বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে পাহাড়ধসের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৭ সালের ভয়াবহ পাহাড়ধসের পর গঠিত কমিটির ৩৬টি সুপারিশের একটিও গত ১৯ বছরে বাস্তবায়ন হয়নি। এ সময়ে পাহাড়ধস ও মাটিচাপায় অন্তত ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নগরীর ২৫টি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে এখনও এক হাজারের বেশি পরিবার বসবাস করছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সরিয়ে নেওয়া, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা এবং অবৈধ পাহাড় দখল ও সংযোগদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে পরিবেশবিদদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ছাড়া পাহাড়ধসের ঝুঁকি কমানো সম্ভব নয়।

