সরকারি চাকরির দায়িত্ব পালনকালে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ও তার স্ত্রী শাহান আরার নামে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন, দলিলপত্র ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট বিশ্লেষণের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুধু রাজধানীতেই তাদের নামে রয়েছে অন্তত ১৪টি ফ্ল্যাট। এসব সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্য কয়েক দশক কোটি টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।
এর বাইরে মামুনের নিজ জেলা টাঙ্গাইল এবং তার শ্বশুরবাড়ি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জেও বিপুল সম্পত্তি কেনার তথ্য উঠে এসেছে। একই সঙ্গে চারটি ব্যাংকের পাঁচটি হিসাবে চলতি বছরের ১৫ জুন পর্যন্ত প্রায় ১৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৬ হাজার ৮৫৩ টাকা জমা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে এসব সম্পদের অর্থের উৎস এবং তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় অভিযোগগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। ফলে অনুসন্ধানে পাওয়া সম্পদকে অভিযোগ ও নথিতে উল্লিখিত তথ্য হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।
দুদকের দুই মামলা, সাময়িক বরখাস্ত
মো. আবদুল্লাহ আল মামুনকে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর আগে ও পরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের নানা অভিযোগ সামনে আসে।
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে পাসপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামুনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে দুদক। ২০২৫ সালের ২৭ এপ্রিল তার সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি ওই মামলাগুলো করা হয় বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে ৫ আগস্টের পর তাকে সিলেটে বদলি করা হয়। সিলেট বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সহকারী পরিচালক থেকে ‘প্রভাবশালী’ কর্মকর্তা
২০০৪ সালের মে মাসে সহকারী পরিচালক হিসেবে পাসপোর্ট অধিদপ্তরে যোগ দেন আবদুল্লাহ আল মামুন। কর্মজীবনের শুরুতে কুমিল্লা ও নোয়াখালীতে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের একাধিক কর্মীর দাবি, ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকার টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর মামুনের প্রভাব দ্রুত বাড়তে থাকে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, উপপরিচালক থাকা অবস্থায় মামুনের প্রভাবের কারণে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে এক ধরনের ভীতি কাজ করত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৯ সালে পরিচালক পদে পদোন্নতি পান আবদুল্লাহ আল মামুন। ওই বছরের জুনে তিনি রাজধানীর আগারগাঁও পাসপোর্ট অফিসের পরিচালকের দায়িত্ব নেন। অভিযোগ রয়েছে, এরপর দীর্ঘ সময় ওই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে তার সম্পদের পরিমাণ দ্রুত বাড়তে থাকে।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে নিয়মিত যাতায়াতের অভিযোগ
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের একাধিক কর্মকর্তা বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মামুন প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুদিন সন্ধ্যার পর ধানমন্ডি ৫ নম্বরে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সরকারি বাসভবনে যাতায়াত করতেন।
তাদের অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ের প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে পাসপোর্ট অধিদপ্তরে মামুনের প্রশাসনিক প্রভাবও ছিল উল্লেখযোগ্য।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা তার প্রতিনিধির বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
ধানমন্ডি ও এলিফ্যান্ট রোডে কোটি টাকার ফ্ল্যাট
প্রকাশিত সংবাদ ও দলিলের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে মামুনের নামে থাকা সম্পত্তির মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান কয়েকটি ফ্ল্যাট রয়েছে ধানমন্ডি ও এর আশপাশের অভিজাত এলাকায়।
ধানমন্ডি ১১/এ রোডের ৭৭ নম্বর বাড়িতে তার নামে রয়েছে ২ হাজার ২৫১ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট। দলিল নম্বর ১২৮১।
এ ছাড়া একই এলাকার নর্থ রোডের ৫০ নম্বর বাড়িতে ৯৮০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট এবং নিউ এলিফ্যান্ট রোডের ২২০ নম্বর হোল্ডিংয়ে ১ হাজার বর্গফুটের আরেকটি ফ্ল্যাট রয়েছে তার নামে। সংশ্লিষ্ট দলিলের নম্বর যথাক্রমে ৩১১২ ও ১১১৫১।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান বাজারমূল্য বিবেচনায় এই তিনটি ফ্ল্যাটের মূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।
হাজারীবাগে দুটি ফ্ল্যাট
হাজারীবাগের চরমোহনপুর এলাকায় সিকদার রিয়েল এস্টেটের ৭ নম্বর রোডে যৌথ মালিকানার জমিতে নির্মিত একটি ভবনে আবদুল্লাহ আল মামুনের নামে ১ হাজার ৪০০ বর্গফুট আয়তনের দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট দলিল নম্বর ৭০৯৪ ও ৬২৮৩। এসব ফ্ল্যাটের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মোহাম্মদপুর ও কাটাসুরে আরও তিন ফ্ল্যাট
মোহাম্মদপুরের কাটাসুরের ৪০/৩ নম্বর ‘হলি মদিনা’ ভবনের তৃতীয় তলায় মামুনের নামে রয়েছে দুটি ফ্ল্যাট। প্রতিটির আয়তন ১ হাজার ১০০ বর্গফুট। দলিল নম্বর ২২০২ ও ৮৭৬৪।
এ ছাড়া চাঁদ হাউজিংয়ের বি-ব্লকে ৭৬০ বর্গফুটের আরেকটি ফ্ল্যাট রয়েছে তার নামে। দলিল নম্বর ৪০০৮।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদপুর এলাকার এই তিনটি ফ্ল্যাটের আনুমানিক বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি টাকা।
