ঢাকা শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

menu

ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২৬, ১১:০১ এএম

ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ

ছবিঃ সংগৃহীত

ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অগ্রগতির চিত্র উঠে এসেছে বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ২০২৬-এ। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১৯.২ স্কোর নিয়ে ‘মাঝারি’ ক্ষুধা পরিস্থিতির শ্রেণিতে রয়েছে। পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া বিশ্বের ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম। একই সূচকে ভারত ও পাকিস্তানের স্কোর বাংলাদেশের চেয়ে বেশি, যা দেশ দুটিতে ক্ষুধা ও অপুষ্টির তুলনামূলক গুরুতর পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বিশ্ব গড় স্কোর ১৮.১ এবং দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক গড় ২৩.৫। এ হিসাবে বাংলাদেশের স্কোর আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে কম হলেও বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি। ফলে ক্ষুধা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সামনে এখনও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক দশকে নারীর কর্মসংস্থান, মেয়েদের শিক্ষার প্রসার, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন এবং শিশুস্বাস্থ্যের উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি ক্ষুধা ও অপুষ্টি কমাতে ভূমিকা রেখেছে। তবে এই অগ্রগতি ধরে রাখতে খাদ্যের ক্রয়ক্ষমতা, পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা এবং শিশু ও মায়েদের স্বাস্থ্যসেবায় আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান

গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স বা বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক হলো ক্ষুধা ও অপুষ্টির পরিস্থিতি পরিমাপের একটি আন্তর্জাতিক সূচক। এতে একটি দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, শিশুদের পুষ্টিগত অবস্থা এবং শিশুমৃত্যুর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা হয়।

প্রদত্ত ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১৯.২ স্কোর নিয়ে মাঝারি শ্রেণিতে রয়েছে। সূচকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ১০ থেকে ১৯.৯ স্কোরের মধ্যে থাকা দেশগুলো মাঝারি ক্ষুধা পরিস্থিতির অন্তর্ভুক্ত। ২০ থেকে ৩৪.৯ স্কোর হলে তা গুরুতর ক্ষুধা পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশের স্কোর ২০-এর নিচে থাকায় দেশটি গুরুতর ক্ষুধা পরিস্থিতির শ্রেণির বাইরে রয়েছে। তবে এ অর্জনকে ক্ষুধা সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দারিদ্র্য, খাদ্যের উচ্চমূল্য, পুষ্টিকর খাবারের সীমিত প্রাপ্যতা এবং শিশুদের অপুষ্টি এখনও জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়।

শিশুদের খর্বকায়তার হার কমেছে

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শিশুস্বাস্থ্যের অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের খর্বকায়তার হার কমে আসার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সালে বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৫৪.৯ শতাংশ খর্বকায়তায় ভুগত। ২০২৬ সালে এই হার কমে ২৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, উল্লেখিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ সময়ে খর্বকায়তার হার কমেছে ৩০.৯ শতাংশ পয়েন্ট।

খর্বকায়তা সাধারণত দীর্ঘ সময় ধরে অপর্যাপ্ত পুষ্টি, বারবার অসুস্থতা এবং শিশুর সামগ্রিক বিকাশে বাধার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ হার কমে আসা শিশুদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নতির ইঙ্গিত দেয়।

বিশ্লেষকদের মতে, মাতৃস্বাস্থ্যসেবা, শিশুদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকাদান, পুষ্টি বিষয়ে সচেতনতা এবং নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের বিস্তার এ ধরনের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে দেশের সব শিশু সমানভাবে এসব সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

নারীর কর্মসংস্থান ও শিক্ষার ভূমিকা

বাংলাদেশে ক্ষুধা ও অপুষ্টি কমানোর ক্ষেত্রে নারীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকশিল্পে বিপুলসংখ্যক নারীর কর্মসংস্থান পরিবারের আয় বৃদ্ধি এবং নারীর আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে।

পরিবারের আয় বাড়লে খাদ্য কেনার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি নারীর শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বাড়লে শিশুদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং শিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও বাড়ে।

প্রতিবেদনসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়ন, মেয়েদের শিক্ষার প্রসার এবং স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার ক্ষুধা মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। তবে শুধু আয় বৃদ্ধি করলেই অপুষ্টি দূর হয় না। পরিবারের খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টিকর খাবারের দাম, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

কমিউনিটি ক্লিনিক ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব

বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের কার্যক্রম মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব সেবার মাধ্যমে গর্ভবতী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, শিশুদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ, পুষ্টি বিষয়ে পরামর্শ এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

