণকাজের পাশাপাশি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, সময়সীমা রক্ষা, কারিগরি মান নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তির আওতায় থাকা রেললাইন, বিদ্যুৎ, সংকেত, টেলিযোগাযোগ ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোরের কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না হলে পুরো ব্যবস্থার কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।

তাই প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, চুক্তির আর্থিক বিবরণ, কাজ শেষ করার সময়সীমা এবং সরকারি তদারকির তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা হলে জনস্বচ্ছতা বাড়বে। একই সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয় ও প্রত্যাশিত সুফল মূল্যায়নের মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে যে, বড় অঙ্কের সরকারি ও বৈদেশিক অর্থায়ন দেশের পরিবহনব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!