শতভাগ পাস কিংবা শতভাগ জিপিএ-৫-এর সাফল্যের সুনাম ধরে রাখতে দেশের কিছু নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দশম শ্রেণির নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ‘বাছাই’ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, টেস্ট পরীক্ষায় কৃতকার্য হলেও অপেক্ষাকৃত কম নম্বর বা জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ পাননি। বিপরীতে উচ্চ জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদেরই মূল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এমন অভিযোগ ঘিরে শিক্ষা বোর্ডগুলোতে শুরু হয়েছে নড়াচড়া। অভিযোগ ওঠা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল, শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, ফরম পূরণ এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণসংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে সশরীরে বোর্ডে তলবের প্রক্রিয়াও চলছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বোর্ড।

সম্প্রতি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর গত ১৩ আগস্ট ‘দৈনিক আজ ও আগামীকাল’ নামের একটি অনলাইন গণমাধ্যমে ‘৩৮২ জনের সবাই জিপিএ-৫, অথচ ৫০০+ শিক্ষার্থী পরীক্ষার বাইরে—নাছিমা কাদির মোল্লার ‘সাফল্য’ প্রশ্নবিদ্ধ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে এবং একই ধরনের আরও অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।
শতভাগ জিপিএ-৫, কিন্তু পরীক্ষার বাইরে কতজন?
অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা নরসিংদীর নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের ফলাফল বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো করেছে। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৩৭৬ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে ৬ জনসহ মোট ৩৮২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে। গত বছরও প্রতিষ্ঠানটির ৩২০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছিল।
এমন ফলাফল নিঃসন্দেহে চমকপ্রদ। তবে চলতি বছরের ফল প্রকাশের পর প্রতিষ্ঠানটির টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিছু শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসায় প্রশ্ন উঠেছে—শতভাগ জিপিএ-৫-এর এই সাফল্যের পেছনে কি কোনো ধরনের ‘বাছাই প্রক্রিয়া’ কাজ করেছে?
অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রতিষ্ঠানটির কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছে শিক্ষা বোর্ড। টেস্ট পরীক্ষায় কতজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, কতজন পাস করেছে, কে কত নম্বর পেয়েছে, কারা রেজিস্ট্রেশন করেছে, কতজন ফরম পূরণ করেছে এবং কারা ফরম পূরণের সুযোগ পায়নি—এসব তথ্য মিলিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে চাপ দেওয়া কিংবা নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আসছে।

টেস্টে পাস, তবু ফরম পূরণে বাধা?
নির্বাচনী বা টেস্ট পরীক্ষা মূলত পাবলিক পরীক্ষার আগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি যাচাইয়ের একটি অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা। এ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর দুর্বলতা চিহ্নিত করে তাকে এসএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করার সুযোগ রয়েছে।
তবে টেস্ট পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী কৃতকার্য হওয়ার পরও শুধু কাঙ্ক্ষিত জিপিএ বা এ প্লাস না পাওয়ার কারণে তাকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে কি না—সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, কোনো প্রতিষ্ঠান নিজেদের ফলাফলের জৌলুস বাড়ানোর উদ্দেশ্যে টেস্ট পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের ওপর ‘এ প্লাস’ বা নির্দিষ্ট জিপিএ পাওয়ার শর্ত আরোপ করতে পারে না। তবে কোনো শিক্ষার্থী টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে কিংবা বোর্ডের নির্ধারিত অন্যান্য আবশ্যক যোগ্যতা পূরণে ব্যর্থ হলে তাকে ফরম পূরণ থেকে বিরত রাখার বিধান থাকতে পারে।
অর্থাৎ, টেস্ট পরীক্ষায় পাস করলেই সব ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফরম পূরণের অধিকার তৈরি হয়—এমন দাবি যেমন সরলীকরণ হবে, তেমনি শুধু প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ভালো দেখানোর জন্য পাস করা শিক্ষার্থীকে বাদ দেওয়ার অভিযোগও গুরুতরভাবে যাচাই করার দাবি রাখে।
‘জিপিএ-৫ বাড়াতে বাছাই’—কী বলছে অভিযোগ?
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, দেশের কিছু নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার আগে এক ধরনের ‘বাছাই প্রক্রিয়া’ চলে। টেস্ট পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর অপেক্ষাকৃত কম নম্বর বা জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের ডেকে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়।
কোথাও কোথাও এসব শিক্ষার্থীকে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে ফরম পূরণ করে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এর ফলে কোনো একটি প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তুলনামূলক ভালো ফল করতে সক্ষম শিক্ষার্থীদেরই যদি রেখে দেওয়া হয়, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানের শতভাগ পাস বা শতভাগ জিপিএ-৫-এর ফলাফল প্রকৃত শিক্ষাগত সাফল্যের পুরো চিত্র তুলে ধরে কি না—সে প্রশ্নও সামনে এসেছে।
অভিযোগ অস্বীকার প্রধান শিক্ষকের
নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসের প্রধান শিক্ষক মো. ইমন হোসেন অবশ্য শিক্ষার্থীদের জিপিএর ভিত্তিতে বাছাই করে ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে, টেস্ট পরীক্ষায় এ প্লাস না পেলে শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ করতে দেওয়া হয় না। এটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও মিথ্যা তথ্য। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩৩ শতাংশ নম্বর পেলেই শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কোনো শিক্ষার্থী বা অভিভাবক যদি প্রমাণ করতে পারেন যে ৩৩ শতাংশ পাওয়ার পরও তাকে ফরম পূরণ করতে দেওয়া হয়নি, তাহলে এ বিষয়ে যে শাস্তি হবে, আমরা তা মাথা পেতে নেব।’
প্রধান শিক্ষক জানান, চলতি বছর টেস্ট পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটির ৪৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৮২ জন পাস এবং ১০১ জন অকৃতকার্য হয়। তার দাবি, পাস করা ৩৮২ জন শিক্ষার্থীরই ফরম পূরণ করা হয়েছে এবং অকৃতকার্যদের ফরম পূরণ করা হয়নি।
তার ভাষ্য, ‘আমরা টেস্ট পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই ফরম পূরণ করেছি।’
প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিক ভালো ফলাফলের কারণ হিসেবে কঠোর শৃঙ্খলা, নিয়মিত ক্লাস, অতিরিক্ত পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের নিবিড় তত্ত্বাবধানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেওয়া, অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং প্রতি ১২ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন গাইড শিক্ষক রাখার কথাও জানান তিনি।
বোর্ডের নজরে অভিযোগ, শুরু হয়েছে তদন্ত
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর ড. মো. মাসুদ রানা খান জানিয়েছেন, টেস্ট পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীকে শুধু এ প্লাস না পাওয়ার কারণে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগ বোর্ডের নজরে এসেছে।
তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমরা ইতোমধ্যে অবগত হয়েছি। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী ফেল করেছে, তাদেরও চিঠি দিয়ে ডাকা হচ্ছে। একইভাবে যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছে, তাদেরও ডাকা হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসসহ অভিযোগ ওঠা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশেই আমরা প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দিয়ে ডাকছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়গুলো জানতে চাইব। প্রাথমিকভাবে কিছু বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছি। তাদের ডেকে কথা বলার পর বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে। এরপর আমরা ব্যবস্থা নেব।’
টেস্ট পরীক্ষায় এ প্লাস না পেলে ফরম পূরণ বা এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম আছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো প্রাথমিক তদন্তের আগে বলা ঠিক হবে না।’

