ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

menu

৫ থেকে ৫০ লাখে পোস্টিং! দুদকের প্রতিবেদনে বন অধিদপ্তরের ‘বুনো কাণ্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম

৫ থেকে ৫০ লাখে পোস্টিং! দুদকের প্রতিবেদনে বন অধিদপ্তরের ‘বুনো কাণ্ড’

ছবিঃ সংগৃহীত

বন অধিদপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন ঘিরে বড় ধরনের অনিয়ম এবং ঘুষ লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পছন্দের কর্মস্থলে পোস্টিং পেতে পদ ও এলাকার শ্রেণিভেদে ৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উঠে এসেছে দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে।

একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ‘সাসটেইনেবল ফরেস্ট অ্যান্ড লাইভলিহুড’ (সুফল) প্রকল্পে কাগজে-কলমে বনায়ন দেখিয়ে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, ভুয়া ভাউচার ব্যবহার এবং প্রকল্পের নির্ধারিত কাজ বাস্তবায়ন না করার অভিযোগও পেয়েছে সংস্থাটি।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে বন অধিদপ্তরে অভিযান চালিয়ে সুফল প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নথিপত্র সংগ্রহ করে দুদক। এ সময় অধিদপ্তরের তৎকালীন প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী, সুফল প্রকল্পের পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংগ্রহ করা নথিপত্র, অভিযোগের রেকর্ড ও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে একটি অনুসন্ধান প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

প্রতিবেদনে বন অধিদপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে দুর্নীতির বেশ কিছু চিত্র তুলে ধরে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানের সুপারিশ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তবে অভিযোগগুলো এখনো আদালত বা কোনো চূড়ান্ত তদন্তে প্রমাণিত নয়। দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এসব অভিযোগ উঠে এসেছে।

বদলি-পদায়নে লাখ লাখ টাকার লেনদেন

দুদকের অনুসন্ধানে বন অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়ন প্রক্রিয়ায় ঘুষ লেনদেনের যে তথ্য উঠে এসেছে, তা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে ২০০৪ সালের বদলি-পদায়ন নীতিমালা অনুসরণ করার কথা। কিন্তু অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তবে দেশের বিভিন্ন রেঞ্জ, স্টেশন ও বিভাগীয় বন বিভাগকে বনভূমির আয়তন ও সম্ভাব্য আয় বিবেচনায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে ভাগ করে পছন্দের জায়গায় পোস্টিং দেওয়ার বিনিময়ে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদভেদে এই অর্থের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত।

দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী—

প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) পদে দুই বছরের পোস্টিংয়ের জন্য নেওয়া হতো ৫০ লাখ টাকা;
দ্বিতীয় শ্রেণির ডিএফও পদে ৩০ লাখ টাকা;
তৃতীয় শ্রেণির ডিএফও পদে ১০ লাখ টাকা;
প্রথম শ্রেণির রেঞ্জ কর্মকর্তা পদে দুই বছরের জন্য ১৫ লাখ টাকা;
দ্বিতীয় শ্রেণির রেঞ্জ কর্মকর্তা পদে ১০ লাখ টাকা;
তৃতীয় শ্রেণির রেঞ্জ কর্মকর্তা পদে ৫ লাখ টাকা;
প্রথম শ্রেণির চেকপোস্ট/স্টেশন কর্মকর্তার এক বছরের পোস্টিংয়ে ২০ লাখ টাকা;
দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১০ লাখ টাকা;
তৃতীয় শ্রেণিতে ৫ লাখ টাকা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নতুন কর্মস্থলে বদলি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ‘মাসিক মাসোহারা’ আদায়ের ব্যবস্থাও ছিল।

প্রধান বন সংরক্ষকের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ

বদলি-বাণিজ্যের সঙ্গে বন অধিদপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও দুদকের অনুসন্ধানে এসেছে।

প্রতিবেদনে তৎকালীন প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরীর সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। তার সময়কালে বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বদলি ও পদায়নে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে দুদক।

এ ছাড়া বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নামও অনুসন্ধানে এসেছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছে দুদক।

সুফল প্রকল্পে কাগজে বনায়ন, মাঠে চিত্র ভিন্ন

বন অধিদপ্তরের আরেকটি বড় অনিয়মের চিত্র উঠে এসেছে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সুফল প্রকল্পে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বন মন্ত্রণালয়ের অন্যতম বড় প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।

প্রকল্পটির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বনসম্পদ সংরক্ষণ, নতুন বন সৃষ্টি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বননির্ভর মানুষের জীবিকা উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা।

কিন্তু প্রকল্পের আওতায় নির্ধারিত অনেক কাজ বাস্তবে না করেই কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখানো এবং ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ পেয়েছে দুদক।

৮৭২ হেক্টর বনায়নের লক্ষ্যমাত্রা

সুফল প্রকল্পের আওতায় সরকারের নতুন বনায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫১০ হেক্টর এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৩৬২ হেক্টর—মোট ৮৭২ হেক্টর জমিতে নার্সারি ও বাগান সৃজনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা রেঞ্জের জোয়ারিয়ানালা বিটে এসব বনায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের কথা ছিল।

কিন্তু দুদকের সরেজমিন অনুসন্ধানে প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা ও বাস্তব চিত্রের মধ্যে বড় ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

