ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২৬

menu

রমজানের আগেই তিন ধাপে ২ হাজার ইউপিতে ভোট, জানুয়ারিতে শুরু নির্বাচন

ঢাকা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২৬, ১১:৪৯ এএম

রমজানের আগেই তিন ধাপে ২ হাজার ইউপিতে ভোট, জানুয়ারিতে শুরু নির্বাচন

ছবিঃ সংগৃহীত

আগামী বছরের পবিত্র রমজান মাস শুরুর আগেই দেশের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারিতে দুই ধাপে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আরও এক ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে। তিন ধাপে মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা করছে কমিশন।

ইউপি নির্বাচনের পাশাপাশি আগামী জানুয়ারিতে এক ধাপে কিছু পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের কথাও বিবেচনা করছে ইসি। এরপর পর্যায়ক্রমে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তিন ধাপে ভোটের সম্ভাব্য সময়

ইসি সূত্র জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের জন্য শুরুতে আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি সম্ভাব্য তারিখ বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে এখন ওই তারিখ থেকে কয়েক দিন পিছিয়ে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ভোট আয়োজনের কথা ভাবা হচ্ছে।

এরপর জানুয়ারির চতুর্থ সপ্তাহে দ্বিতীয় ধাপ এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তৃতীয় ধাপের নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ রমজান শুরুর আগেই তিন ধাপে ভোট শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতি ধাপে আনুমানিক ৭০০ থেকে ৮০০টি ইউপিতে ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে মোট কতটি ইউপিতে ভোট হবে, তা চূড়ান্ত তফসিল ঘোষণার আগে পরিবর্তিত হতে পারে।

দেশে বর্তমানে মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে।

তিন ধাপে প্রায় ২ হাজার ইউপিতে ভোট

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, রমজানের আগেই তিন ধাপে ইউপি নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা যায়। এই তিন ধাপে আনুমানিক ২ হাজার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হতে পারে। সংখ্যাটি কিছুটা কম-বেশি হতে পারে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রথম ধাপের জন্য ৩ জানুয়ারি প্রাথমিকভাবে নির্ধারণ করা হলেও এখন সময়সূচি তিন-চার দিন পেছানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে তিন ধাপে নির্বাচন আয়োজনের মূল পরিকল্পনায় পরিবর্তন হচ্ছে না।

কেন দ্রুত ইউপি নির্বাচন করতে চায় ইসি

ইউপি নির্বাচনের সময় নির্ধারণে কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বিভিন্ন পরীক্ষা থাকায় এ সময়ে নির্বাচন আয়োজনের সুযোগ সীমিত। জানুয়ারিতে তুলনামূলকভাবে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতে পবিত্র রমজান এবং এরপর এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আবার ৬ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে কিছুটা সময় পাওয়া যাবে। ফলে বিদ্যমান সময়ের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয়তা দেখছে কমিশন।

আগের সাত ধাপের পরিকল্পনায় পরিবর্তন

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে প্রাক্‌-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে ইসি জানিয়েছিল, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তখন প্রথম ধাপের সম্ভাব্য ভোটের তারিখ হিসেবে ১২ নভেম্বরের কথা বলা হয়েছিল।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে ইসির সঙ্গে পর্যাপ্ত যোগাযোগ ছাড়াই সম্ভাব্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে—এমন আপত্তি ওঠে। এরপর কমিশন ওই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

১৭ সেপ্টেম্বর আন্তমন্ত্রণালয় সভার পর ইসি জানায়, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য আগে উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করতে হবে। বিভিন্ন জাতীয় পরীক্ষা, রমজানসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন হয়।

৪ হাজার ৫৮০ ইউপির মধ্যে মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৪ হাজারের বেশি ইউপির

ইসি ও স্থানীয় সরকারসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ৩ হাজার ৬৩টি ইউপির মেয়াদ শেষ হবে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরও ১ হাজার ৪৮টি ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।

ইউনিয়ন পরিষদ আইন অনুযায়ী, পরিষদের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হয়। কোনো কারণে পরিষদ ভেঙে দেওয়া হলে পরবর্তী ১৮০ দিনের মধ্যেও নির্বাচন করার বিধান রয়েছে।

নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের বিধান রয়েছে। তবে দৈব-দুর্বিপাকের মতো বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসক দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

সরকারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত

ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছে। ইসির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরও এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে কোনো লিখিত নির্দেশনা বা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।

সরকার নিজেদের অবস্থান জানাচ্ছে এবং কমিশনও তাদের পরিকল্পনা ও অবস্থান তুলে ধরছে। এভাবেই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে।

এর আগে ১ অক্টোবর গাইবান্ধায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে দেশের সব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ শুরু করেছে।

