রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও সেখানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন গুলশান থানা এনসিপির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মশাল মিছিলে গুলশান থানা এনসিপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি গুলশান-২ নম্বর মোড় থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গুলশান-১-এর শ্যুটিং ক্লাব এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
আ. লীগের ঝটিকা মিছিলের প্রতিবাদ
এনসিপি নেতাকর্মীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে গুলশান এলাকায় আওয়ামী লীগের একটি ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মিছিলের সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।
পরে ঘটনাস্থল থেকে আরও পাঁচটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই সন্ধ্যার পর মশাল মিছিলের আয়োজন করে এনসিপি।
গুলশানজুড়ে মশাল হাতে নেতাকর্মীরা
সন্ধ্যার পর মশাল হাতে এনসিপির নেতাকর্মীরা গুলশান-২ মোড়ে জড়ো হন। সেখান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে গুলশান-১-এর শ্যুটিং ক্লাব এলাকার দিকে এগিয়ে যায়। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদ জানান।
মিছিলের মধ্য দিয়ে দলটির নেতাকর্মীরা রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে সহিংসতা ও নাশকতার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় উত্তেজনা
প্রত্যক্ষ ঘটনাপ্রবাহ অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরে গুলশান এলাকায় আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের সময় দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল উদ্ধারের কথা জানানো হয়।
এ ঘটনার পর ওই এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যায় এনসিপির নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ কর্মসূচি হিসেবে মশাল মিছিল করেন।
রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গুলশানে পরপর রাজনৈতিক কর্মসূচি ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। দুপুরের ঝটিকা মিছিলের পর সন্ধ্যায় প্রতিবাদী মশাল মিছিলের মাধ্যমে এনসিপি তাদের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দেয়।
এদিকে ককটেল বিস্ফোরণ ও উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টিও সামনে এসেছে। তবে এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য এ প্রতিবেদনের তথ্যসূত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

