ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

menu

জয়পুরহাটে বিয়ের দাবিতে দুই সন্তানের জননীর অনশন, প্রবাসফেরত যুবকের বাড়িতে তালা

মোঃ বাবুল হোসেন, জয়পুরহাট জেলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ০১:৫২ পিএম

জয়পুরহাটে বিয়ের দাবিতে দুই সন্তানের জননীর অনশন, প্রবাসফেরত যুবকের বাড়িতে তালা

ছবিঃ সংগৃহীত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় বিয়ের দাবিতে দুই সন্তানের জননী এক গৃহবধূর অনশনকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর নগরপাড়া গ্রামে প্রবাসফেরত নাসির উদ্দীন হাবুর বাড়িতে গিয়ে অনশনে বসেন লাকী আক্তার নামের ওই নারী।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনশনরত নারীর অভিযোগ, নাসির উদ্দীন হাবুর সঙ্গে পরিচয়ের পর তাঁর সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে। এখন তাঁকে বিয়ে করার দাবি জানাচ্ছেন তিনি।

হাবুর বাড়িতে অনশন, দরজায় ঝুলছে তালা

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিয়ের দাবিতে হাবুর বাড়িতে অবস্থান নেন লাকী আক্তার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির দরজায় তালা ঝুলছে এবং সেখানে পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। এ সময় ওই নারীকে দেখতে বাড়ির সামনে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

লাকী আক্তারের দাবি, নাসির উদ্দীন হাবুর সঙ্গে তাঁর পরিচয় মাত্র এক সপ্তাহের। এই অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে একবার জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার পর বিয়ের দাবি নিয়ে তিনি হাবুর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।

তবে লাকী আক্তারের অভিযোগের বিষয়ে নাসির উদ্দীন হাবুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করাও সম্ভব হয়নি।

বিয়ের বিষয়ে আলোচনা, পরে হাবুকে পাওয়া যাচ্ছে না

স্থানীয় সূত্রের দাবি, গত ৭ অক্টোবর রাত থেকে বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও দেনদরবার চলছিল। আলোচনার একপর্যায়ে হাবু বিয়েতে রাজি হয়েছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে। তবে পরদিন সকাল থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গেছে।

এদিকে, হাবুর বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যাওয়ায় এবং তাঁর বক্তব্য পাওয়া না যাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।

সম্মানজনক সমাধানের দাবি স্থানীয়দের

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য শুনে সম্মানজনক সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ এবং আইনগতভাবে বিষয়টির নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগটি গুরুতর হওয়ায় বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

ঘটনার বিষয়ে নাসির উদ্দীন হাবুর বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!