নওগাঁর পোরশা উপজেলার বাসিন্দা মোঃ আতাউর রহমান বর্তমানে হাঁসের খামার করে ললাট পাল্টিয়েছে তার এই কষ্টের আয় এখন পারিবারিক সমস্যা নিরসনে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করছে। ইতিপূর্বে আতাউর রহমানের পারিবারিক জীবন ছিলো দুর্বিষহ। সৃষ্টি কর্তার রহমতে আলহামদুলিল্লাহ এই উন্নত জাতের হাঁস তার ললাট সুপ্রসন্ন করেছে।

একটি নীতি বাক্য আছে মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে বয়সে মধ্যে নয় তদরুপ পোরশা উপজেলার বাসিন্দা মোঃ আতাউর রহমান। আতাউর ঐ হাঁসের খামার থেকে শুধু জীবিকা নির্বাহ করেন না সে খামার থেকে ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন পাশাপাশি তার সন্তানদের শিক্ষা দিক্ষার কাজে অর্থ ব্যায় করছেন।

বর্তমানে মোঃ আতাউর রহমান এখন অগ্রগামী খামারীদের মধ্যে একজন। , নির্মাণ করেছেন নতুন বিল্ডিং বাড়ি।উল্লেখ্য খামারি বিষয়ে মোঃ আতাউর রহমানের নিকট বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি ভারাক্রান্ত এবং নিরতিশয় কন্ঠে বলেন মানুষ পারেনা এমন কোন কাজ নেই আমি ছোট আকারে হাঁসের খামার শুরু করেছিলাম ইনশাআল্লাহ ধৈর্যের সঙ্গে খামার পরিচালনা
করছি এখন আমার অনেক হাঁস নিয়মিত প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মহোদয় এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি বাকি টা আল্লাহ তায়ালার অভিপ্রায়। আপনারাও আমার সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন আপনাদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন হবে। এককথায় পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসৃতি।

