ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

menu

সরকারের ১৮০ দিন: উদ্যোগের ছড়াছড়ি, বাস্তবায়নেই বড় পরীক্ষা

দৈনিক আজ ও আগামীকাল ডেস্ক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম

সরকারের ১৮০ দিন: উদ্যোগের ছড়াছড়ি, বাস্তবায়নেই বড় পরীক্ষা

ছবিঃ সংগৃহীত

উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট, গ্যাসের অপর্যাপ্ত সরবরাহ, সীমিত কর্মসংস্থান, দুর্বল ব্যাংকিং খাত এবং প্রশাসনিক ধীরগতির মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসার প্রথম ছয় মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। দায়িত্ব গ্রহণের পর ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব পদক্ষেপের সুফল এখনো পুরোপুরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান হয়নি। তবে সরকারের দাবি, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা, প্রশাসনে গতি আনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নিজেও এসব কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে অর্থনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের প্রথম ছয় মাস মূলত ভবিষ্যৎ কর্মকৌশলের ভিত্তি তৈরির সময়। কিন্তু মূল্যস্ফীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কর্মসংস্থানের সংকট, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা ও জননিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশিত স্বস্তি এখনো আসেনি। ফলে আগামী ছয় মাস সরকারের কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা সামনে রেখে যাত্রা

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরদিনই তারেক রহমান সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেন। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক চাপ, দুর্বল ব্যাংকিং ব্যবস্থা, মূল্যস্ফীতি এবং প্রশাসনিক জটিলতার মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নেয়।

সরকারের পক্ষ থেকে শুরুতেই অর্থনীতি সচল করা, নিম্নআয়ের মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, বাজারব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরানো, বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করছেন। ছুটির দিনেও প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রমে গতি আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সামাজিক সুরক্ষায় নতুন উদ্যোগ

প্রথম ছয় মাসে সরকারের আলোচিত উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে নিম্নআয়ের পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার কার্ড’, কৃষিঋণ মওকুফ, খাদ্য মজুত বাড়ানো, তরুণ উদ্যোক্তাদের ঋণ সহায়তা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে নতুন কর্মসূচি।

সরকারের নীতিনির্ধারকদের মতে, এসব কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে নিম্নআয়ের মানুষকে সরাসরি সহায়তা দেওয়া এবং সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীকে আরও কার্যকর করা।

বিশ্লেষকদের একটি অংশও সামাজিক সুরক্ষায় লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে তাদের মতে, কর্মসূচির ঘোষণার চেয়ে বড় বিষয় হলো এর সঠিক বাস্তবায়ন, উপকারভোগী নির্বাচন এবং দুর্নীতি ও অনিয়ম ঠেকানো।

বাজেট ও অর্থনীতিতে সরকারের অগ্রাধিকার

দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক মাসের মধ্যেই জাতীয় বাজেট ঘোষণা সরকারের অন্যতম বড় প্রশাসনিক কার্যক্রম হিসেবে সামনে আসে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রত্যক্ষ করের অতিরিক্ত চাপ না বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখাকে বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়ানো, তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়া এবং উৎপাদনমুখী খাতকে সহায়তার মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন গতি সৃষ্টির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তবে অর্থনীতির সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বিনিয়োগের স্থবিরতা, আমদানি ব্যয় এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি।

বাজারে স্বস্তি ফেরানোই বড় পরীক্ষা

সরকারের নানা উদ্যোগের পরও সাধারণ মানুষের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে আছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। চাল, ডাল, তেল, সবজি, মাছ-মাংসসহ বিভিন্ন পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি, সরবরাহ বাড়ানো এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাজারে স্থায়ী স্বস্তি ফেরাতে উৎপাদন, পরিবহন, আমদানি ও সরবরাহব্যবস্থার সমন্বিত সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে শিল্প উৎপাদনে চাপ

শিল্প ও বাণিজ্য খাতের জন্য গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসের অপর্যাপ্ততার কারণে শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটি ও অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে কাজ করার কথা বলা হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের মতে, শিল্প উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি।

ব্যাংকিং খাতে সংস্কার এখনো বড় চ্যালেঞ্জ

ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম, খেলাপি ঋণ, দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং আস্থার সংকট সরকারের জন্য অন্যতম কঠিন পরীক্ষা হয়ে উঠেছে।

সরকার ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত দিয়ে এ খাতের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। প্রয়োজন শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাবমুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

পাশাপাশি বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের কার্যকর উদ্যোগও সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কর্মসংস্থান: তরুণদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হবে?

