ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

menu

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর মোদি সরকারকে হটানোর ডাক রাহুল গান্ধীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রকাশিত: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১১:০৬ এএম

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর মোদি সরকারকে হটানোর ডাক রাহুল গান্ধীর

ছবিঃ সংগৃহীত

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ কেবল শুরু, এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সময় এসেছে।
 

শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি এখনো পুরোপুরি পূরণ হয়নি।’

রাহুল গান্ধী দেশজুড়ে শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ নাগরিকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাদের ধারাবাহিক আন্দোলনের ফলেই সরকার চাপে পড়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে বাধ্য হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এখনও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি বাকি রয়েছে। প্রথমত, শিক্ষার্থী ও দেশের ভবিষ্যতের প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। দ্বিতীয়ত, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংসতা ও দমন-পীড়নের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

কংগ্রেস নেতা দাবি করেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নফাঁস, নিয়োগে অনিয়ম এবং পরীক্ষা পরিচালনায় অব্যবস্থাপনার কারণে সংকটে রয়েছে। এসব বিষয়ে সরকারের ব্যর্থতার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে, পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, ভর্তি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সংকটের প্রতিবাদে দেশজুড়ে চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের মুখে শনিবার পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তার পদত্যাগ ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশীকে। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষা খাতে চলমান সংকট নিরসন এবং আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে দেশজুড়ে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলো সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করবে। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি আগামী দিনে ভারতের জাতীয় রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

banner
Link copied!