ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

menu

বাঁশির সুরে স্কুল শুরু-দেশসেরা প্রধান শিক্ষক বি আর বিলকিস

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: অক্টোবর ৫, ২০২৬, ১১:০৩ এএম

বাঁশির সুরে স্কুল শুরু-দেশসেরা প্রধান শিক্ষক বি আর বিলকিস

ছবিঃ সংগৃহীত

প্রতিদিনের মতো সকাল ৯টা। বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে হাতে বাঁশি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করাচ্ছেন একজন শিক্ষক। শিক্ষার্থীরা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে বিদ্যালয়ে ঢোকার পর শুরু হয় জাতীয় সংগীত ও শারীরিক কসরত। এরপর শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষকদের নিজ নিজ শ্রেণিতে পাঠদানের জন্য পাঠিয়ে দেন তিনি। শুধু দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েই থেমে থাকেন না; একের পর এক শ্রেণিকক্ষ ঘুরে পাঠদান কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি বি আর বিলকিস—নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। দীর্ঘদিনের নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চূড়ান্ত মূল্যায়নে এ স্বীকৃতি পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে জাতীয় পদক গ্রহণ করেন বি আর বিলকিস। এর মধ্য দিয়ে তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অর্জনের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে আরও একটি বড় সাফল্য।

১২ বার সোনারগাঁ, ৮ বার নারায়ণগঞ্জের শ্রেষ্ঠ

বি আর বিলকিসের এই জাতীয় পর্যায়ের অর্জন হঠাৎ করে আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্য ও নেতৃত্বের কারণে স্থানীয় ও বিভাগীয় পর্যায়েও তিনি একাধিকবার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছেন।

এর আগে তিনি ১২ বার সোনারগাঁ উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক এবং ৮ বার নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা বিভাগে দুইবার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

এবার উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জাতীয় পর্যায়েও শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট অর্জন করলেন তিনি।

১৯৯৩ থেকে ২০২৬—শিক্ষকতার দীর্ঘ পথচলা

বি আর বিলকিস ১৯৯৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর ২০০৩ সালে পুনরায় পরীক্ষার মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পান।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামে জন্ম নেওয়া বি আর বিলকিস পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং রাজধানীর লালমাটিয়া কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

দীর্ঘ ৩৩ বছরের শিক্ষকতা জীবনে তিনি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান থেকে শুরু করে বিদ্যালয় পরিচালনা, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন, অভিভাবকদের সম্পৃক্ততা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে একের পর এক উদ্যোগ নিয়েছেন।

১ হাজার ২০ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়, উপস্থিতি ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ

বর্তমানে ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১ হাজার ২০ জন। বিদ্যালয়ে শিক্ষক রয়েছেন ১৩ জন।

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ বলে জানান প্রধান শিক্ষক বি আর বিলকিস। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী রাখা এবং শ্রেণিকক্ষেই পড়াশোনার বড় অংশ সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের শিখন-অগ্রগতি বিবেচনায় তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়—উত্তম, মধ্যম ও পিছিয়ে পড়া। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আলাদাভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ ক্লাস ও বাড়তি সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়।

শিক্ষকদের মধ্যেও এসব শিক্ষার্থীর দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়, যাতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা যায়।

পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বাড়িতে খোঁজ নেন শিক্ষকরা

শিক্ষার্থীদের শুধু শ্রেণিকক্ষে পড়ানোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়লে তার কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয়।

প্রয়োজনে শিক্ষকরা রাতে শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে তাদের পড়াশোনার খোঁজ নেন। অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীর দুর্বলতার জায়গাগুলো চিহ্নিত করা হয় এবং সে অনুযায়ী সহায়তা দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ৯৭ শতাংশ পড়তে ও লিখতে সক্ষম। প্রতিদিন শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শেখার অগ্রগতি এবং শিক্ষকদের পাঠদান কার্যক্রম নজরদারি করা হয়।

৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জনই পেয়েছে বৃত্তি

ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় ২০২৫ সালের বৃত্তি পরীক্ষায়।

ওই বছর বিদ্যালয় থেকে ৩৪ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩০ জন বৃত্তি অর্জন করে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এটিকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান, বাড়তি সহায়তা এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার সম্মিলিত ফল হিসেবে দেখছেন।

‘হ্যাপি সানডে’ থেকে সততা স্টোর

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে নানা ধরনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

প্রতি রোববার পালন করা হয় ‘হ্যাপি সানডে’। এর মাধ্যমে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আনন্দ, সৃজনশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের সুযোগ দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ে রয়েছে সততা স্টোর ও পরামর্শ বক্স। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ সাজানো-গোছানো রাখা হয়। শ্রেণিকক্ষ ও সিঁড়িতে শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও ইতিবাচক চিন্তায় উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ভালো কথা লেখা রয়েছে।