দেশের বিপুলসংখ্যক তরুণ প্রতিবছর শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। তাদের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সরকারের অন্যতম বড় প্রতিশ্রুতি।

নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, উদ্যোক্তা তৈরি এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের বাস্তব সুফল পেতে সময় লাগবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী ছয় মাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন বিনিয়োগ এবং বেসরকারি খাতের সম্প্রসারণ সরকারের কার্যকারিতা পরিমাপের অন্যতম প্রধান সূচক হতে পারে।

প্রশাসনে গতি আনার চ্যালেঞ্জ

রাজনৈতিক নেতৃত্বের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ থাকলেও মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের অভিযোগ রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দক্ষতা, জবাবদিহি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি। তা না হলে সরকারের বড় বড় পরিকল্পনা কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকার ঝুঁকি রয়েছে।

কূটনীতিতে ভারসাম্যের চেষ্টা

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সরকার বাস্তবভিত্তিক ও ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো ও আঞ্চলিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বহুমুখী সম্পর্ক জোরদার করাকে সরকারের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থকে কূটনীতির কেন্দ্রে রাখা আগামী দিনের বড় লক্ষ্য হতে পারে।

রাজনৈতিক সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ

সরকারের সামনে অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি রাজনৈতিক সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় কার্যকর, সংবিধান সংস্কার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মতো বিষয়গুলো নিয়ে সামনে আরও আলোচনা ও দর-কষাকষির প্রয়োজন হতে পারে।

রাজনৈতিক মিত্রদের মতে, ক্ষমতায় আসার আগে বিএনপি যে ‘রেইনবো নেশন’ বা ‘রংধনু জাতি’র ধারণার কথা বলেছিল, রাষ্ট্র পরিচালনায় তার বাস্তব প্রতিফলন আরও দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন।

‘ছয় মাস খুব অল্প সময়’

সরকারের প্রথম ছয় মাসের মূল্যায়নে রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেন, দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকটের পর সরকার দায়িত্ব নিয়ে শুরু থেকেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর ভাষ্য, ছয় মাস একটি সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নের জন্য খুব দীর্ঘ সময় নয়; আগামী ছয় মাসে আরও দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশা করছেন।

তবে সমালোচকদের মতে, সরকারের উদ্যোগ ও পরিকল্পনার পাশাপাশি বাস্তব ফলাফলও এখন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সাধারণ মানুষের কাছে সরকারের সাফল্যের সবচেয়ে বড় মাপকাঠি হচ্ছে দ্রব্যমূল্য কমা, নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া, কর্মসংস্থান বাড়া এবং বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ মৌলিক সেবার উন্নতি।

বিশ্লেষকদের চোখে প্রথম ছয় মাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. আবদুর রাজ্জাক খান সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ডে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন বলে জানিয়েছেন। তাঁর মতে, মানুষের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি।

তিনি মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি সংকট ও জননিরাপত্তার মতো বিষয়গুলোতে আরও কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, ছয় মাসের সময়সীমা চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য যথেষ্ট নয়; আগামী ছয় মাসে সরকারের কার্যক্রম আরও স্পষ্টভাবে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ও দ্রুত বাজেট প্রণয়নের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। তবে তাঁর মতে, নিত্যপণ্যের মূল্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং জননিরাপত্তা নিয়ে মানুষের উদ্বেগ এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।

সামনে যে পরীক্ষাগুলো

প্রথম ছয় মাসে সরকার বেশ কিছু নীতিগত উদ্যোগের ভিত্তি তৈরি করলেও আগামী ছয় মাসে এসব উদ্যোগের বাস্তব ফল দেখানোই হবে বড় পরীক্ষা। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা, ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রশাসনিক জটিলতা দূর করা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি প্রত্যাশা করছেন সাধারণ মানুষ।

সব মিলিয়ে সরকারের প্রথম ছয় মাসকে একদিকে নীতিগত উদ্যোগ ও কর্মপরিকল্পনার সময় হিসেবে দেখা গেলেও অন্যদিকে বাস্তবায়নের ঘাটতি ও জনজীবনের চাপও স্পষ্ট হয়েছে। এখন সরকারের সামনে মূল প্রশ্ন—ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো কত দ্রুত বাস্তব ফলাফলে রূপ নেয় এবং সেই সুফল সাধারণ মানুষের ঘরে কতটা পৌঁছায়। আগামী ছয় মাসেই তার অনেকটাই পরিষ্কার হবে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!