ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬

menu

বাংলার টেসলা’কে শুধু সড়কে নয়, বিদ্যুতের অবৈধ চার্জিং নেটওয়ার্কেও নিয়ন্ত্রণে আনবে কে? বছরে ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৯, ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম

বাংলার টেসলা’কে শুধু সড়কে নয়, বিদ্যুতের অবৈধ চার্জিং নেটওয়ার্কেও নিয়ন্ত্রণে আনবে কে? বছরে ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা

ছবিঃ সংগৃহীত

দিনের ব্যস্ততা শেষে রাত গভীর হলে যখন রাজধানীর অধিকাংশ মানুষ ঘুমিয়ে পড়েন, তখন ঢাকার অলিগলি, ফুটপাত, গ্যারেজ ও শিল্পাঞ্চলের আশপাশে শুরু হয় অন্য এক কর্মযজ্ঞ। সারি সারি ব্যাটারিচালিত রিকশা দাঁড় করিয়ে চলছে ব্যাটারি চার্জ। কোথাও বৈধ মিটার, আবার কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি থেকে টানা তার। রাত যত বাড়ে, ততই বাড়তে থাকে এসব চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ ব্যবহার।

ফলে দিনের বেলায় বিদ্যুতের চাহিদা কিছুটা কমলেও রাত ১২টার পরও রাজধানীতে বিদ্যুতের ওপর তৈরি হচ্ছে অস্বাভাবিক চাপ। এর বড় একটি অংশের পেছনে রয়েছে দ্রুত বেড়ে চলা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ই-বাইকের অনিয়ন্ত্রিত চার্জিং।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-বাইক চার্জ দিতে প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে প্রায় ৭৫০ থেকে ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যয় হচ্ছে। এর বড় অংশ রাজধানীকেন্দ্রিক।

 আর এসব চার্জিংয়ের একটি বড় অংশ অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে হওয়ায় সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে, দেশে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা ৬০ লাখের বেশি। এর মধ্যে শুধু ঢাকাতেই রয়েছে আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ লাখ। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) হিসাবে অবশ্য দেশে এ ধরনের যানবাহনের সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০ লাখের মধ্যে। অর্থাৎ বিভিন্ন সংস্থার পরিসংখ্যানে পার্থক্য থাকলেও বাস্তবতা হলো—দেশে বিশেষ করে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

অনুমোদিত স্টেশন ৩ হাজার ৩০০, অবৈধ পয়েন্ট প্রায় ৪৮ হাজার

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য সরকারিভাবে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন রয়েছে প্রায় ৩ হাজার ৩০০টি। এর মধ্যে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি)-এর আওতাধীন বৈধ স্টেশন রয়েছে ২ হাজার ২০১টি। এসব বৈধ স্টেশনে প্রতিদিন ডিপিডিসির মোট চাহিদার গড়ে প্রায় ২৬.১৬২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু অনুমোদিত স্টেশনের বাইরে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার চার্জিং পয়েন্ট। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর ১০টি অপরাধ বিভাগের মধ্যে ৮টিতেই বৈধ চার্জিং ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রায় ৪৮ হাজার ১৩৬টি অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট এবং ৯৯২টি রিকশা গ্যারেজ রয়েছে।

অর্থাৎ বৈধ অবকাঠামোর তুলনায় অননুমোদিত চার্জিং পয়েন্টের সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি। এসব জায়গায় অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হয়েছে খুঁটি থেকে সরাসরি তার টেনে, আবার কোথাও বৈধ মিটারের আড়ালে অতিরিক্ত লাইন ব্যবহার করা হচ্ছে।

একটি রিকশাতেই ৪ থেকে ৬ ব্যাটারি

ব্যাটারিচালিত রিকশায় সাধারণত চার থেকে ছয়টি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। পূর্ণ চার্জ হতে সময় লাগে প্রায় ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা। ব্যবহারের ধরন ও ব্যাটারির ক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিটি রিকশায় দৈনিক প্রায় ৬ থেকে ৯ ইউনিট বা তারও বেশি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে।

সিপিডির হিসাবে, বিপুলসংখ্যক রিকশার সম্মিলিত চার্জিংয়ের কারণে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন কয়েকশ মেগাওয়াটের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ব্যাটারি চার্জে বসানোর ফলে স্থানীয় বিতরণব্যবস্থার ওপরও চাপ বাড়ছে।

এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়। অনিয়ন্ত্রিত সংযোগের কারণে অতিরিক্ত লোডে ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, তার গরম হয়ে যাওয়া, শর্টসার্কিট এবং অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে।

১০০ টাকায় চার্জ, কোথাও জমার সঙ্গেই টাকা আদায়

বাড্ডা এলাকার রিকশাচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, অধিকাংশ গ্যারেজেই টাকা নিয়ে ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, কিছু গ্যারেজে বৈধ সংযোগ থাকলেও অনেক জায়গায় অবৈধ লাইন ব্যবহার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘সবাই গ্যারেজে ১০০ টাকার বিনিময়ে রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেয়। কিছু গ্যারেজে বৈধ লাইন থাকলেও অনেকগুলোতেই অবৈধ সংযোগ। ঢাকার প্রতিটি রাস্তার পাশেই তার টেনে ফুটপাতে রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হচ্ছে।’

মোহাম্মদপুরের এক গ্যারেজ মালিক ইদ্রিস আলী জানান, তাঁদের গ্যারেজে বৈধ সংযোগে চার্জ দেওয়া হলেও আশপাশের অনেক গ্যারেজে অবৈধ সংযোগ ব্যবহার করা হয়। তাঁর দাবি, একটি গ্যারেজে দিন-রাত মিলিয়ে প্রায় ১৮০টি রিকশা চার্জ দেওয়া হয়। প্রতিটি রিকশার ব্যাটারি পূর্ণ চার্জ হতে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সময় লাগে।

তিনি বলেন, ‘জমার টাকার সঙ্গেই চার্জের খরচ বাবদ ৪০০ টাকা ধরে নেওয়া হয়।’

রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

অবৈধ চার্জিংয়ের আরেকটি বড় দিক হলো রাজস্ব ক্ষতি। বিদ্যুৎ ব্যবহার হলেও যথাযথ মিটার ও অনুমোদিত সংযোগ না থাকায় সরকার নির্ধারিত হারে বিল পায় না। সিপিডির গবেষণা অনুযায়ী, এভাবে প্রতি বছর প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

তবে বিদ্যুৎ চুরি ও রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি বিষয়টির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা একটি অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতি। রিকশার গ্যারেজ, চার্জিং পয়েন্ট, মেরামতের দোকান এবং ব্যাটারি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের জীবিকা তৈরি হয়েছে। ফলে শুধু অভিযান চালিয়ে এসব পয়েন্ট উচ্ছেদ করলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তেজগাঁও থেকে যাত্রাবাড়ী—ছড়িয়ে পড়েছে চার্জিং নেটওয়ার্ক

রাজধানীর মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ, বেড়িবাঁধ, বসিলা, ঢাকা উদ্যান, রায়েরবাজার, কামরাঙ্গীরচর, মিরপুর, উত্তরা, মুগদা, মান্ডা, বাড্ডা, নতুনবাজার, আফতাবনগর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং চার্জিং পয়েন্টের উপস্থিতি বেশি বলে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে।

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলেও রাতের বেলায় বিভিন্ন গ্যারেজ ও অস্থায়ী স্থাপনায় বিপুলসংখ্যক রিকশার ব্যাটারি চার্জ দেওয়া হয়। শিল্পাঞ্চল হওয়ায় সেখানে বিদ্যুতের অবকাঠামো থাকলেও অননুমোদিতভাবে অতিরিক্ত সংযোগ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বেড়েছে সংখ্যা

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ঢাকার বিভিন্ন অলিগলি ও শহরতলিতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাজধানীতে এর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দুর্বলতার সুযোগে অনেক এলাকায় নতুন নতুন রিকশা নামানো হয়। ধীরে ধীরে এসব যান অলিগলি ছাড়িয়ে প্রধান সড়কেও উঠে আসে। বর্তমানে ঢাকার মূল সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে, ফ্লাইওভার ও ওভারব্রিজের নিচে, এমনকি ব্যস্ত মোড়েও এসব রিকশার অবাধ চলাচল দেখা যায়।

বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি বাড়ছে সড়কঝুঁকি

ব্যাটারিচালিত রিকশার সমস্যা শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহারে সীমাবদ্ধ নয়। অনিয়ন্ত্রিত গতি, দুর্বল ব্রেকিং ব্যবস্থা, নিম্নমানের টায়ার, অতিরিক্ত যাত্রী বহন এবং চালকদের প্রশিক্ষণের ঘাটতির কারণে এসব যান রাজধানীর সড়কে নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে।

হঠাৎ ব্রেক, আকস্মিক মোড় নেওয়া, উল্টো পথে চলা কিংবা ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। পথচারী, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাসের সঙ্গে সংঘর্ষেও হতাহতের ঘটনা ঘটছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশাজনিত দুর্ঘটনা রুখতে এর বর্তমান আকৃতি ও কাঠামোয় পরিবর্তন আনা জরুরি। তুলনামূলক বড় অবকাঠামোর পাশাপাশি ব্রেক, টায়ার ও স্পোকের মতো যন্ত্রাংশও আন্তর্জাতিক মানের হওয়া প্রয়োজন।

নিয়ন্ত্রণে একের পর এক উদ্যোগ, বাস্তবে সুফল কম

ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বিভিন্ন সময়ে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। কখনও সম্পূর্ণ বন্ধের ঘোষণা, কখনও নির্দিষ্ট এলাকায় চলাচলের অনুমতি, চালকদের প্রশিক্ষণ, কিউআর কোড, লাইসেন্স, রিকশার আলাদা রং নির্ধারণ এবং অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট ও ওয়ার্কশপ উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কিন্তু এসব উদ্যোগের অধিকাংশই দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হয়নি। অভিযান বন্ধ হলেই আবার নতুন করে গড়ে উঠেছে গ্যারেজ ও চার্জিং পয়েন্ট। ফলে নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে ধীরে ধীরে বেড়েছে যানবাহনের সংখ্যা।

নির্ধারিত কারখানায় উৎপাদনের পরিকল্পনা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, অনুমোদনহীন কারখানা ও যত্রতত্র অটোরিকশা তৈরি বন্ধে সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘এখন থেকে নির্ধারিত কিছু কারখানা ছাড়া অন্য কোথাও এসব রিকশা তৈরি করা যাবে না। অনুমোদিত কারখানাগুলোতে রিকশা তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তা নেওয়া হবে। বুয়েটের অনুমোদন ও কারিগরি মান যাচাইয়ের পর মিলবে উৎপাদনের সুযোগ।’

তিনি জানান, নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে বিদ্যমান ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে ধাপে ধাপে মানসম্মত বিদ্যুৎচালিত ও সৌরশক্তিচালিত ব্যবস্থায় রূপান্তরের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সৌরশক্তি কি হতে পারে সমাধান?

সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাটারিচালিত যানবাহন পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। কারণ স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এসব যানবাহন সস্তা গণপরিবহন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বৈধতা, নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে যেতে হবে।

সৌরশক্তিনির্ভর চার্জিং ব্যবস্থা চালু করা গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি অবৈধ সংযোগের প্রবণতাও কমানো সম্ভব হতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট নীতিমালা, মানসম্মত ব্যাটারি, নিরাপদ চার্জিং অবকাঠামো এবং নিয়ন্ত্রিত উৎপাদনব্যবস্থা।

সব মিলিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশার বর্তমান পরিস্থিতি এখন আর শুধু যানজট কিংবা সড়ক নিরাপত্তার সমস্যা নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ চুরি, রাজস্ব ক্ষতি, অগ্নিঝুঁকি, বিতরণব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং নগর ব্যবস্থাপনার বড় প্রশ্ন।

রাতের অন্ধকারে ফুটপাত ও গলিতে হাজার হাজার ব্যাটারি একসঙ্গে চার্জে বসার যে অদৃশ্য বিদ্যুৎ-চাহিদা তৈরি হচ্ছে, তা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিড ও নগর ব্যবস্থাপনা—দুই ক্ষেত্রেই এর চাপ আরও বাড়তে পারে। প্রশ্ন এখন একটাই—রাতের আঁধারে ৮০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ-উৎসব

৪৮ হাজার অবৈধ চার্জিং পয়েন্টে ‘বাংলার টেসলা’, বছরে ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!