শিশুর জন্মের পর প্রথম কয়েক বছর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে। তাই গর্ভকালীন পুষ্টি, শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো, বয়স অনুযায়ী পরিপূরক খাবার এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অপুষ্টি কমানোর অন্যতম শর্ত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা এবং খাদ্যনিরাপত্তা কর্মসূচিকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও পাকিস্তানের পরিস্থিতি

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ২০২৬-এর প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারত ২৪.১ স্কোর নিয়ে গুরুতর ক্ষুধা পরিস্থিতির শ্রেণিতে রয়েছে। দেশটির অবস্থান ১২২টি দেশের মধ্যে ১০৯তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তানের স্কোর ২৫.৫ এবং অবস্থান ১০৬তম।

পাকিস্তানের স্কোর ২০১৮ সালের ২৪.০ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালে ২৫.৫ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টির এ পরিস্থিতির পেছনে খাদ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শিশুদের পুষ্টিসংকট, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগের ঘাটতি এবং জলবায়ুজনিত দুর্যোগের মতো বিষয়গুলোকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের স্কোর ১৯.২ হওয়ায় দেশটি ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে সূচকের স্কোর ও অবস্থান দিয়ে কোনো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে পুরোপুরি মূল্যায়ন করা যায় না। প্রতিটি দেশের জনসংখ্যা, আয়বৈষম্য, স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

নেপাল ও শ্রীলঙ্কার অবস্থান বাংলাদেশের চেয়ে ভালো

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের চেয়েও কম স্কোর অর্জন করেছে। নেপালের স্কোর ১৪.৫ এবং শ্রীলঙ্কার স্কোর ১০.২। সূচকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, এসব স্কোর বাংলাদেশের তুলনায় অপেক্ষাকৃত ভালো ক্ষুধা পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

ভুটান ও মালদ্বীপের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় প্রতিবেদনে স্কোর দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই তুলনা থেকে বোঝা যায়, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধা ও অপুষ্টির পরিস্থিতি একরকম নয়। কোনো কোনো দেশ শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করলেও অন্য দেশগুলো এখনও গুরুতর সমস্যার মুখোমুখি।

কীভাবে হিসাব করা হয় বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক চারটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়। এগুলো হলো—

অপুষ্টি: জনসংখ্যার কত অংশ পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করতে পারছে না, তার পরিমাপ।
শিশু খর্বকায়তা: পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম থাকার হার।
শিশু কৃশতা: পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের উচ্চতার তুলনায় ওজন কম থাকার হার।
শিশুমৃত্যু: পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার।

এই সূচকগুলো একত্রে ব্যবহার করে একটি দেশের ক্ষুধা ও অপুষ্টির সামগ্রিক পরিস্থিতির ধারণা পাওয়া যায়। স্কোর যত বেশি, ক্ষুধা পরিস্থিতি তত গুরুতর বলে বিবেচিত হয়।

তবে একটি দেশের স্কোর ব্যাখ্যা করার সময় সংশ্লিষ্ট বছরের তথ্য, তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি এবং আগের বছরের সঙ্গে তুলনার ভিত্তি বিবেচনা করা জরুরি। বিশেষ করে শিশুস্বাস্থ্য ও পুষ্টির সূচকগুলো বিভিন্ন সময়ের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে পারে।

অগ্রগতি ধরে রাখতে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা জরুরি

বাংলাদেশ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে মাঝারি শ্রেণিতে থাকলেও দেশের সব মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা এখনও গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং আয়বৈষম্যের কারণে অনেক পরিবারের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

এ ছাড়া শিশুদের অপুষ্টি, গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মায়েদের পুষ্টি, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশনের প্রাপ্যতা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাও জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষুধা ও অপুষ্টি কমাতে কয়েকটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন:

১. নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।

২. মা ও শিশুর পুষ্টিসেবা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করা।

৩. স্কুল পর্যায়ে পুষ্টি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা।

৪. নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা।

৫. সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া।

৬. জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলা করা।

ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশের লক্ষ্যে আরও কাজের প্রয়োজন

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক ২০২৬-এর প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ১৯.২ স্কোর নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দুই বৃহৎ প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। শিশুদের খর্বকায়তার হার কমে আসা, নারীর কর্মসংস্থান, শিক্ষার প্রসার এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার এই অগ্রগতির সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

তবে বৈশ্বিক গড়ের তুলনায় বাংলাদেশের স্কোর বেশি হওয়ায় ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় আরও অগ্রগতির প্রয়োজন রয়েছে। কেবল সূচকে অবস্থান উন্নত করাই নয়, প্রতিটি পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সুরক্ষার সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ ক্ষুধা ও অপুষ্টি কমানোর ক্ষেত্রে আরও অগ্রগতি অর্জন করতে পারে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!