গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চাঁদাবাজদের জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পোস্টে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে চাঁদাবাজদের হানা, ভাঙচুর, লুটতরাজ ও তাণ্ডব।’
তিনি আরও লেখেন, ‘মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়। তখন সেই ঢিল বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে।’
‘কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কী সামলাবেন?’
সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনাকে বৃহত্তর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত করে শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টে আরও বলেন, ‘কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কী সামলাবেন? একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে।’
পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘হ্যাঁ, এর শেষ হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।’
গভীর রাতে হামলার অভিযোগ
এর আগে সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে গভীর রাতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগের কথা সামনে আসে। অভিযোগ অনুযায়ী, একদল লোক তাঁর স্টুডিওতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়।
ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে হামলার সঙ্গে কারা জড়িত এবং হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয়।
ঘটনার তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের অপেক্ষা
এ ধরনের ঘটনায় হামলাকারীদের শনাক্ত, হামলার কারণ নির্ধারণ এবং লুটপাটের অভিযোগ যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কী কী মালামাল খোয়া গেছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন।
সালমান মুক্তাদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর বক্তব্য ও কনটেন্ট ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়ে থাকে। তাঁর বাসা ও স্টুডিওতে হামলার অভিযোগ সামনে আসায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
তবে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফল পাওয়া গেলে হামলার প্রকৃত ঘটনা ও দায়ীদের বিষয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

