ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

menu

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলছে, ১০ হাজার কর্মী যাবেন বিনা খরচে

ছবিঃ সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আবারও বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশৃঙ্খল নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) সহ মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নিয়োগপ্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি ও বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করা হয়েছে। পাশাপাশি কর্মী বাছাই, ভিসা প্রক্রিয়া, স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) ছাড়পত্র গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তবে ১০ হাজার কর্মী বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতির কথা জানানো হলেও এ কর্মসূচির বিস্তারিত বাস্তবায়নপদ্ধতি, কর্মী নির্বাচনের মানদণ্ড এবং সম্ভাব্য সময়সূচি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

৩৩৮টি এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগের সুযোগ

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার নির্ধারিত যোগ্যতার ভিত্তিতে মোট ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে কর্মী নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল, ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি।

তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ উদ্যোগে মালয়েশিয়া থেকে কাজের চাহিদা বা নিয়োগাদেশ সংগ্রহ করতে পারবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে নিজস্ব লাইসেন্সের অধীনে কর্মীদের বিএমইটি ছাড়পত্র নেওয়ার সুযোগ পাবে।

সরকারের প্রত্যাশা, একাধিক যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় যুক্ত করার ফলে কর্মী সংগ্রহ ও নিয়োগাদেশ ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতা বাড়বে। এতে একক কোনো প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি কর্মীদের জন্য নিয়োগপ্রক্রিয়া আরও সহজ হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে শুধু এজেন্সির সংখ্যা বাড়ালেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে না। নিয়োগ ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ, কর্মীদের সঙ্গে চুক্তির শর্ত স্পষ্ট করা, নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ এবং অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

চার ধাপে সম্পন্ন হবে কর্মী নিয়োগপ্রক্রিয়া

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়াকে চারটি প্রধান ধাপে পরিচালনার কথা জানানো হয়েছে। ধাপগুলো হলো—

প্রথম ধাপ: মালয়েশিয়া থেকে নিয়োগাদেশ সংগ্রহ

অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো নিজ উদ্যোগে মালয়েশিয়ার নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে কাজের চাহিদা বা জব অর্ডার সংগ্রহ করবে। কোন খাতে কতজন কর্মী প্রয়োজন, কী ধরনের কাজ করতে হবে এবং নিয়োগের শর্ত কী হবে—এসব বিষয় নিয়োগাদেশে নির্ধারিত থাকার কথা।

কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর আগে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের বৈধতা, কাজের ধরন, বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি। এতে ভুয়া চাকরির প্রলোভন ও প্রতারণার ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: কর্মী নির্বাচন

নিয়োগাদেশ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এজেন্সি বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ করে কর্মী বাছাই করবে। এ ক্ষেত্রে চাকরির ধরন ও নিয়োগদাতার চাহিদা অনুযায়ী যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে।

কর্মী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা, প্রার্থীদের কাছ থেকে অযৌক্তিক অর্থ আদায় বন্ধ করা এবং চাকরির শর্ত সম্পর্কে আগেই স্পষ্ট ধারণা দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে কর্মীদের নিয়োগচুক্তি বুঝে নেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ: কলিং ভিসা ও ই-ভিসা প্রক্রিয়া

নির্বাচিত কর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় কলিং ভিসা, ই-ভিসা এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। এ পর্যায়ে বোয়েসেল ও নির্ধারিত ২৫টি সার্ভিস প্রসেসিং এজেন্সি প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ভিসা প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিশ্চিত করা জরুরি। কর্মীদেরও ভিসার ধরন, নিয়োগদাতার পরিচয় ও চাকরির শর্ত যাচাই করে নেওয়া উচিত।

চতুর্থ ধাপ: বিএমইটি ছাড়পত্র গ্রহণ

ভিসা ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেল বা নির্ধারিত সার্ভিস এজেন্সির অনাপত্তিপত্র নিয়ে বিএমইটি থেকে কর্মীদের ছাড়পত্র গ্রহণ করতে পারবে।

বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে বিএমইটির ছাড়পত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ধাপ। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, নিয়োগচুক্তি ও অন্যান্য শর্ত পূরণ না করে বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি নেওয়া উচিত নয়।

