ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

menu

বকেয়া আদায়ে এনবিআরের উদ্যোগেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সাড়া, আদালতে আটকে ৮২ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২৬, ১২:৩৮ পিএম

বকেয়া আদায়ে এনবিআরের উদ্যোগেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সাড়া, আদালতে আটকে ৮২ হাজার কোটি টাকা

ছবিঃ সংগৃহীত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও বকেয়া রাজস্ব আদায়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই। বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর পদ্ধতিতে কর বিরোধ মেটানো, বড় করদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা এবং দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসেনি। ফলে বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন মামলায় আটকে রয়েছে ৮২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকার রাজস্ব।

এ পরিস্থিতিতে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব জড়িত এমন ৫০টি বড় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। এসব মামলা নিষ্পত্তির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বকেয়া রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি সরকারের আয় বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা, করদাতা ও রাজস্ব বিভাগের মধ্যে বিরোধ এবং কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকটের কারণে উদ্যোগগুলোর বাস্তবায়ন ধীরগতিতে এগোচ্ছে। অন্যদিকে, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করায় বকেয়া রাজস্ব আদায় সরকারের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২৯ হাজার ৫১৯ মামলায় আটকে ৮২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা

এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং শুল্কসংক্রান্ত মোট ২৯ হাজার ৫১৯টি মামলায় ৮২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকার রাজস্ব আটকে রয়েছে। এসব মামলা বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট অর্থ আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

খাতভিত্তিক হিসাবে, আয়করসংক্রান্ত ৫ হাজার ৫০০টি মামলায় আটকে রয়েছে ৩৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। ভ্যাটসংক্রান্ত ১১ হাজার ৬৮৪টি মামলায় জড়িত ৩৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, শুল্কসংক্রান্ত ১২ হাজার ৩৩৫টি মামলায় আটকে আছে ৯ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা।

মামলার খাতভিত্তিক চিত্র:

আয়কর: ৫ হাজার ৫০০টি মামলায় ৩৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
ভ্যাট: ১১ হাজার ৬৮৪টি মামলায় ৩৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা।
শুল্ক: ১২ হাজার ৩৩৫টি মামলায় ৯ হাজার ৮৫৭ কোটি টাকা।
মোট: ২৯ হাজার ৫১৯টি মামলায় ৮২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা।

এই পরিসংখ্যান বলছে, আয়কর ও ভ্যাট খাতেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আটকে রয়েছে। বিশেষ করে ভ্যাটসংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা গেলে সরকারের রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তবে আদালতে বিচারাধীন সব অর্থই যে শেষ পর্যন্ত সরকারের প্রাপ্য হিসেবে আদায় হবে, তা নিশ্চিত নয়। মামলার রায়, সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান এবং করদাতাদের দায় নির্ধারণের ওপর চূড়ান্ত আদায় নির্ভর করবে।

উচ্চ আদালতে ভ্যাটের ২৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা

ভ্যাট খাতে রাজস্ব আটকে থাকার অন্যতম বড় কারণ উচ্চ আদালতে বিচারাধীন মামলা। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, ভ্যাটসংক্রান্ত মামলাগুলোর মধ্যে শুধু উচ্চ আদালতেই বিচারাধীন মামলায় আটকে রয়েছে ২৮ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

এসব মামলার দীর্ঘসূত্রতা রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট অর্থের আদায় অনিশ্চিত থাকছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে মামলা পরিচালনার কারণে করদাতা প্রতিষ্ঠান ও রাজস্ব প্রশাসন—উভয় পক্ষকেই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

কর বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ের পথ পরিষ্কার হতে পারে। পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলা আইনি অনিশ্চয়তাও কমতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া, মামলার প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ।

৫০ বড় মামলা নিষ্পত্তিতে বিশেষ নজর

আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ে এবার বড় মামলাগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এনবিআর। প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব জড়িত এমন ৫০টি বড় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এনবিআরের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো, দীর্ঘদিন ধরে বিচারাধীন থাকা গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে থেকে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ের সুযোগ তৈরি করা।

বড় মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করা গেলে তুলনামূলক কমসংখ্যক মামলা থেকেই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে মামলা নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং আইনি জটিলতা বিবেচনায় নিতে হবে।

এদিকে, আয়কর খাতের ১৬টি বড় মামলায় প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা জড়িত রয়েছে। এসব মামলার তালিকা ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সমন্বয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা অপরিহার্য।

এডিআর পদ্ধতিতে কর বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ

দীর্ঘদিনের কর বিরোধ নিষ্পত্তি এবং বকেয়া রাজস্ব আদায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে এনবিআর। এ পদ্ধতিতে আদালতের বাইরে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় করদাতা ও রাজস্ব কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিরোধ মীমাংসার সুযোগ তৈরি হয়।

