ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

menu

৬ বছর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার গণনা

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: অক্টোবর ১২, ২০২৬, ১১:২৬ এএম

৬ বছর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার গণনা

ছবিঃ সংগৃহীত

দীর্ঘ ছয় বছর পর আবারও কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ এবং গণনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সের সম্পদ গণনা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ দেশের অন্যতম পরিচিত ধর্মীয় স্থাপনা। দীর্ঘদিন ধরে এ মসজিদে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ মানত ও দানের অর্থ দিয়ে আসছেন। দানবাক্সে টাকা-পয়সার পাশাপাশি সোনা, রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রাও পাওয়া যায় বলে মসজিদটি বিশেষভাবে পরিচিত।

দানবাক্সে পাওয়া এসব সম্পদের সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ, হিসাব সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার জন্য ওজন ও গণনার কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাপ্ত সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য হিসাব তৈরি করা সম্ভব হবে।

প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে কার্যক্রম

সোমবার সকাল পৌনে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে দানবাক্সে পাওয়া মূল্যবান ধাতু ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব নির্ধারণের কাজ শুরু হয়।

তবে এবার কত পরিমাণ সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে, সেগুলোর মোট ওজন কত এবং গণনা শেষে কী পরিমাণ সম্পদের হিসাব পাওয়া যাবে—এসব তথ্য এখনো জানা যায়নি। গণনা ও ওজন নির্ধারণের কাজ শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ পাগলা মসজিদের দানের হিসাব?

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে জমা হওয়া অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর হিসাব শুধু দানের পরিমাণ নির্ধারণের জন্যই নয়, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে গণনা, নথিভুক্তকরণ ও সংরক্ষণের মাধ্যমে দানের সম্পদের পরিমাণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

মসজিদটির দান থেকে প্রাপ্ত অর্থ কীভাবে ব্যবস্থাপনা ও ব্যয় করা হয়, সে বিষয়েও মানুষের আগ্রহ রয়েছে। এ কারণে দানবাক্সে পাওয়া অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীর হিসাব নির্ধারণের কার্যক্রম স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দেশজুড়েও আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে।

গণনা শেষে জানা যাবে সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ

ছয় বছর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্সে পাওয়া সোনা, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার ওজন নির্ধারণ ও গণনার কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এবার প্রাপ্ত সম্পদের পরিমাণ নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোট পরিমাণ বা আর্থিক মূল্য সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তথ্যের ভিত্তিতে দানবাক্সে পাওয়া সম্পদের পরিমাণ ও মূল্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!