ঢাকা রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

menu

পাঙাশ-তেলাপিয়ার দামও নাগালের বাইরে, আমিষের জোগান নিয়ে দুশ্চিন্তায় নিম্নবিত্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৫, ২০২৬, ১০:০০ এএম

পাঙাশ-তেলাপিয়ার দামও নাগালের বাইরে, আমিষের জোগান নিয়ে দুশ্চিন্তায় নিম্নবিত্ত

ছবিঃ সংগৃহীত

‘রুই-কাতলা না হয় বাদই দিলাম, পাঙাশ-তেলাপিয়া কিনে যে পেট ভরাব, সেই উপায়ও আর রইল না।’ রাজধানীর বাজারে দাঁড়িয়ে এভাবেই নিজের ক্ষোভ ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করছিলেন এক পোশাকশ্রমিক। একসময় তুলনামূলক কম দামে পাওয়া পাঙাশ ও তেলাপিয়া ছিল নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাছের চাহিদা মেটানোর অন্যতম ভরসা। কিন্তু মাছের খাবার, পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিসহ নানা কারণে এই দুই মাছের দামও এখন অনেকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে আকার ও মানভেদে প্রতি কেজি পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায়। তেলাপিয়ার দামও কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। ফলে আগে যে পরিবার এক বা দুই কেজি মাছ কিনত, তাদের অনেকেই এখন আধা কেজি মাছ কিনছেন। কেউ আবার গোটা মাছের পরিবর্তে কাটা পাঙাশ কিংবা দাম কম থাকলে ছোট আকারের তেলাপিয়া কিনে সংসারের খরচ সামলানোর চেষ্টা করছেন।

শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের বাজারেও নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপ সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন ব্যয়ে প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর জন্য মাছের বাজার সামলানো ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। অন্যান্য মাছের দাম আগে থেকেই বেশি থাকায় পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দাম বৃদ্ধি তাদের আমিষের চাহিদা পূরণেও উদ্বেগ তৈরি করছে।

রাজধানীর বাজারে পাঙাশ-তেলাপিয়ার দাম কত?

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঙাশের দাম আকারভেদে কেজিপ্রতি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা। এক থেকে দেড় কেজি ওজনের পাঙাশ সাধারণত এই দামের মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। দুই থেকে তিন কেজি ওজনের পাঙাশের দাম কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত উঠছে। বড় আকারের মাছের দাম আরও বেশি হতে পারে।

তেলাপিয়ার দামও ক্রেতাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। মাঝারি আকারের তেলাপিয়া কেজিপ্রতি প্রায় ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজির বেশি ওজনের বড় তেলাপিয়ার দাম ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। ফলে অনেক ক্ষেত্রে মাঝারি আকারের তেলাপিয়ার দাম বড় পাঙাশের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।

বাজারসংশ্লিষ্টদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে তেলাপিয়ার দাম কেজিপ্রতি প্রায় ১৪০ টাকা থেকে শুরু হতো। বর্তমান বাজারদর ২২০ থেকে ২৫০ টাকা ধরে তুলনা করলে দাম বেড়েছে প্রায় ৫৭ থেকে ৭৯ শতাংশ। তবে মাছের আকার, মান, বাজার ও সময়ভেদে দামের পার্থক্য রয়েছে।

একইভাবে কয়েক বছর আগে ছোট ও মাঝারি আকারের পাঙাশ কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় কেনা যেত বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে সেই মাছের দাম অনেক বেশি। ফলে তুলনামূলক সস্তা মাছ হিসেবেও পাঙাশের আগের সুবিধা আর পাচ্ছেন না সাধারণ ক্রেতারা।

মাছ কেনার পরিমাণ কমিয়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ

রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাসিন্দা এরশাদ আলী পেশায় কাঠমিস্ত্রি। চার সদস্যের সংসারে মাছ কেনার হিসাব এখন তাঁকে নতুন করে কষতে হচ্ছে। রুই, কাতলা, বোয়াল কিংবা শিং মাছের দাম বেশি হওয়ায় আগে তিনি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতেন। এখন এই দুই মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় সেখানেও কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

এরশাদ আলী বলেন, ‘রুই, কাতলা, বোয়াল, শিংসহ অন্য মাছ তো আমরা কিনতেই পারি না। কিনতাম শুধু পাঙাশ আর তেলাপিয়া। এখন এগুলোর দামও বেশি, তাই মাছ কেনা কমিয়ে দিয়েছি।’

