ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

menu

“দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের সঠিক মূল্যায়ন চান পাবনা-ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার মানুষ”

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০২৬, ০৪:৪১ পিএম

“দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা হাবিবুর রহমান হাবিবের সঠিক মূল্যায়ন চান পাবনা-ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার মানুষ”

ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, মার্জিত ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিক হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন, আদর্শের প্রতি নিষ্ঠা এবং কঠিন সময়ে দলের পাশে থাকার ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একটি অংশ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে কর্মজীবনে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে ধীরে ধীরে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে উঠে আসেন। ২০১১ সালে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান এবং ২০১৬ সালে বিএনপির মহাসচিব নির্বাচিত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলীয় নানা সংকট ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেছেন।
তাঁর সমর্থকদের মতে, মির্জা ফখরুলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো তাঁর ভদ্রতা, সংযত বক্তব্য ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মানসিকতা। নীতির প্রশ্নে দৃঢ় থাকার পাশাপাশি ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন রাজনীতিক হিসেবে তাঁর একটি আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলেও মনে করেন তাঁরা।
এদিকে, বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সংগ্রামের কারণে পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের সঠিক মূল্যায়নের দাবিও জোরালো হচ্ছে। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এবং পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন।
হাবিবুর রহমান হাবিবের রাজনৈতিক জীবনে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, মামলা ও কারাভোগের বিষয়টি তাঁর সমর্থকেরা বিশেষভাবে তুলে ধরছেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে দীর্ঘদিন কারাভোগের পর তাঁর জামিনে মুক্তির বিষয়টিও বিএনপির পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের দাবি, দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রেখেছেন, দলকে সংগঠিত রাখতে কাজ করেছেন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন—তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, হাবিবুর রহমান হাবিবও দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তেমনই একজন পরীক্ষিত নেতা।
তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে দলীয় দায়িত্ব বণ্টন ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক অবদান এবং তৃণমূলের সঙ্গে সম্পৃক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে পাবনা, ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার নেতাকর্মীরা হাবিবুর রহমান হাবিবের রাজনৈতিক অবদানের যথাযথ মূল্যায়নের জন্য দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একটি রাজনৈতিক দলের শক্তি শুধু তার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে নয়; তৃণমূলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন ও তাদের মধ্যে আস্থা তৈরির ওপরও দলের সাংগঠনিক ভিত্তি অনেকাংশে নির্ভর করে। সে কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মতো পরিচ্ছন্ন ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পাশাপাশি তৃণমূলের ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও সুদৃঢ় করতে পারে—এমন প্রত্যাশাই ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!