ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

menu

ঢাকা-চট্টগ্রাম কাস্টমসের অভিযানে কোটি টাকার পণ্য জব্দ, শুল্ক-কর আদায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা

সজল, ক্রাইম রিপোর্টার

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৮, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

ঢাকা-চট্টগ্রাম কাস্টমসের অভিযানে কোটি টাকার পণ্য জব্দ, শুল্ক-কর আদায় ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা

ছবিঃ সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সরকারি রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করতে দেশের প্রধান বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরে নজরদারি জোরদার করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন বিভিন্ন কাস্টমস ও গোয়েন্দা সংস্থা। সাম্প্রতিক পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ, মদ, সিগারেট, নিষিদ্ধ প্রসাধনী, ওষুধ, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক পণ্য জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি আমদানি পণ্যের ঘোষণায় অসংগতি, শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা এবং কাস্টমসের নিয়ন্ত্রণাধীন কনটেইনারের সিল পরিবর্তনের অভিযোগও সামনে এসেছে।

এনবিআরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১১ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ১১টি পৃথক অভিযানে বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দের পাশাপাশি যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত আনা বাণিজ্যিক পণ্য থেকে ১ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৫৬ টাকা শুল্ক-কর আদায় করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম বন্দরে আটটি আমদানি চালান পরীক্ষা করে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্যের সন্ধান পেয়েছে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ও সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর এবং ফরেন পোস্ট অফিসে পৃথক অভিযানে প্রায় ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১ অভিযানে স্বর্ণ, মদ ও নিষিদ্ধ পণ্য জব্দ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, ভোক্তা অধিকার রক্ষা এবং রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধে ১১ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ১১টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। এসব অভিযানে প্রায় ৯৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা মূল্যের গোল্ডবার ও স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করা হয়।

জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে ৫৮৯ লিটার লিকার, ২ হাজার ৯২৩ কার্টন সিগারেট, ৩৫০টি ই-সিগারেট, ২৮৬ কেজি আমদানি নিষিদ্ধ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, ৯২টি মোবাইল ফোন এবং ৩১৫ কেজি ওষুধ। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের বাণিজ্যিক পণ্যও জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য নির্ধারিত ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত বাণিজ্যিক পণ্য আনার ঘটনায় শুল্ক-কর আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এসব পণ্য থেকে ১ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৫৬ টাকা সরকারি রাজস্ব হিসেবে আদায় করা হয়েছে।

কাস্টমস সংশ্লিষ্টদের মতে, যাত্রীদের ব্যক্তিগত ব্যাগেজ সুবিধা ব্যবহার করে বাণিজ্যিক পণ্য আনা, শুল্কযোগ্য পণ্য গোপন করা কিংবা নিষিদ্ধ পণ্য দেশে প্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে বিমানবন্দরে কার্যকর তদারকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে ব্যাগেজ স্ক্যানিং, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তল্লাশি এবং ঝুঁকিপূর্ণ চালান শনাক্ত করার মতো কার্যক্রম রাজস্ব সুরক্ষার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমাতেও ভূমিকা রাখে।

চট্টগ্রাম বন্দরে আট চালানে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে কম শুল্কের পণ্যের ঘোষণা দিয়ে উচ্চ শুল্কের পণ্য আমদানির অভিযোগে আটটি চালানে অনিয়ম শনাক্ত করেছে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) ও সংশ্লিষ্ট কাস্টমস হাউস। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে চীন, পাকিস্তান ও থাইল্যান্ড থেকে আসা চালানগুলো পরীক্ষা করা হয়।

এনবিআরের ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি চালানে ঘোষিত পণ্যের সঙ্গে বাস্তবে পাওয়া পণ্যের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। কোথাও ঘোষিত পণ্যের আড়ালে প্রসাধনী ও স্টেজ লাইট, কোথাও নিষিদ্ধ ক্রিম ও যৌন উত্তেজক স্প্রে পাওয়া গেছে। আবার রবার বুশের ঘোষণার আড়ালে দামি গাড়ির যন্ত্রাংশ এবং হিট ট্রান্সফার পেপারের পরিবর্তে পিভিসি ফ্লেক্স ব্যানার আমদানির তথ্যও উঠে এসেছে।

এ ছাড়া স্টেইনলেস স্টিল সার্কেল ও এক্সকাভেটর গিয়ারের ঘোষণায় নাট-বল্টু, স্ক্রু, বিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে এনবিআর।

প্রাথমিকভাবে এসব চালানে কয়েক কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত শুল্ক ফাঁকির পরিমাণ নির্ধারণে পণ্যের মূল্যায়ন, শুল্কযোগ্যতা, আমদানি নথিপত্র এবং সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান পর্যালোচনা প্রয়োজন।

কাস্টমসের সিল পরিবর্তন করে কনটেইনার সরানোর অভিযোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে তদন্তের সময় কাস্টমসের সিস্টেমে লক করা একটি কনটেইনারের মূল সিল ভেঙে ভিন্ন সিল লাগিয়ে সেটি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও পাওয়া গেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট কনটেইনারটি জব্দ করে নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয়।

এনবিআর জানিয়েছে, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ (ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং) এজেন্টদের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ৩৩ ও ১৭১ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কাস্টমসের নিয়ন্ত্রণাধীন কনটেইনারের সিল পরিবর্তন কিংবা অনুমতি ছাড়া পণ্য সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা বন্দরের নিরাপত্তা, পণ্য খালাসের স্বচ্ছতা এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে কনটেইনারের গতিবিধি, সিলের নম্বর, বন্দরের প্রবেশ ও বহির্গমন নথি, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র এবং সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে ঘটনার প্রকৃত চিত্র নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা-চট্টগ্রামে চার অভিযানে প্রায় ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার পণ্য আটক

ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিমানবন্দর এবং ফরেন পোস্ট অফিসে ১৫ ও ১৬ অক্টোবর পরিচালিত পৃথক চার অভিযানে প্রায় ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার চোরাচালান পণ্য আটক করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আল আমিন শেখ জানান, এসব অভিযানে স্বর্ণ, মদ, ইনজেকশন, নিষিদ্ধ ক্রিম ও ব্যবহৃত ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে যাত্রীর কাছ থেকে স্বর্ণবার আটক

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুবাইফেরত যাত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের কাছ থেকে ২১ লাখ ৬ হাজার টাকা মূল্যের ১১৭ গ্রাম স্বর্ণবার আটক করা হয়। কাস্টমস গোয়েন্দারা স্বর্ণবারটি জব্দ করেন।

শাহজালাল বিমানবন্দরে মদ জব্দ

একই সময়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক যাত্রীর কাছ থেকে এবং বিমানবন্দরের টয়লেট থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোট ৩০ লিটার মদ জব্দ করা হয়। জব্দ করা মদের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা।

৫৭ লাখ টাকার বেশি ডার্মাল ফিলার ও স্কিন বুস্টার আটক

ঢাকা বিমানবন্দরে কলম্বো থেকে আসা যাত্রী মো. রাকিব হোসেনের ব্যাগেজ স্ক্যান করে ১৫৫টি ডার্মাল ফিলার ও স্কিন বুস্টার ইনজেকশন আটক করেন কাস্টমস গোয়েন্দারা। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।

অনুমোদনহীন বা যথাযথভাবে ঘোষণাবহির্ভূত প্রসাধনী ও ইনজেকশন আমদানি জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এসব পণ্যের উপাদান, মান, সংরক্ষণব্যবস্থা এবং অনুমোদন যাচাই না করে ব্যবহার করা হলে ভোক্তাদের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।

ফরেন পোস্ট অফিসে নিষিদ্ধ ক্রিম ও ল্যাপটপ জব্দ

বিমানবন্দরের ফরেন পোস্ট অফিসে অভিযান চালিয়ে ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ১ হাজার ১০৪ কেজি নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম এবং ২৩টি ব্যবহৃত কোর আই-ফাইভ (Core i5) ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, অননুমোদিত প্রসাধনী ও পুরোনো ইলেকট্রনিক পণ্যের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

নিষিদ্ধ প্রসাধনী ও অননুমোদিত পণ্যে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি

অভিযানগুলোতে বিপুল পরিমাণ ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম, নিষিদ্ধ প্রসাধনী, ডার্মাল ফিলার ও স্কিন বুস্টার ইনজেকশন জব্দ হওয়ার বিষয়টি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে নতুন করে গুরুত্ব তৈরি করেছে। এসব পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানি অনুমোদন, পণ্যের উপাদান, মান নিয়ন্ত্রণ, মেয়াদ এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার ছাড়পত্র যাচাই করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথ মান যাচাই ছাড়া প্রসাধনী ও ইনজেকশন ব্যবহার করলে ত্বকের ক্ষতি, অ্যালার্জি, সংক্রমণসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। তবে জব্দ করা প্রতিটি পণ্য স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ কি না, তা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরীক্ষাগারভিত্তিক মূল্যায়ন ও অনুমোদনের তথ্য যাচাই প্রয়োজন।

অন্যদিকে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পণ্য আমদানি হলে সরকার নির্ধারিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয় এবং আইন মেনে ব্যবসা করা আমদানিকারকেরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়েন। তাই ঘোষিত পণ্য ও প্রকৃত পণ্যের মধ্যে অমিল শনাক্ত করা, সঠিক শুল্ক নির্ধারণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ রাজস্ব প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

রাজস্ব সুরক্ষায় নজরদারি আরও জোরদারের তাগিদ

ঢাকা ও চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক অভিযানগুলোতে একদিকে বিপুল পরিমাণ পণ্য জব্দ ও শুল্ক-কর আদায়ের তথ্য পাওয়া গেছে, অন্যদিকে আমদানি ঘোষণায় অসংগতি এবং কনটেইনারের সিল পরিবর্তনের অভিযোগও সামনে এসেছে। এসব ঘটনা আমদানি পণ্য খালাসের প্রতিটি ধাপে কার্যকর নজরদারি, তথ্য যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।

বিশেষ করে উচ্চ শুল্কের পণ্যের পরিবর্তে কম শুল্কের পণ্যের ঘোষণা, নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি এবং যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে গোয়েন্দা তথ্যের ব্যবহার, ঝুঁকিভিত্তিক পণ্য পরীক্ষা এবং ডিজিটাল নথি যাচাই আরও কার্যকর করা প্রয়োজন।

এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বার্থ, ভোক্তা অধিকার ও সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় এ ধরনের নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানানো হয়েছে।

তবে অভিযানে জব্দ করা পণ্যের চূড়ান্ত মূল্য, শুল্ক ফাঁকির প্রকৃত পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত, পণ্য মূল্যায়ন ও আইনগত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দায়ী হিসেবে চূড়ান্তভাবে উপস্থাপন না করে তদন্তের ফলাফল ও কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী তথ্য প্রকাশ করা জরুরি।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!