তবে একেবারে মাছ খাওয়া বন্ধ করেননি তিনি। বাজারে কাটা পাঙাশ পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে কেনেন। ছোট তেলাপিয়ার দাম কম থাকলে সেটিও কেনার চেষ্টা করেন। কিন্তু দাম বেড়ে গেলে সেই সুযোগও সীমিত হয়ে আসে।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারে কথা হয় পোশাকশ্রমিক দুলু মিয়ার সঙ্গে। সীমিত আয়ের এই মানুষটির কাছেও পাঙাশ ও তেলাপিয়া ছিল মাছ কেনার শেষ ভরসা। কিন্তু দাম বাড়ায় এখন পরিবারের জন্য মাছ কেনার সময় তাঁকে আগের চেয়ে বেশি হিসাব করতে হচ্ছে।

দুলু মিয়া বলেন, ‘কিছুদিন আগেও পাঙাশ-তেলাপিয়ার দাম কিছুটা কম ছিল। এখন আবার বেড়েছে। তাই এই মাছগুলোও আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কেনা কঠিন হয়ে গেছে।’

পরিবারে স্ত্রী ও সন্তান থাকায় মাছ কেনা পুরোপুরি বন্ধ করার সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবারে ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রী আছে, তাই মাছ না কিনলে চলে না। সে জন্য সপ্তাহে এক-দুই দিন বেশি দামেই পাঙাশ-তেলাপিয়া কিনি। তবে আগের চেয়ে কেনার পরিমাণ কমে গেছে।’

অন্য মাছের দাম বেশি হওয়ায় মাঝেমধ্যে কাটা মাছ কিনেও সংসারের খরচ সামলানোর চেষ্টা করেন তিনি। তাঁদের মতো সীমিত আয়ের পরিবারের কাছে মাছের দাম বাড়া মানে শুধু বাজার খরচ বৃদ্ধি নয়, খাবারের পরিমাণ ও ধরন পরিবর্তন করতেও বাধ্য হওয়া।

উৎপাদনে শীর্ষে পাঙাশ ও তেলাপিয়া

বাংলাদেশে মিঠাপানির মাছের জোগানের বড় অংশ আসে চাষের মাধ্যমে। ময়মনসিংহ, যশোর, বগুড়া, রাজশাহী, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বাণিজ্যিকভাবে মাছ চাষ হয়। পুকুরে চাষ করা মাছের মধ্যে পাঙাশ ও তেলাপিয়া অন্যতম জনপ্রিয় প্রজাতি। তুলনামূলক সহজলভ্যতা, উৎপাদনের পরিমাণ এবং সাধারণ মানুষের খাদ্যতালিকায় চাহিদার কারণে মাছ দুটি দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে পাঙাশ উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৫ হাজার টন। একই সময়ে তেলাপিয়ার উৎপাদন ছিল প্রায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার টন। দুই মাছ মিলিয়ে উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭ লাখ ৫৯ হাজার টন।

এ ছাড়া পুকুরে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয় রুই, কাতলা, সিলভার কার্প, মৃগেল, কমন কার্প ও কই। এসব মাছের পাশাপাশি পাঙাশ ও তেলাপিয়া দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মাছের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে উৎপাদনের পরিমাণ বেশি হলেই বাজারে দাম কম থাকবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। মাছের পোনা, খাবার, বিদ্যুৎ, শ্রম, পুকুর ব্যবস্থাপনা, পরিবহন এবং বাজারজাতকরণের খরচ বাড়লে উৎপাদিত মাছের বিক্রয়মূল্যেও তার প্রভাব পড়তে পারে। বর্তমান বাজারে পাঙাশ ও তেলাপিয়ার দাম বৃদ্ধির পেছনে এসব ব্যয়কে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরছেন মাছচাষি ও বিক্রেতারা।

মাছের খাবার ও পরিবহন ব্যয় বাড়াচ্ছে দাম

মাছের দাম বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাজারসংশ্লিষ্টরা উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ব্যয় বাড়ার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, মাছের খাবার বা ফিডের দাম বাড়ায় চাষিদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ বিল, শ্রমিকের মজুরি, পুকুর ব্যবস্থাপনা এবং মাছ বাজারে আনার পরিবহন ব্যয়।

কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, মাছের খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাষিদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে চাষিরা পাইকারি বাজারে আগের তুলনায় বেশি দামে মাছ বিক্রি করছেন। সেই বাড়তি দাম শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারের ক্রেতাদের বহন করতে হচ্ছে।

