ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে ১১ দলীয় জোটকে হারানো হয়েছে’—অভিযোগ জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ১১:৪৫ এএম

‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রে ১১ দলীয় জোটকে হারানো হয়েছে’—অভিযোগ জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের

ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১১ দলীয় জোটকে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেন, এ ষড়যন্ত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষ পরিচয়ের কিছু ব্যক্তিও জড়িত ছিলেন।

বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং আমাদের বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা নির্বাচন চেয়েছি, তবে নির্বাচনের নামে ষড়যন্ত্র চাইনি। পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। আমরা এর নিন্দা জানাই। অন্তর্বর্তী সরকারের যাদের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিলেন। তারাই পরে স্বীকার করেছেন, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলীয় জোটকে হারানো হয়েছে।”

নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ এবং সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতেই তারা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। তার ভাষায়, “সাড়ে ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যদি আমরা বিদ্রোহ করতাম বা ফলাফল প্রত্যাখ্যান করতাম, তাহলে দেশে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো, তার পরিণতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াত, তা কেউ বলতে পারত না।”

তিনি আরও বলেন, ১১ দলীয় জোট নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিলেও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না এবং এ রায়কে অগ্রাহ্য করার সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না।

সেমিনারে তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের ঘটনাপ্রবাহে শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে কিছু রাজনৈতিক দল শুরু থেকেই নির্বাচনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। তার দাবি, এতে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি তাদের আন্তরিকতার ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে।

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দলটি একসময় সংসদে ‘জুলাই সনদ’কে ‘অন্তহীন প্রতারণার দলিল’ বলে উল্লেখ করেছিল। পরে তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তারাই জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!