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকাতেও ফ্ল্যাট
বাড্ডা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের আওতাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ‘এফ’ ব্লকের ৪ নম্বর রোডের ‘হলি অর্ণব’ ভবনেও মামুনের নামে একটি ফ্ল্যাটের তথ্য পাওয়া গেছে।
সংশ্লিষ্ট দলিল নম্বর ৪৬৯৮। ফ্ল্যাটটির আনুমানিক বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
১০ হাজার বর্গফুটের বেশি ফ্ল্যাট, সঙ্গে জমি
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মামুনের নামে পাওয়া অন্তত ৯টি দলিলে মোট ১০ হাজার ৭৯১ বর্গফুটের বেশি আয়তনের ফ্ল্যাটের সুনির্দিষ্ট তথ্য রয়েছে।
এর বাইরে রাজধানীর ইবরাহিমপুরে যৌথ মালিকানায় ২০ কাঠার একটি প্লট কেনার তথ্যও পাওয়া গেছে। ওই জমিতে ১৮ জন মিলে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ হিসাবে রাজধানীতে মামুনের নামে থাকা ফ্ল্যাট ও অন্যান্য স্থাবর সম্পদের প্রকৃত বাজারমূল্য আরও বেশি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট নথি ও বাজারদরের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে।
স্ত্রী শাহান আরার নামেও একাধিক ফ্ল্যাট
আবদুল্লাহ আল মামুনের স্ত্রী শাহান আরার নামেও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
ধানমন্ডির ৪ নম্বর রোডে তার নামে প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ধানমন্ডি রাজস্ব সার্কেলের ৬ কাটাসুর মৌজার ১২৫০৯ দাগে যৌথ মালিকানার ০.৪৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত ভবনে শাহান আরার নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। খতিয়ান নম্বর ১৬৮৪৯। ফ্ল্যাটটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ২ কোটি টাকা।
মোহাম্মদপুরের ৩ নম্বর মৌজার ৫৫ নম্বর দাগের ১০৮০৭ নম্বর খতিয়ানের জমির ওপর নির্মিত ভবনেও তার নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। এর আনুমানিক মূল্য দেড় কোটি টাকা।
এ ছাড়া ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন জোয়ার সাহারা এলাকার একটি জমিতে নির্মিত ভবনেও শাহান আরার নামে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ফ্ল্যাট থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট দাগ নম্বর ২৬০০৯, খতিয়ান ৫৪১১৩ এবং মৌজা ৩ জোয়ার সাহারা।
নথিপত্রের তথ্য অনুযায়ী, মামুন নিজের নামে সম্পত্তি কেনার পাশাপাশি কাছাকাছি সময়ে বিভিন্ন এলাকায় স্ত্রীর নামেও সম্পত্তি কিনেছেন।
ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১৮ কোটি টাকা
স্থাবর সম্পত্তির পাশাপাশি আবদুল্লাহ আল মামুনের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবেও বিপুল অর্থ থাকার তথ্য উঠে এসেছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চারটি ব্যাংকের পাঁচটি হিসাবের ২০২৬ সালের ১৫ জুন পর্যন্ত স্টেটমেন্ট সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ইসলামী ব্যাংকের দুটি হিসাবে রয়েছে যথাক্রমে ১৬ কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৪ টাকা এবং ১ কোটি ৪৮ লাখ ৬১ হাজার ৮৬ টাকা।
এ ছাড়া ট্রাস্ট ব্যাংকের হিসাবে রয়েছে ২০ লাখ ৭০ হাজার ৩০৩ টাকা, সোনালী ব্যাংকের হিসাবে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬৭ টাকা এবং জনতা ব্যাংকের হিসাবে রয়েছে ২ হাজার ৬৬৩ টাকা।
সব মিলিয়ে ওই পাঁচটি হিসাবে আবদুল্লাহ আল মামুনের জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৭ কোটি ৮৮ লাখ ৫৬ হাজার ৮৫৩ টাকা।
তবে আত্মীয়স্বজনের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে তার বিপুল পরিমাণ এফডিআর থাকার কথাও একাধিক সূত্র জানিয়েছে। কিন্তু এ দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট নথিপত্র অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি।
সম্পদের সঙ্গে বৈধ আয়ের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন
একজন সরকারি কর্মকর্তার চাকরিজীবনের আয়, সম্পদ বিবরণী এবং তার নামে থাকা বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে।
বিশেষ করে রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতে একাধিক ফ্ল্যাট, বিভিন্ন জেলায় জমি-সম্পত্তি এবং ব্যাংকে কোটি কোটি টাকা থাকার তথ্য সামনে আসার পর এসব সম্পদের অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তবে কোনো সম্পদ অবৈধভাবে অর্জিত হয়েছে কি না, কিংবা এসব সম্পদ তার বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কি না—তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার বিষয়।
দুদকের তদন্তে কী উঠে আসে, এখন সেটিই দেখার
মামুনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুদকের করা মামলার তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তদন্তে তার আয়, সম্পদ, ব্যাংক লেনদেন, সম্পত্তি কেনার অর্থের উৎস এবং পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের প্রকৃত মালিকানা যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আরও স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যেতে পারে।
অন্যদিকে, বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করে পুনরায় চাকরিতে ফেরার জন্য মামুন তদবির চালাচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পাসপোর্ট অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মামুনের বক্তব্য জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ এবং সম্পদের বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এখন মূল প্রশ্ন—দীর্ঘ সরকারি চাকরিজীবনে অর্জিত বৈধ আয় দিয়ে এসব সম্পদ অর্জন সম্ভব ছিল কি না, সম্পদগুলোর প্রকৃত অর্থের উৎস কী এবং দুদকের তদন্তে অভিযোগগুলোর কতটা সত্যতা প্রমাণিত হয়। এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই, তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায়।