৩৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা

সাধারণত নির্বাচনের ৪৫ থেকে ৫০ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হয়ে থাকে। তবে এবার ইউপি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভোট গ্রহণের প্রায় ৩৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা করছে ইসি।

নির্বাচনী প্রচারের জন্য প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ২১ দিন সময় পেয়ে থাকেন। এবার সেই সময় কমিয়ে প্রায় ১৫ দিন করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

তবে তফসিল ঘোষণার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ধারণা পাওয়া যাবে।

একসঙ্গে একটি বিভাগের ইউপিতে ভোটের চিন্তা

প্রথম ধাপে জেলার সদর উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন করার একটি পরিকল্পনা ইসির ছিল। এখন সেই পরিকল্পনাতেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

আলোচনায় একটি বিভাগের সব জেলার ইউনিয়ন পরিষদে একই দিনে বা একই ধাপে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব এসেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাড়তি জনবল ব্যবহারের সুবিধাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইসি মনে করছে, একটি পুরো বিভাগে একসঙ্গে নির্বাচন হলে প্রয়োজনে অন্য বিভাগ থেকে অতিরিক্ত জনবল এনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সহজ হতে পারে। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসংখ্যাও প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ানো সম্ভব হতে পারে।

তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সম্ভাব্য পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন নিজস্ব পরিকল্পনা তৈরি করছে।

সহিংসতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে ইসি

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগগুলোর একটি হলো সম্ভাব্য নির্বাচনী সহিংসতা। স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ায় অতীতে বিভিন্ন ইউপি নির্বাচনে সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এবার সহিংসতা এড়াতে শুরু থেকেই সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছে ইসি। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতাও চাওয়া হবে। তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কমিশন মনে করছে, প্রথম ধাপের নির্বাচন যতটা সম্ভব নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আয়োজন করা জরুরি। প্রথম ধাপে পরিস্থিতি প্রত্যাশিত না হলে পরবর্তী ধাপগুলোতে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।

প্রয়োজনে পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে কোনো ধরনের অনিয়ম দেখা গেলে পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। প্রথম ধাপে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানুয়ারিতে পৌরসভা নির্বাচনও হতে পারে

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পাশাপাশি আগামী জানুয়ারিতে এক ধাপে পৌরসভা নির্বাচন আয়োজনের বিষয়েও ভাবছে নির্বাচন কমিশন।

এ বিষয়ে সরকারের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে বলে ইসি সূত্র জানিয়েছে। ইউপি ও পৌরসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, ইউপি নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়ে পৌরসভা নির্বাচন করা যায় কি না, সেটি বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সময়ে করা সম্ভব না হলে পৌরসভাগুলোর নির্বাচন কখন আয়োজন করা যায়, সেটিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম

এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জাতিসংঘের নির্বাচনবিষয়ক প্রকল্পের আয়োজনে ‘লিঙ্গসমতা বিষয়ক কর্মশালা’য় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নারীদের অংশগ্রহণ ব্যাপক হলেও প্রার্থী হিসেবে নারীদের উপস্থিতি খুবই কম।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সাধারণত অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়। প্রার্থীরা স্থানীয় হওয়ায় ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। ফলে এসব নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতিও ব্যাপক হয়।

তবে নারী প্রার্থীর সংখ্যা কম থাকার বিষয়টি এখনও বড় বাস্তবতা।

‘ভোটার বেশি, প্রার্থী কম’—সামাজিক মানসিকতা বড় বাধা

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নারী ভোটারের অংশগ্রহণ থাকলেও প্রার্থী হিসেবে নারীর অংশগ্রহণ কম হওয়ার পেছনে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মানসিকতা বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অনেক জায়গাতেই মানুষ পরিবর্তনের প্রতি স্বাভাবিকভাবে কিছুটা প্রতিরোধী। নতুন কিছু গ্রহণ করা সহজ নয়। তাই কোনো পরিবর্তন আনার আগে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণ বাড়াতে সামাজিক সচেতনতা, রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নারীদের জন্য অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বড় কর্মযজ্ঞ

সব মিলিয়ে ২০২৭ সালের শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং পরবর্তী সময়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বড় ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনী কর্মযজ্ঞে যেতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

প্রথম পর্যায়ে রমজানের আগেই তিন ধাপে প্রায় ২ হাজার ইউপিতে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সময়সূচি, ধাপভিত্তিক ইউপির সংখ্যা, তফসিল এবং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই কমিশনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের পর স্পষ্ট হবে।

ইসির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোটার ও প্রার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে সহিংসতামুক্ত রাখাও কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

দৈনিক আজ ও আগামীকাল

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

QR Code
banner
Link copied!