ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬

menu

এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, এমপিও বাতিলের চিন্তা সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: নভেম্বর ৩, ২০২৬, ১২:০১ পিএম

এইচএসসিতে শূন্য পাস ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে, এমপিও বাতিলের চিন্তা সরকারের

ছবিঃ সংগৃহীত

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি—এমন ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এসব প্রতিষ্ঠানের কাছে ইতোমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর দেওয়া জবাব পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড। পরপর দুই বছর বা তার বেশি সময় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি—এমন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের এমপিও বা সরকারি বেতন-ভাতার সুবিধা বাতিলের বিষয়টিও বিবেচনা করছে সরকার।

একই সঙ্গে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এবং শিক্ষার্থীসংকটে ভোগা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি বন্ধ না করে আশপাশের ভালো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত বা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চাকরি বহাল রাখার আশ্বাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ফলাফলের এই বিপর্যয়ের পাশাপাশি বেড়েছে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। গত বছর ২০২টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯৩টিতে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

ছয় বছরে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২৯১টি

শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে শূন্য পাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০২১ সালে মাত্র পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। ২০২২ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৫০টিতে। ২০২৩ সালে ৪২টি এবং ২০২৪ সালে ৬৫টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়নি। ২০২৫ সালে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি। চলতি বছর তা বেড়ে হয়েছে ২৯৩টি।

অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় ছয় বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ২৮৮টি। এ পরিসংখ্যান দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা এবং তদারকি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছরের তুলনায় এবার ২৯ হাজার ১৩ জন কম শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। চলতি বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। সব মিলিয়ে পাসের হার ও সর্বোচ্চ ফল—দুই ক্ষেত্রেই বড় ধরনের অবনতি দেখা গেছে।

অনেক প্রতিষ্ঠানে নেই পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বড় অংশের শিক্ষার্থীসংখ্যা অত্যন্ত কম। কিছু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও অবকাঠামো থাকলেও নিয়মিত শিক্ষার্থী নেই। আবার অনেক নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষক, শিক্ষা উপকরণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে।

কিছু প্রতিষ্ঠানে মাত্র দুই থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কোথাও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ জনের মতো। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটিতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে পাঠদান কার্যক্রম ও পরীক্ষার ফলাফলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মিলে প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। তাঁদের মূল উদ্দেশ্য শিক্ষার মানোন্নয়ন নয়; বরং ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হলে চাকরি ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার প্রত্যাশা।

তিনি বলেন, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় এ ধরনের প্রবণতা বেশি দেখা যায়। অনেক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী নেই, পর্যাপ্ত পাঠদানও হয় না। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ভালো ফলাফল প্রত্যাশা করা কঠিন।

১০ পরীক্ষার্থীর জন্য ১৭ শিক্ষক, পাস করেনি কেউ

শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ। ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কলেজ থেকে চলতি বছর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের জন্য কলেজটিতে কর্মরত রয়েছেন ১৭ জন শিক্ষক। কিন্তু পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।

কলেজটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী অনিয়মিত। অনেকে পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন কারখানা ও দোকানে কাজ করেন। তাঁদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে না পারায় ফলাফল খারাপ হয়েছে।

টানা দুই বছর শূন্য পাস নেত্রকোনার কলেজে

নেত্রকোনা জেলা সদরে অবস্থিত নন-এমপিওভুক্ত ভাষাসৈনিক আবুল হোসেন কলেজ থেকেও টানা দুই বছর কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে চারজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাস করেননি। এর আগের বছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দুই শিক্ষার্থীর ফলও একই ছিল।

কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইকবাল হাসান তপু বলেন, এটি একটি নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো নিয়মিত শিক্ষক নেই। প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ব্যক্তিকে ডেকে এনে পাঠদান করানো হয়। সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধাও প্রতিষ্ঠানটি পায় না।

গাইবান্ধার দুই মহিলা কলেজেও শূন্য পাস

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ এবং সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ থেকেও চলতি বছর কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।

ফকিরহাট মহিলা কলেজ থেকে এবার মাত্র দুজন এবং জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এর মধ্যে ফকিরহাট মহিলা কলেজে গত তিন বছর ধরে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারছেন না।

ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবার রহমান রশিদ বলেন, এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দুজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের কেউ পাস করতে পারেননি। ২০০০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত শুধু পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকরা বিনা বেতনে পাঠদান করছেন। অনেক শিক্ষকই এমপিওভুক্তির আশা ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁদেরও পরিবার-পরিজন রয়েছে। বিনা বেতনে দীর্ঘদিন কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষক ধরে রাখা এবং শিক্ষার মান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের চিন্তা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রথমে তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের গত পাঁচ বছরের শিক্ষার্থীসংখ্যা, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী, পাসের হার, শিক্ষকসংখ্যা, অবকাঠামো ও পাঠদান কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

এসব তথ্য পর্যালোচনা করে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা হবে। কোনো প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিকভাবে কেউ পাস না করলে তার কারণ অনুসন্ধান করা হবে। পাশাপাশি পাঠদানের অনুমোদন ও এমপিও সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, পরপর দুই বছর বা তার বেশি সময় কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি—এমন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সরকারি বেতন-ভাতার সুবিধা বাতিলের চিন্তা রয়েছে। অন্যদিকে নন-এমপিওভুক্ত যেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ধারাবাহিকভাবে খারাপ, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে না।

প্রতিষ্ঠান বন্ধ নয়, একীভূত করার পরিকল্পনা

শূন্য পাস করা ও অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সরকার শুধু বন্ধ করে দেওয়ার পথে হাঁটতে চায় না। বরং শিক্ষার্থীসংকটে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাছাকাছি অবস্থিত ভালো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত বা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা করছে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনেক কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেগুলো রাতারাতি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে সীমিত পরিসরে কীভাবে এসব প্রতিষ্ঠান পুনর্বিন্যাস করা যায়, তা নিয়ে সরকার চিন্তাভাবনা করছে।

তিনি বলেন, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সেগুলোকে কাছাকাছি অবস্থিত অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তবে এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চাকরি বহাল থাকবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, যেসব প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি কিংবা পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কম, সেসব প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান বলেন, শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর জন্য চিঠি দেওয়া হচ্ছে। তাদের গত পাঁচ বছরের শিক্ষার্থীসংখ্যা, পাসের হার ও শিক্ষকদের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে বলা হবে।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাব পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে একাধিকবার শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, শুধু এমপিও বাতিল বা প্রতিষ্ঠান একীভূত করলেই শিক্ষার মানের সংকট দূর হবে না। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানো, প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের ক্ষেত্রে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের কার্যকর তদারকি প্রয়োজন।

বিশেষ করে যেসব এলাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা নেই, সেখানে নতুন প্রতিষ্ঠান অনুমোদন বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীসংখ্যা ও শিক্ষার মান বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের শূন্য পাসের ঘটনা দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়ে উঠেছে। এখন দেখার বিষয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত এক সপ্তাহের উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয় এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় কি না।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!