তথ্য চেয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল এবং এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের তথ্য চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ওনাদের তথ্য পাঠাতে বলেছি। তাদের কতজনের রেজিস্ট্রেশন হয়েছে, কতজন ফরম পূরণ করেছে, এসব তথ্য জানতে চেয়েছি। এসব তথ্য নিয়ে আমরা কাজ করব।’
অর্থাৎ অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে এখন মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানের টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল, রেজিস্ট্রেশন তালিকা এবং ফরম পূরণের তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য। এই তিনটি তথ্য বিশ্লেষণ করলেই বোঝা সম্ভব হবে—টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার কারণেই শিক্ষার্থীরা বাদ পড়েছে, নাকি ভালো ফলাফলের হার বাড়াতে যোগ্য শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেও বাছাই করা হয়েছে।
অভিভাবকদের দাবি, প্রমাণ হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা
অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু বলেন, টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কোনো শিক্ষার্থীকে শুধু এ প্লাস না পাওয়ার কারণে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হলে তা অন্যায়।
তিনি বলেন, ‘টেস্ট পরীক্ষায় পাস করেও শুধু এ প্লাস না পাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ না দেওয়া হলে তা নিয়মবহির্ভূত। এ ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’
তার মতে, কোনো শিক্ষার্থী টেস্ট পরীক্ষায় পাস করার পরও ফরম পূরণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে কি না, শিক্ষা বোর্ডের তা গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করা উচিত।
এখন তদন্তেই মিলবে আসল উত্তর
একদিকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বলছে, টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদেরই কেবল ফরম পূরণ করতে দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে অভিযোগকারীদের দাবি, ভালো ফলাফলের হার ধরে রাখতে টেস্ট পরীক্ষায় পাস করা কম জিপিএর শিক্ষার্থীদেরও বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফলে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বোর্ডের হাতে থাকা নথি ও তথ্য-উপাত্ত।
কতজন শিক্ষার্থী টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, কতজন পাস করেছিল, পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে কতজনের ফরম পূরণ হয়েছে এবং কতজন হয়নি—এই হিসাবই দিতে পারে শতভাগ জিপিএ-৫-এর সাফল্যের নেপথ্যের প্রকৃত চিত্র।
শিক্ষা বোর্ডের তদন্তে যদি অভিযোগের সত্যতা মেলে, তাহলে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল নয়—দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাবলিক পরীক্ষার আগে ‘ফলাফল ভালো দেখানোর জন্য শিক্ষার্থী বাছাই’ করার প্রবণতা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠবে।
আর অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানও পাবে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করার সুযোগ। তাই এখন নজর তদন্ত প্রতিবেদনের দিকে—শতভাগ জিপিএ-৫ কি শুধুই কঠোর পরিশ্রম ও শিক্ষাব্যবস্থাপনার সাফল্য, নাকি এর পেছনে ছিল কোনো ‘বাছাই প্রক্রিয়া’? উত্তর খুঁজছে শিক্ষা বোর্ড।