বাংলা, গণিত ও ইংরেজি ক্লাবে অলিম্পিয়াড

শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে বিদ্যালয়ে চালু রয়েছে বিভিন্ন ক্লাব।

এর মধ্যে রয়েছে বাংলা ক্লাব, গণিত ক্লাব ও ইংরেজি ক্লাব। এসব ক্লাবের মাধ্যমে বিভিন্ন অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে তুলতে বিজ্ঞান মেলারও আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, গান, শারীরিক ব্যায়াম ও গল্প বলার চর্চাতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ে রয়েছে ছাদবাগানও। শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ছাদবাগান ও বিদ্যালয় পরিচ্ছন্ন রাখার বিভিন্ন কাজে অংশ নেয়।

প্রযুক্তির ব্যবহারেও গুরুত্ব

আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবহার করা হয়। নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদানকে আরও আকর্ষণীয় ও কার্যকর করার চেষ্টা করেন শিক্ষকরা।

এ ছাড়া শ্রেণিভিত্তিক মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ির কাজ দেওয়া হয়। ফলে কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে বসে বাড়ির কাজ লিখে নিতে না পারলেও অভিভাবকরা গ্রুপের মাধ্যমে তা জানতে পারেন।

স্কুলে সবার আগে, ফেরেন সবার শেষে

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বি আর বিলকিস নিজেই তাঁর প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলার বড় উদাহরণ।

তিনি প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিদ্যালয়ে পৌঁছান এবং বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাসায় ফেরেন। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় নিয়মিত প্রধান ফটকে দাঁড়িয়ে থাকেন। শ্রেণিকক্ষ পর্যবেক্ষণ, শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনায় সময় দেন।

দরিদ্র শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দিয়েও সহযোগিতা করেন তিনি।

সহকর্মীদের চোখে ‘শৃঙ্খলাপ্রিয় ও শিক্ষাবান্ধব’

বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শামীমা আক্তার বলেন, বি আর বিলকিসের শ্রেষ্ঠ হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ তাঁর শৃঙ্খলা। তিনি শিক্ষাবান্ধব এবং সময়ের কাজ সময়ে শেষ করতে পছন্দ করেন। বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য সময় দেন।

শিক্ষিকা মাহামুদা আক্তারের কাছে বি আর বিলকিস একজন কঠোর পরিশ্রমী শিক্ষক। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষক নিয়মিত নতুন নতুন চিন্তা করেন। শিক্ষকদের নিয়ে সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক সভা করে কোথায় কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেন। শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষার বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেন।

শিক্ষক কবির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আন্তরিক। দক্ষতার সঙ্গে বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে কাজ করছেন তিনি।

অভিভাবকদের আস্থার জায়গা

অভিভাবক কেয়া মৌল্লিক মৌমিতা বলেন, প্রধান শিক্ষক প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় নিজে উপস্থিত থাকেন। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, গান, ব্যায়াম ও নৈতিক শিক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তাঁর নেতৃত্বে বিদ্যালয়ের পরিবেশ অনেক সুন্দর হয়েছে বলেও জানান ওই অভিভাবক। সন্তানদের নিয়ে আগের চেয়ে বেশি নিশ্চিন্ত বোধ করেন বলে তাঁর দাবি।

‘প্রধান শিক্ষক আমাদের খুব যত্ন করেন’

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারাজ ইবনে বশির জানায়, প্রধান শিক্ষক নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করান। বিদ্যালয়ে বাংলা, গণিত ও ইংরেজি ক্লাব পরিচালনার পাশাপাশি ছাদবাগান ও পরিচ্ছন্নতার কাজেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হয়।

তার ভাষায়, প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থীদের খুব যত্ন করেন এবং বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কাজে তাদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন।

বি আর বিলকিসের কৃতজ্ঞতা

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ার পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে বি আর বিলকিস বলেন, যেকোনো কাজের স্বীকৃতিই আনন্দের। তবে এই অর্জন শুধু তাঁর একার নয়; বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সোনারগাঁ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

এই সম্মাননা তাঁকে ভবিষ্যতে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান আরও উন্নত করতে এবং শিশুদের মেধা বিকাশে আরও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদকের উদ্দেশ্য

প্রাথমিক শিক্ষার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেওয়া হয়।

প্রথমে উপজেলা, পরে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়। এরপর চূড়ান্ত মূল্যায়নের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠদের নির্বাচন করা হয়।

এই দীর্ঘ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া পেরিয়ে ২০২৬ সালে দেশের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক (মহিলা) নির্বাচিত হয়েছেন বি আর বিলকিস। তাঁর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সম্মান নয়, ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সোনারগাঁয়ের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্যও একটি বড় স্বীকৃতি।

শিক্ষকতা যে শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান নয়, বরং একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার দায়িত্ব—বি আর বিলকিসের দীর্ঘ কর্মজীবন ও ভট্টপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম তারই একটি বাস্তব উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!