৫১০ হেক্টরের জায়গায় চারা মাত্র ১৬০ হেক্টরে

দুদকের অনুসন্ধান অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৫১০ হেক্টর জমিতে বনায়নের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বাস্তবে আনুমানিক ১৬০ হেক্টর এলাকায় চারা রোপণ করা হয়েছে।

বাকি এলাকায় প্রকৃত বনায়ন না করে শুধু সীমানা চিহ্নিত করার জন্য দূরত্ব রেখে কিছু চারা বসানো হয়েছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। অনেক জায়গায় আবার জমি পরিষ্কার বা বাগান তৈরির প্রাথমিক কাজও করা হয়নি।

ফলে কাগজে প্রকল্প বাস্তবায়নের চিত্র দেখানো হলেও মাঠপর্যায়ে তার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ।

রেঞ্জ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

এ ঘটনায় জোয়ারিয়ানালা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা ফেরদৌস কবির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে এসেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, দুর্গম এলাকার সুযোগ নিয়ে প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ এবং নার্সারি বাবদ অর্থের একটি অংশ আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ কাজে সংশ্লিষ্ট বনায়ন কর্মকর্তার যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বনায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সার, কীটনাশক ও অন্যান্য উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার না করায় যেসব এলাকায় চারা লাগানো হয়েছিল, সেগুলোরও বড় একটি অংশ ভালোভাবে বেড়ে ওঠেনি বলে জানা গেছে।

৩৬২ হেক্টরের প্রকল্পেও একই চিত্র

২০২৩-২৪ অর্থবছরে আরও ৩৬২ হেক্টর জমিতে বনায়নের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু এই প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়মের চিত্র পেয়েছে দুদক।

সরেজমিন পরিদর্শনে প্রকল্প এলাকার অধিকাংশ স্থানে চারা রোপণের কোনো দৃশ্যমান অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

কোথাও শুধু প্রকল্পের সাইনবোর্ড টাঙানো ছিল, কিন্তু বাস্তবে বাগান বা বনায়নের অস্তিত্ব ছিল না। যেসব এলাকায় কিছু চারা লাগানো হয়েছিল, সেগুলোর একটি বড় অংশ পরিচর্যার অভাবে প্রথম বছরেই মারা যায়।

এতে প্রশ্ন উঠেছে, প্রকল্পের বরাদ্দের অর্থ কীভাবে ব্যয় দেখানো হয়েছে এবং মাঠপর্যায়ে কাজ না করেই কীভাবে বিল-ভাউচার অনুমোদন করা হয়েছে।

ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

দুদকের অনুসন্ধানে সুফল প্রকল্পের বিভিন্ন খাতে ভুয়া ভাউচার ও কাগজপত্র ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থ ব্যয়ের অভিযোগও উঠে এসেছে।

অভিযোগের ধরন অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ে কাজের পরিমাণ ও বাস্তবায়ন যাচাই না করেই কাগজে কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ফলে প্রকল্পের বরাদ্দের বড় একটি অংশ প্রকৃত কাজে ব্যয় না হয়ে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করছে অনুসন্ধানকারী সংস্থা।

বিশেষ করে নার্সারি তৈরি, চারা উৎপাদন, চারা রোপণ, পরিচর্যা, সার ও কীটনাশক সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে প্রকৃত ব্যয় এবং কাগজে দেখানো ব্যয়ের মধ্যে পার্থক্য খতিয়ে দেখার সুপারিশ করা হয়েছে।

দেড় বছরেও তদন্তে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই

বন অধিদপ্তরে দুদকের অনুসন্ধান শুরুর প্রায় দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে।

দুদকের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, কাগজপত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পাওয়ার পরও তদন্ত প্রক্রিয়া অনেকটা থমকে আছে। ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন দ্রুত পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তবে দুদকের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় কমিশন শূন্য থাকায় সংস্থার বিভিন্ন কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে নতুন কমিশন দায়িত্ব নিয়েছে। তাই বন অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযোগ ও অনুসন্ধানের বিষয়ে পর্যায়ক্রমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রকল্পের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন

সুফল প্রকল্পের মতো বৃহৎ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পে মাঠপর্যায়ে প্রকৃত কাজ না হলে শুধু সরকারের অর্থই নয়, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

বনায়নের নামে কাগজে কাজ দেখিয়ে অর্থ ব্যয়ের অভিযোগ সত্য হলে তা পরিবেশ ও বনসম্পদ রক্ষার উদ্দেশ্যকেও বাধাগ্রস্ত করবে। কারণ একটি নির্দিষ্ট এলাকায় চারা রোপণ, পরিচর্যা ও বন সৃষ্টির মাধ্যমে যে দীর্ঘমেয়াদি পরিবেশগত সুফল পাওয়ার কথা, প্রকল্প বাস্তবায়ন না হলে তা থেকে জনগণ বঞ্চিত হয়।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে এখন মূল প্রশ্ন—বদলি-পদায়নে ঘুষের অভিযোগ, সুফল প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ এবং কাগজে-কলমে বনায়ন দেখানোর সঙ্গে কারা জড়িত এবং এসব অনিয়মের মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে কত টাকা আত্মসাৎ হয়েছে।

এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আর্থিক লেনদেন, সম্পদ বিবরণী, ব্যাংক হিসাব, প্রকল্পের বিল-ভাউচার, ইউডি/ওয়ার্ক অর্ডার এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব কাজের সঙ্গে নথিপত্র মিলিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রকল্পের অর্থ পুনরুদ্ধার এবং ভবিষ্যতে বন অধিদপ্তরের বদলি-পদায়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!