পরিবহন ব্যয়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, মাছ আনা-নেওয়ার একটি গাড়ির ভাড়া আগে ১৫ থেকে ১৬ হাজার টাকা ছিল। এখন তা বেড়ে ২০ হাজার টাকা বা তারও বেশি হয়েছে। এর বাইরে পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন খাতে বাড়তি খরচ যুক্ত হয়। সব মিলিয়ে চাষির পুকুর থেকে পাইকারি বাজার হয়ে পাড়া-মহল্লার খুচরা দোকানে মাছ পৌঁছাতে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

অর্থাৎ, মাছের দাম বাড়ার চাপ কেবল উৎপাদন পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকছে না। পুকুর থেকে মাছ আহরণ, পরিবহন, পাইকারি বিক্রি এবং খুচরা বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপের ব্যয় চূড়ান্ত দামের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

ক্রেতা কম কিনছেন, বিক্রিও কমেছে

মাছের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে খুচরা বিক্রেতাদের ব্যবসায়ও। রাজধানীর বাড্ডা বাজারের মাছ বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম জানান, দাম কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় মাছ বিক্রি কমেছে।

বিক্রেতাদের ভাষ্য, বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি থাকলেও আগের মতো পরিমাণে মাছ কিনছেন না অনেকে। আগে যেসব ক্রেতা এক, দেড় বা দুই কেজি পাঙাশ কিংবা তেলাপিয়া কিনতেন, তাঁদের কেউ কেউ এখন অর্ধেক পরিমাণ কিনছেন। আবার কেউ দাম জিজ্ঞাসা করে প্রয়োজনের তুলনায় কম মাছ নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

আবুল কালাম বলেন, দাম বেশি হওয়ায় ক্রেতারা মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। এতে তাঁদের মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিক্রিও কমে গেছে।

এ পরিস্থিতিতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষই চাপে পড়েছেন। ক্রেতারা বেশি দাম দিয়ে কম মাছ কিনছেন, আর বিক্রেতারা আগের মতো বিক্রি করতে না পারায় ব্যবসায়িক সংকটে পড়ছেন। বাজারে মাছের দাম বাড়লেও বিক্রির পরিমাণ কমে যাওয়ায় পুরো সরবরাহব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়ছে।

মাছের দাম বৃদ্ধি পুষ্টি নিরাপত্তায় উদ্বেগ তৈরি করছে

মাছ বাংলাদেশের মানুষের খাদ্যতালিকায় গুরুত্বপূর্ণ প্রাণিজ আমিষের উৎস। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেকেই তুলনামূলক কম দামের মাছের ওপর নির্ভর করেন। পাঙাশ ও তেলাপিয়া দীর্ঘদিন ধরে সেই চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করে আসছে।

কিন্তু এই দুই মাছের দামও বেড়ে গেলে সীমিত আয়ের পরিবারগুলোর জন্য নিয়মিত মাছ কেনা কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে কেউ মাছ খাওয়ার দিন কমিয়ে দিতে পারেন, কেউ একবারে কম পরিমাণ কিনতে পারেন, আবার কেউ পরিবারের খাবারের বাজেট থেকে মাছের জন্য বরাদ্দ কমিয়ে দিতে পারেন।

মৎস্য খাতসংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, মাছের খাবারের ব্যয় কমানো এবং উৎপাদনব্যবস্থার দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। মাছের খাবারের দাম ও মান, চাষের ব্যবস্থাপনা এবং উৎপাদনশীলতা নিয়ে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

তবে মাছের দাম স্থিতিশীল রাখতে শুধু উৎপাদন খরচ কমানোর উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। পরিবহন, বাজারজাতকরণ এবং সরবরাহব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপেও ব্যয় ও অনিয়মের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে উৎপাদক ও ভোক্তার স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য রেখে বাজার ব্যবস্থাপনা জোরদার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগের দাবি

পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো ব্যাপকভাবে চাষ করা মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের খাদ্য ব্যয় আরও বাড়ছে। অন্যান্য মাছের দাম আগে থেকেই বেশি থাকায় এই দুই মাছের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছে। একই সঙ্গে বিক্রি কমে যাওয়ায় খুচরা ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।

মাছের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে উৎপাদন খরচ, মাছের খাবারের মূল্য, পরিবহন ব্যয় এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে ব্যয় কমানো গেলে তা মাছের দাম স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখতে পারে।

সব মিলিয়ে, একসময় নিম্ন ও মধ্যবিত্তের আমিষের সহজলভ্য উৎস হিসেবে পরিচিত পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন অনেক পরিবারের জন্য ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। বাজারদরের এই চাপ অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের মাছ খাওয়ার পরিমাণ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই উৎপাদকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!