স্বাস্থ্য পরীক্ষায় একচেটিয়া প্রভাব ঠেকানোর উদ্যোগ

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনো একক সংস্থাকে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে না। আগের সরকারের সময়ে গঠিত বিতর্কিত ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত মেডিক্যাল সেন্টারগুলোকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে তালিকাভুক্ত অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টারগুলোর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হবে। পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে নতুন মেডিক্যাল সেন্টারের চূড়ান্ত তালিকা অনুমোদন করবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা অযৌক্তিক ব্যয় হলে বিদেশগামী কর্মীদের আর্থিক চাপ বাড়তে পারে। তাই পরীক্ষার খরচ, কেন্দ্রের অনুমোদন এবং ফলাফল প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে কর্মীদের পরিষ্কার তথ্য দেওয়া প্রয়োজন।

১০ হাজার কর্মী বিনা খরচে নেওয়ার উদ্যোগ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের নীতিগত সম্মতি।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে এ বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত কর্মীদের বিদেশে যাওয়ার জন্য ব্যক্তিগতভাবে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করার প্রয়োজন কমতে পারে।

তবে বিনা খরচে কর্মী নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন কোন ব্যয় নিয়োগদাতা বহন করবে, কর্মী নির্বাচন কীভাবে হবে, কোন খাতের কর্মীরা অগ্রাধিকার পাবেন এবং আবেদনপ্রক্রিয়া কবে শুরু হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা এখনো প্রয়োজন।

কর্মীদের মনে রাখা জরুরি, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিনা খরচে মালয়েশিয়া পাঠানোর নামে অগ্রিম অর্থ দাবি করলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করা উচিত। সরকারি ঘোষণা ও অনুমোদিত নিয়োগপ্রক্রিয়ার বাইরে অর্থ লেনদেন করলে প্রতারণার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বন্ধ ও সীমিত হয়ে যাওয়া বৈদেশিক শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালু করাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথম সরকারি সফরের গন্তব্য হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কর্মী নিয়োগ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেন।

দুই দেশের আলোচনার ধারাবাহিকতায় শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। দেশটিতে কর্মী পাঠানোর সুযোগ বাড়লে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রবাসী আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য নিয়োগপ্রক্রিয়ায় শৃঙ্খলা, কর্মীদের অধিকার রক্ষা এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি।

আগ্রহীদের অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যোগাযোগের পরামর্শ

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগ্রহী কর্মীরা তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন।

তবে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির লাইসেন্স ও অনুমোদন যাচাই, নিয়োগদাতার পরিচয় নিশ্চিত করা, চাকরির চুক্তিপত্র ভালোভাবে পড়ে নেওয়া এবং বেতন, কর্মঘণ্টা, আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া প্রয়োজন।

একই সঙ্গে বিদেশযাত্রার মোট খরচ, কোন খাতে কত টাকা দিতে হবে এবং কোন ব্যয় নিয়োগদাতা বহন করবেন—এসব তথ্য লিখিতভাবে জেনে নেওয়া উচিত। কোনো এজেন্সি নির্ধারিত নিয়মের বাইরে অর্থ দাবি করলে বা চাকরির শর্ত গোপন করলে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করা যেতে পারে।

স্বচ্ছ নিয়োগপ্রক্রিয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ বিদেশে কর্মসংস্থানপ্রত্যাশী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। ৩৩৮টি এজেন্সিকে নিয়োগের সুযোগ দেওয়া এবং ১০ হাজার কর্মী বিনা খরচে নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সম্মতির ঘোষণা এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তবে শ্রমবাজার চালু হওয়ার ঘোষণার পাশাপাশি বাস্তবে কতজন কর্মী নিয়োগ পাচ্ছেন, কর্মীদের মোট অভিবাসন ব্যয় কত হচ্ছে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হচ্ছে কি না—এসব বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

সরকারের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জবাবদিহি, স্বাস্থ্য পরীক্ষায় স্বচ্ছতা, নিয়োগচুক্তির যথাযথ প্রয়োগ এবং কর্মীদের অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে কর্মীদের নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে এ উদ্যোগের প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে নিয়োগপ্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ, নিরাপদ ও কর্মীবান্ধবভাবে বাস্তবায়িত হয় তার ওপর।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!