এর উদ্দেশ্য হলো, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা। এতে সময় ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ের পথ সহজ হতে পারে।

কিন্তু উদ্যোগ নেওয়া হলেও অর্থবছরের প্রথম তিন মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও এডিআরের মাধ্যমে বকেয়া রাজস্ব আদায়ে প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি।

এনবিআরের সাবেক সদস্য সৈয়দ আমিনুল করিমের মতে, এডিআরের মাধ্যমে বকেয়া কর আদায় করতে হলে রাজস্ব কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী—উভয় পক্ষকেই পারস্পরিক ছাড় দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই মানসিকতার অভাব থাকায় এ পদ্ধতির কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।

অর্থাৎ, শুধু এডিআর চালু বা এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়াই যথেষ্ট নয়; বরং বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে দুই পক্ষের সহযোগিতা, বাস্তবসম্মত অবস্থান এবং আইনি সীমার মধ্যে সমঝোতার পরিবেশ তৈরি করাও জরুরি।

রাজস্ব আদায়ে কঠোর পদক্ষেপের পরিকল্পনা

এডিআর ও মামলা নিষ্পত্তির উদ্যোগের পাশাপাশি বকেয়া রাজস্ব আদায়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মধ্যে বুক অ্যাডজাস্টমেন্ট, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের মতো ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বুক অ্যাডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে প্রযোজ্য বিধি ও হিসাবের ভিত্তিতে সমন্বয়ের সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগানো যেতে পারে। অন্যদিকে, আইনগত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের মতো ব্যবস্থা বকেয়া আদায়ে চাপ তৈরি করতে পারে।

তবে এসব পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট করদাতার আইনগত অধিকার, প্রযোজ্য বিধান এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। কারণ, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কর দাবি বা বকেয়া আদায়ের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে দাবির আইনগত ভিত্তি ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কর বিরোধ নিষ্পত্তি ও বকেয়া আদায়ে আলোচনাভিত্তিক উদ্যোগ এবং আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা—দুটির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন। শুধু কঠোর ব্যবস্থা নিলে সব বিরোধের দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে না; আবার দীর্ঘদিন সমঝোতার অপেক্ষায় থাকলেও সরকারের রাজস্ব আদায় পিছিয়ে যেতে পারে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের অর্থবছরের আদায়ের তুলনায় এই লক্ষ্য প্রায় ৪৭ শতাংশ বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এত বড় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে নিয়মিত রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি বকেয়া কর ও শুল্ক আদায়, করজাল সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি প্রতিরোধ এবং কর প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন।

কিন্তু আদালতে ৮২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকা আটকে থাকায় রাজস্ব ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। মামলাগুলোর সব অর্থ আদায়যোগ্য নয় এবং সব মামলার নিষ্পত্তিও একই সময়ে সম্ভব নয়। তারপরও আইনগতভাবে আদায়যোগ্য বকেয়া রাজস্ব দ্রুত আদায় করা গেলে সরকারের অর্থায়ন সক্ষমতা বাড়তে পারে।

অন্যদিকে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য শুধু মামলা নিষ্পত্তির ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট হবে না। নিয়মিত কর আদায় বাড়ানো, করদাতাদের মধ্যে স্বেচ্ছায় কর পরিশোধের প্রবণতা তৈরি এবং কর প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজস্ব আদায়ে গতি ফেরাতে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ

রাজস্ব আদায় সরকারের উন্নয়ন ব্যয়, অবকাঠামো নির্মাণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রমের অর্থায়নের অন্যতম প্রধান উৎস। ফলে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব দীর্ঘদিন ধরে মামলায় আটকে থাকলে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হতে পারে।

এ অবস্থায় এনবিআরের সামনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত, বড় মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় নথি ও আইনি প্রস্তুতি নিশ্চিত করা। দ্বিতীয়ত, যেসব কর বিরোধ এডিআরের মাধ্যমে আইনসম্মতভাবে নিষ্পত্তি করা সম্ভব, সেগুলো দ্রুত মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া। তৃতীয়ত, যেসব ক্ষেত্রে বকেয়া রাজস্ব আদায়ের আইনগত ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত, সেসব ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদায় কার্যক্রম জোরদার করা।

একই সঙ্গে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আইনসম্মত সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। এতে একদিকে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে ব্যবসা পরিচালনায় দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা কমানো সম্ভব হতে পারে।

সব মিলিয়ে, আদালতে বিচারাধীন ২৯ হাজার ৫১৯টি মামলায় আটকে থাকা ৮২ হাজার ৭৫৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় এখন এনবিআরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা জড়িত ৫০টি বড় মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ এবং এডিআর পদ্ধতি কার্যকর করার প্রচেষ্টা কতটা সফল হয়, তার ওপর রাজস্ব আদায়ের অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নির্ভর করছে। তবে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি আইনি প্রস্তুতি, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!