ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক, জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠান’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ০৬:১১ পিএম

‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক, জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠান’

ছবিঃ সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী বারবার পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এ কারণেই দেশের মানুষের কাছে সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর আস্থা ও সম্মান তৈরি হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব রহমতপুর এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী জঙ্গল এলাকায় পরিচালিত সেনাসদস্যদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং কৌশলগত মহড়া ঘুরে দেখেন। এ সময় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাকে বাহিনীর অপারেশনাল প্রস্তুতি, আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং কৌশলগত সক্ষমতা সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টি-ড্রোন মাল্টি-ব্যারেল সিস্টেমের কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন এবং এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা নেন।

মহড়া শেষে সেনাসদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান এবং মহড়ায় অংশ নেওয়া সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা খাবারও গ্রহণ করেন।

দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা, দক্ষতা, আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা দেশের মানুষের মনে বাহিনীটির প্রতি বিশেষ মর্যাদা সৃষ্টি করেছে। এই আস্থা ও মর্যাদা ধরে রাখতে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, তিনি একটি সেনা পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। তাই সেনাসদস্যদের কাছে এলে তার শৈশবের স্মৃতি মনে পড়ে এবং তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে সবসময় ভালো লাগে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভবিষ্যতে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরেও আরও বেশি সুনাম, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতি অর্জন করবে। সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিকসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!