জয়পুরহাটের পাঁচবিবি বাজারে ভেজাল পণ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাঁচবিবি বাজারে নিরাপদ খাদ্য ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তিন প্রতিষ্ঠানে জরিমানা
অভিযানকালে বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে পণ্য ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিদর্শন করা হয়। এ সময় ভেজাল পণ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তিনটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোন প্রতিষ্ঠানে কত টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি।
অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান মেনে চলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ভোক্তা অধিকার নিশ্চিতে অভিযান
সংশ্লিষ্টরা জানান, বাজারে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্যপণ্য বিক্রি, ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে বাজার তদারকি করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে পাঁচবিবি বাজারে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলতে পারে—এমন পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অভিযান পরিচালনায় যারা ছিলেন
অভিযান পরিচালনা করেন জয়পুরহাট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মেহেদী হাসান এবং জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার সুমাইয়া আফরিন জিনিয়া।
অভিযানকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন অনিয়ম সম্পর্কে সতর্ক করেন এবং ভবিষ্যতে আইনবহির্ভূত কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন।
অভিযান অব্যাহত থাকবে
জয়পুরহাট ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মেহেদী হাসান বলেন, জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের মান ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর তদারকি কার্যক্রম চলমান থাকবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, নিয়মিত বাজার তদারকি ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে ভেজাল ও অনিরাপদ পণ্য বিক্রি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার প্রবণতা আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।

